আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় যুক্তরাজ্যের কৌশলগত ভূমিকা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। ইউক্রেন ও মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতের কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহে যে বিঘ্ন ঘটেছে, তা সামাল দিতে দেশটির স্বাধীন পররাষ্ট্র ও জ্বালানিনীতি কতটা কার্যকর হবে, তা নিয়ে বিশ্লেষকেরা নানা মত প্রকাশ করছেন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ১৯৭৩ বা ২০০৮ সালের সংকটের মতো বর্তমান পরিস্থিতিও বিশ্ব অর্থনীতিকে গভীরভাবে নাড়া দিচ্ছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্যে ডিজেল ও পেট্রলের দাম রেকর্ড পর্যায়ে পৌঁছানোর কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের মূল্যবৃদ্ধির পাশাপাশি প্রধান রুটগুলোতে সরবরাহব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ায় এই সংকটের মাত্রা আরও বেড়েছে।
রাশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর ঐতিহ্যগত নির্ভরতা কমে যাওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বিকল্প বাজারের দিকে ঝোঁক বাড়লেও সেখানেও সরবরাহ ঘাটতির আশঙ্কা রয়েছে। এই বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতা থেকে উত্তরণে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর জোর দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।


























