মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের প্রকাশিত ছবি নিয়ে ভিত্তিহীন অপপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।
রোববার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেবল লাইক, শেয়ার বা রাজনৈতিক কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার ছড়ানো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।
ছবিটি নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। হোয়াইট হাউস থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছবিটি ঢাকার দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। এমনকি রোববার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও নিজ উদ্যোগে ছবিটি তাদের পেজে শেয়ার করেছে। এর চেয়ে বড় সত্য আর কী হতে পারে? এরপরও যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য কেবল রাজনৈতিক ফায়দা লোটা।
সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচারেরও জবাব দেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান সম্পূর্ণ নিজের মেধা ও যোগ্যতায় জাতিসংঘে চাকরি পেয়েছেন, এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। একইভাবে ডা. জুবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্কিত ব্যক্তির উপস্থিতির যে খবর রটানো হয়েছিল, তার আয়োজকরাও সেটি মিথ্যা বলে নিশ্চিত করেছেন।
সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, ঘটনাটি মূলত অবৈধ জায়গা সংক্রান্ত দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, যার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সরকার ইতিমধ্যেই ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তারপরও বিএনপির নাম জড়িয়ে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা চালানো চরম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।


























