Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

আইসিইউ ছাড়াই সাপের বিষাক্রান্ত যুবকের জীবন রক্ষা, চিকিৎসকদের অনন্য সাফল্য

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:১৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের সময়োপযোগী পদক্ষেপে সাপের বিষে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন সুলাইমান (২৭) নামের এক যুবক। ওঝার অবৈজ্ঞানিক ঝাড়ফুঁক ও ভুল চিকিৎসায় অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকদের সাহসিকতা এবং সঠিক সময়ে অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের ফলে অলৌকিকভাবে নতুন জীবন পেয়েছেন তিনি। সুলাইমান ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা হাজী সানাউল্লাহর ছেলে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় একটি বিষাক্ত সাপ সুলাইমানকে কামড় দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে না নিয়ে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ওঝার ঝাড়ফুঁক ও শরীর কাটার ফলে বিষ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে ওই দিন বিকেলে তাকে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মুনতাসীর মামুন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম সুমনের নির্দেশনায় একটি জরুরি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরের জেলা সদর হাসপাতালে রোগীকে নেওয়ার মতো সময় বা শারীরিক অবস্থা না থাকায়, আইসিইউ ছাড়াই চরম ঝুঁকি নিয়ে অ্যান্টিভেনম থրapy দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

স্বজনদের সম্মতিক্রমে চিকিৎসকদের টানা পাঁচ ঘণ্টার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় রোগীর চেতনা ফিরে আসে এবং তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রয়েছেন। গ্রামীণ জনপদে চিকিৎসকদের এই সাহসিকতা ও পেশাদারিত্ব সর্বত্র ব্যাপক প্রশংস কুড়িয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আইসিইউ ছাড়াই সাপের বিষাক্রান্ত যুবকের জীবন রক্ষা, চিকিৎসকদের অনন্য সাফল্য

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:১৫:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২ অক্টোবর ২০২৬

নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র বা আইসিইউ সুবিধা না থাকা সত্ত্বেও চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসকদের সময়োপযোগী পদক্ষেপে সাপের বিষে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছেন সুলাইমান (২৭) নামের এক যুবক। ওঝার অবৈজ্ঞানিক ঝাড়ফুঁক ও ভুল চিকিৎসায় অবস্থা সংকটাপন্ন হয়ে পড়ার পর চিকিৎসকদের সাহসিকতা এবং সঠিক সময়ে অ্যান্টিভেনম প্রয়োগের ফলে অলৌকিকভাবে নতুন জীবন পেয়েছেন তিনি। সুলাইমান ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের বাসিন্দা হাজী সানাউল্লাহর ছেলে।

গত ২৪ সেপ্টেম্বর সকালে কৃষিজমিতে কাজ করার সময় একটি বিষাক্ত সাপ সুলাইমানকে কামড় দেয়। পরিবারের লোকজন তাকে হাসপাতালে না নিয়ে স্থানীয় এক ওঝার কাছে নিয়ে যান। সেখানে ওঝার ঝাড়ফুঁক ও শরীর কাটার ফলে বিষ সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে এবং তিনি জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে ওই দিন বিকেলে তাকে চরফ্যাশন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসা হয়।

পরিস্থিতির গুরুত্ব অনুধাবন করে হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. মুনতাসীর মামুন বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানান। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আশরাফুল ইসলাম সুমনের নির্দেশনায় একটি জরুরি মেডিকেল বোর্ড গঠন করা হয়। প্রায় ৭০ কিলোমিটার দূরের জেলা সদর হাসপাতালে রোগীকে নেওয়ার মতো সময় বা শারীরিক অবস্থা না থাকায়, আইসিইউ ছাড়াই চরম ঝুঁকি নিয়ে অ্যান্টিভেনম থրapy দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা।

স্বজনদের সম্মতিক্রমে চিকিৎসকদের টানা পাঁচ ঘণ্টার অক্লান্ত প্রচেষ্টায় রোগীর চেতনা ফিরে আসে এবং তার শারীরিক অবস্থার উল্লেখযোগ্য উন্নতি ঘটে। বর্তমানে তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়ি ফেরার পথে রয়েছেন। গ্রামীণ জনপদে চিকিৎসকদের এই সাহসিকতা ও পেশাদারিত্ব সর্বত্র ব্যাপক প্রশংস কুড়িয়েছে।