বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় অভিযোগ করে বলেছেন, ভারতে অবস্থানরত ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা এখন প্রতিবেশী দেশটির রাজনৈতিক ও কৌশলগত ‘তুরুপের তাস’ হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছেন। হাসিনা নিজে দেশে ফেরার জন্য আস্ফালন করছেন না, বরং প্রতিবেশী দেশের লোকজনই নিজেদের স্বার্থ হাসিলে তাঁকে দিয়ে এসব রাজনৈতিক বক্তব্য দেওয়াচ্ছেন। এখন তিনি বাংলাদেশে ফিরতে চাইলে নিজ ইচ্ছায় নয়, ভারতের অনুমতি নিয়েই তাকে আসতে হবে।
গত মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর ২০২৬) সন্ধ্যায় দক্ষিণ কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়া ইউনিয়নের বাঘৈর স্বর্গপুরী দেব মন্দিরে আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপন উপলক্ষে আর্থিক অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব মন্তব্য করেন।
গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ভারত নিজেদের ভৌগোলিক ও রাজনৈতিক কৌশলগত স্বার্থে শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়ে ব্যবহার করছে। শেখ হাসিনা যদি লন্ডন বা অন্য কোনো পশ্চিমা দেশে অবস্থান করতেন, তাহলে দিল্লির পক্ষে তাকে নিয়ে এই ধরণের রাজনৈতিক চাল চাল্লা সম্ভব হতো না।
বর্তমানে আগামী ডিসেম্বরে শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরানোর বিষয়ে যে গুঞ্জন ও আওয়াজ তোলা হচ্ছে, সে প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাংলাদেশের জনগণও চায় এই খুনি ও গণহত্যাকারী দেশে ফিরে আসুক এবং তার অপরাধের বিচার ফেস করুক। কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগার চালু হলেও কেরানীগঞ্জের নবনির্মিত মহিলা কারাগার এখনো চালু করা হয়নি উল্লেখ করে গয়েশ্বর হুঙ্কার দিয়ে বলেন, ডিসেম্বরে শেখ হাসিনা বাংলাদেশে এলে তাঁকে বন্দী রেখে সেই কেরানীগঞ্জের মহিলা কারাগার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করা হবে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. উমর ফারুকের সভাপতিত্বে আয়োজিত উক্ত অনুদান বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী। এ সময় তেঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হাজী লাট মিয়াসহ স্থানীয় বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের শীর্ষ নেত্রীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।






















