Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এক মাসে হামের টিকা পাবে ৩৫ লাখ শিশু

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

আগের টিকাদান কর্মসূচিগুলো থেকে বিভিন্ন কারণে বাদ পড়ে যাওয়া প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে আগামী এক মাসের মধ্যে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় নিয়ে আসার জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জোরালোভাবে জানিয়েছেন যে, দেশের একটি শিশুও জীবন রক্ষাকারী এই টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকবে না। বুধবার সকালে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী কড়াইল টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত বিশেষ হাম-রুবেলা ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর টিকাদান সেশন পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতোমধ্যে প্রায় দুই কোটি শিশুকে সফলভাবে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে দেশের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, নদীমাতৃক চরাঞ্চল কিংবা নানা বাস্তব কারণে যেসব শিশু বিগত টিকাদান কর্মসূচিগুলো থেকে বাদ পড়ে গিয়েছিল, তাদের সুনির্দিষ্টভাবে খুঁজে বের করে এই বিশেষ ক্যাচ-আপ ও মপ-আপ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শতভাগ টিকার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘আমরা প্রতিটি ঘরে ও প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছাবো এবং তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করব।’ প্র divergences প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাব্যবস্থাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের শিশুদের সার্বিক সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং মাঠপর্যায়ের নিবেদিতপ্রাণ স্বাস্থ্যকর্মীরা অত্যন্ত সমন্বিতভাবে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের এই মহতী কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্যাভি এবং ইউনিসেফের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান যে, রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় বিশেষ করে বাসায় বাসায় গিয়ে বিগত কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদের সঠিকভাবে শনাক্ত করতে এবং তাদের টিকাদান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সমন্বয় করে কাজ করছে ডিএনসিসি।

এছাড়া বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন যে, মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে কেবল প্রাদুর্ভাবের নির্দিষ্ট সময়টিতেই নয়, বরং সারা বছর জুড়েই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ ঘরবাড়ি এবং কর্মস্থলের আশপাশ সর্বদা পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এক মাসে হামের টিকা পাবে ৩৫ লাখ শিশু

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:০৬:২৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

আগের টিকাদান কর্মসূচিগুলো থেকে বিভিন্ন কারণে বাদ পড়ে যাওয়া প্রায় ৩৫ লাখ শিশুকে আগামী এক মাসের মধ্যে হাম-রুবেলা টিকার আওতায় নিয়ে আসার জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগ গ্রহণ করেছে সরকার। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত জোরালোভাবে জানিয়েছেন যে, দেশের একটি শিশুও জীবন রক্ষাকারী এই টিকাদান কর্মসূচির বাইরে থাকবে না। বুধবার সকালে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী কড়াইল টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত বিশেষ হাম-রুবেলা ক্যাচ-আপ ক্যাম্পেইন-২০২৬-এর টিকাদান সেশন পরিদর্শনের সময় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন।

প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, হাম ও রুবেলা রোগ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যে দেশব্যাপী ইতোমধ্যে প্রায় দুই কোটি শিশুকে সফলভাবে টিকা দেওয়া হয়েছে। তবে দেশের দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চল, নদীমাতৃক চরাঞ্চল কিংবা নানা বাস্তব কারণে যেসব শিশু বিগত টিকাদান কর্মসূচিগুলো থেকে বাদ পড়ে গিয়েছিল, তাদের সুনির্দিষ্টভাবে খুঁজে বের করে এই বিশেষ ক্যাচ-আপ ও মপ-আপ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে শতভাগ টিকার আওতায় নিয়ে আসা হচ্ছে। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ‘আমরা প্রতিটি ঘরে ও প্রতিটি শিশুর কাছে পৌঁছাবো এবং তাদের নিরাপত্তা ও জীবন নিশ্চিত করব।’ প্র divergences প্রতিরোধমূলক চিকিৎসাব্যবস্থাকে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের শিশুদের সার্বিক সুরক্ষায় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়, স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠান এবং মাঠপর্যায়ের নিবেদিতপ্রাণ স্বাস্থ্যকর্মীরা অত্যন্ত সমন্বিতভাবে একযোগে কাজ করে যাচ্ছেন। সরকারের এই মহতী কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করার জন্য তিনি যুক্তরাষ্ট্র সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা গ্যাভি এবং ইউনিসেফের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

পরিদর্শনকালে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান জানান যে, রাজধানীর প্রতিটি এলাকায় বিশেষ করে বাসায় বাসায় গিয়ে বিগত কর্মসূচি থেকে বাদ পড়া শিশুদের সঠিকভাবে শনাক্ত করতে এবং তাদের টিকাদান নিশ্চিত করতে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সম্পূর্ণ সমন্বয় করে কাজ করছে ডিএনসিসি।

এছাড়া বর্তমান ডেঙ্গু পরিস্থিতি প্রসঙ্গে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন যে, মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধে কেবল প্রাদুর্ভাবের নির্দিষ্ট সময়টিতেই নয়, বরং সারা বছর জুড়েই প্রতিটি নাগরিককে নিজ নিজ ঘরবাড়ি এবং কর্মস্থলের আশপাশ সর্বদা পরিচ্ছন্ন রাখার মাধ্যমে সর্বোচ্চ দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।