Dhaka ০৫:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পুলিশের অভিযানে আটক মাদক মামলার আসামি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনও’র বিরুদ্ধে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

কুলিয়ারচরে পুলিশের বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে মাদকসহ আটককৃত তিনজনকে মোবাইল কোর্টে শাস্তির আওতায় না এনে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাফফাত আরা সাঈদের বিরুদ্ধে। একই অভিযানে মাদকসহ আটক আরেক আসামি ইসমাইল মিয়াকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়ায় এই ঘটনায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তিরা হলেন কুলিয়ারচর উপজেলার পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে সিয়াম (১৮), লক্ষ্মীপুর গ্রামের সাফি মিয়ার ছেলে সানি (২৭) এবং একই গ্রামের সেনু মিয়ার মেয়ে বকুলা বেগম (৩৫)। বকুলা বেগম হলেন দণ্ডিত ইসমাইল মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এই অভিযানে মাদক সেবন ও মাদক রাখার অভিযোগে মোট আটজনকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের সিয়াম ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের সানিকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মদ ও বোতলসহ মাদকাসক্ত অবস্থায় আটক করা হয়েছিল। তাদের মোবাইল কোর্টে নেওয়া হলে তারা মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেন। এরপর তাদের কাছ থেকে জব্দকৃত মদ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়া (৫০) ও তার স্ত্রী বকুলা বেগমকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে মাদকসহ আটক করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের ঘর থেকে ১১ পিস ইয়াবা এবং গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ইসমাইল মিয়াকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তার স্ত্রী বকুলা বেগমকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৭ (২) ধারায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ স্বীকার করলে তার স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করে যথোপযুক্ত দণ্ড আরোপের লিখিত আদেশ দিতে হবে। অন্যদিকে, ৭ (৩) ধারায় অভিযোগ অস্বীকার করে দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হলে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে, মাদক সেবনের অভিযোগ স্বীকার করার পরও সিয়াম ও সানিকে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিধানের অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযানে আটক অপর চারজনকে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পুলিশের অভিযানে আটক মাদক মামলার আসামি ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ ইউএনও’র বিরুদ্ধে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০৯:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

কুলিয়ারচরে পুলিশের বিশেষ সাঁড়াশি অভিযানে মাদকসহ আটককৃত তিনজনকে মোবাইল কোর্টে শাস্তির আওতায় না এনে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এবং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাফফাত আরা সাঈদের বিরুদ্ধে। একই অভিযানে মাদকসহ আটক আরেক আসামি ইসমাইল মিয়াকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়ায় এই ঘটনায় প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

ছেড়ে দেওয়া ব্যক্তিরা হলেন কুলিয়ারচর উপজেলার পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের ফারুক মিয়ার ছেলে সিয়াম (১৮), লক্ষ্মীপুর গ্রামের সাফি মিয়ার ছেলে সানি (২৭) এবং একই গ্রামের সেনু মিয়ার মেয়ে বকুলা বেগম (৩৫)। বকুলা বেগম হলেন দণ্ডিত ইসমাইল মিয়ার স্ত্রী।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার দিবাগত রাতে কুলিয়ারচর উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ সাঁড়াশি অভিযান পরিচালনা করে পুলিশ। এই অভিযানে মাদক সেবন ও মাদক রাখার অভিযোগে মোট আটজনকে আটক করা হয়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্ব গোবরিয়া গ্রামের সিয়াম ও লক্ষ্মীপুর গ্রামের সানিকে প্রায় ৫০০ গ্রাম মদ ও বোতলসহ মাদকাসক্ত অবস্থায় আটক করা হয়েছিল। তাদের মোবাইল কোর্টে নেওয়া হলে তারা মাদক সেবনের কথা স্বীকার করেন। এরপর তাদের কাছ থেকে জব্দকৃত মদ জনসম্মুখে ধ্বংস করা হয় এবং মুচলেকা নিয়ে তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

অন্যদিকে, লক্ষ্মীপুর গ্রামের ইসমাইল মিয়া (৫০) ও তার স্ত্রী বকুলা বেগমকে তাদের নিজ বাড়ি থেকে মাদকসহ আটক করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। তাদের ঘর থেকে ১১ পিস ইয়াবা এবং গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ইসমাইল মিয়াকে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ছয় মাসের কারাদণ্ড ও এক হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। জরিমানা অনাদায়ে তাকে আরও সাত দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। তবে তার স্ত্রী বকুলা বেগমকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়।

মোবাইল কোর্ট আইন, ২০০৯-এর ৭ (২) ধারায় বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ব্যক্তি অভিযোগ স্বীকার করলে তার স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করে যথোপযুক্ত দণ্ড আরোপের লিখিত আদেশ দিতে হবে। অন্যদিকে, ৭ (৩) ধারায় অভিযোগ অস্বীকার করে দেওয়া ব্যাখ্যা সন্তোষজনক হলে তাকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার বিধান রয়েছে। ফলে, মাদক সেবনের অভিযোগ স্বীকার করার পরও সিয়াম ও সানিকে মুচলেকায় ছেড়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন বিধানের অধীনে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযানে আটক অপর চারজনকে কিশোরগঞ্জের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে।