আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) দ্রুত প্রসারের ফলে শ্রমবাজারের চাহিদা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। এর সঙ্গে তাল মিলিয়ে শিক্ষিত তরুণদের একটি বড় অংশের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টিতে কিছুটা ধীরগতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দক্ষতা উন্নয়ন, কার্যকর পরামর্শদান এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তরুণদের সরাসরি সংযোগ বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। তরুণ প্রজন্মের মধ্যে যে প্রতিভা ও সম্ভাবনা রয়েছে, তাকে সঠিক কর্মসংস্থানে রূপ দেওয়ার জন্য বাস্তবসম্মত কৌশল গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। প্রচলিত প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার পাশাপাশি কমিউনিটিভিত্তিক বিভিন্ন উদ্যোগ বেকারত্ব দূর করার ক্ষেত্রে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে। বিভিন্ন দেশের সফল অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, স্থানীয় পর্যায়ে তরুণদের নিয়ে পরিচালিত প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং অভিজ্ঞতা বিনিময় মডেল বেশ কার্যকর প্রমাণিত হয়েছে। কোনো বড় ধরনের সরকারি কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক প্রকল্পের জন্য অপেক্ষা না করে শিক্ষার্থী ও তরুণ পেশাজীবীদের পারস্পরিক সহযোগিতায় তৃণমূল পর্যায়ে জ্ঞান ছড়িয়ে দেওয়ার এই পদ্ধতি প্রশংসনীয়। কম খরচে পরিচালিত এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীনির্ভর এই মডেলগুলো বড় পরিসরে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হলে তা বেকারত্ব হ্রাসে বড় ধরনের অবদান রাখতে পারবে। প্রযুক্তির যুগে টিকে থাকতে হলে তরুণদের প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি প্রায়োগিক দক্ষতায় সমৃদ্ধ করার কোনো বিকল্প নেই।
ব্রেকিং নিউজ :


























