Dhaka ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার, নিরাপত্তার অধিকারও সবার: প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বী সমাজকে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রীতি ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট বাণী প্রদান করে বলেছেন, ধর্ম যার যার নিজস্ব বিষয় হলেও এই রাষ্ট্রটি আমাদের সবার; ঠিক তেমনি নিজ নিজ ধর্ম পালনে নিরাপত্তা লাভের অধিকারও প্রতিটি নাগরিকের সমান।

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পবিত্র শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এই শুভলগ্নে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যেন অত্যন্ত আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে ও পূর্ণ নিরাপদে দুর্গাপূজার সার্বজনীন উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেই শুভকামনা প্রকাশ করেন তিনি।

শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী জগতের সার্বিক কল্যাণ সাধনে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোকে আগমন করেন। তিনি ভক্তদের রক্ষা ও কল্যাণ সাধন, অশুভ ও শত্রু বিনাশ এবং সমগ্র সৃষ্টিকে পরম মমতায় লালন করেন। অশুভ শক্তির অবসান ঘটিয়ে সত্য, ন্যায় ও সুন্দরের জয়গান গাওয়াই মূলত শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত মূল চেতনা ও তাৎপর্য।

তিনি আরও বলেন, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে বহু কাল ধরে নানা ধর্মের মানুষ স্ব-স্ব ধর্মীয় রীতিনীতি ও সামাজিক উৎসব উদযাপন করে আসছেন। এসব উৎসব আমাদের আবহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের ঐতিহ্য এবং লোকজ সংস্কৃতির এক অনুপম সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলে। নানাবিধ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের সুদৃঢ় মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে আরও যুক্ত করেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হলো বিশ্বের সকল ধর্মের মূল দর্শন ও বাণী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধন করাও প্রতিটি ধর্মের পরম আদর্শ। ফলে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি একে অপরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ আবহ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, হাজারো মানুষের রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসকচক্রকে বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আজ পুনরায় নতুন করে মুক্ত গণতন্ত্রের সুবাতাসে যাত্রা শুরু করেছে। এর পরপরই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক বিশাল ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব সামনে এসেছে। দল, মত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য একটি বৈষম্যহীন, কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আন্তঃধর্মীয় সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তায় আমাদের বহুত্ববাদী সমাজ ও জনজীবন আরও সমৃদ্ধ ও সুন্দর হয়ে উঠুক। হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল ভাই-বোনেরা যেন কোনো ভয় বা দ্বিধা ছাড়াই আনন্দঘন পরিবেশে নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্ম যার যার, রাষ্ট্র সবার, নিরাপত্তার অধিকারও সবার: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৬:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

বাংলাদেশসহ সমগ্র বিশ্বের সনাতন ধর্মাবলম্বী সমাজকে শারদীয় দুর্গাপূজার প্রীতি ও আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট বাণী প্রদান করে বলেছেন, ধর্ম যার যার নিজস্ব বিষয় হলেও এই রাষ্ট্রটি আমাদের সবার; ঠিক তেমনি নিজ নিজ ধর্ম পালনে নিরাপত্তা লাভের অধিকারও প্রতিটি নাগরিকের সমান।

গত শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) পবিত্র শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে দেওয়া এক বিশেষ বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এই অভিমত ব্যক্ত করেন। এই শুভলগ্নে হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষেরা যেন অত্যন্ত আনন্দ, উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে নিশ্চিন্ত মনে ও পূর্ণ নিরাপদে দুর্গাপূজার সার্বজনীন উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সেই শুভকামনা প্রকাশ করেন তিনি।

শুভেচ্ছাবার্তায় প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, সনাতন ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী জগতের সার্বিক কল্যাণ সাধনে দেবী দুর্গা মর্ত্যলোকে আগমন করেন। তিনি ভক্তদের রক্ষা ও কল্যাণ সাধন, অশুভ ও শত্রু বিনাশ এবং সমগ্র সৃষ্টিকে পরম মমতায় লালন করেন। অশুভ শক্তির অবসান ঘটিয়ে সত্য, ন্যায় ও সুন্দরের জয়গান গাওয়াই মূলত শারদীয় দুর্গোৎসবের অন্তর্নিহিত মূল চেতনা ও তাৎপর্য।

তিনি আরও বলেন, প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশে বহু কাল ধরে নানা ধর্মের মানুষ স্ব-স্ব ধর্মীয় রীতিনীতি ও সামাজিক উৎসব উদযাপন করে আসছেন। এসব উৎসব আমাদের আবহমান ধর্মীয় ও সামাজিক মূল্যবোধের ঐতিহ্য এবং লোকজ সংস্কৃতির এক অনুপম সৌন্দর্যকে ফুটিয়ে তোলে। নানাবিধ ধর্মীয়, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে বিভিন্ন ধর্ম, বর্ণ ও সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব, সম্প্রীতি, পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও ভ্রাতৃত্বের সুদৃঢ় মেলবন্ধন সৃষ্টি হয়।

প্রধানমন্ত্রী তাঁর বাণীতে আরও যুক্ত করেন, সাম্য, মানবিক মর্যাদা রক্ষা এবং সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠাই হলো বিশ্বের সকল ধর্মের মূল দর্শন ও বাণী। পাশাপাশি সাধারণ মানুষের কল্যাণ সাধন করাও প্রতিটি ধর্মের পরম আদর্শ। ফলে নিজ নিজ ধর্মীয় রীতি ও সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি একে অপরের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা, পারস্পরিক সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে একটি সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণ আবহ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

তারেক রহমান স্মরণ করিয়ে দিয়ে বলেন, হাজারো মানুষের রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে ফ্যাসিবাদী শাসকচক্রকে বিতাড়নের পর বাংলাদেশ আজ পুনরায় নতুন করে মুক্ত গণতন্ত্রের সুবাতাসে যাত্রা শুরু করেছে। এর পরপরই রাষ্ট্র পুনর্গঠনের এক বিশাল ও ঐতিহাসিক দায়িত্ব সামনে এসেছে। দল, মত, জাতি ও ধর্ম নির্বিশেষে দেশের সর্বস্তরের মানুষের জন্য একটি বৈষম্যহীন, কল্যাণমুখী, নিরাপদ ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ে তোলাই বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার।

বাণীর শেষাংশে প্রধানমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, আন্তঃধর্মীয় সৌহার্দ্য ও সামাজিক সম্প্রীতির বার্তায় আমাদের বহুত্ববাদী সমাজ ও জনজীবন আরও সমৃদ্ধ ও সুন্দর হয়ে উঠুক। হিন্দু সম্প্রদায়ের সকল ভাই-বোনেরা যেন কোনো ভয় বা দ্বিধা ছাড়াই আনন্দঘন পরিবেশে নিশ্চিন্তে এবং নিরাপদে সারা দেশে শারদীয় দুর্গোৎসব উদযাপন করতে পারেন।