Dhaka ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১০ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের রাউজানে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে রাউজান থানার অন্তত ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়েনগর বড়ুয়া পাড়ায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য রাউজান থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে গুলি ছুড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলিবিনিময় হয়।

এই অভিযানে গুলিবিদ্ধ দিলদার হোসেনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও, পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান চক্রের অন্যতম হোতা মো. জাকের আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪২) এবং মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বস (৫২)।

এসপি মাসুদ আলম জানিয়েছেন, জাকের আলম ও আজিজ বসের নেতৃত্বে তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিলেন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারা আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পাওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় জাকের আলমের বসতঘরে জাকের আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, মো. রুবেল (২৭), মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) এবং মো. বাঁশা (৪৫) উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ প্রবেশ করা মাত্রই তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে।

রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, গুলিবিনিময়ের ঘটনায় আহত ১২ পুলিশ সদস্যের মধ্যে এসআই জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই মো. নোমানেদ আলম, এসআই বায়েজিদ মৃধা, এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই রফিউল হোসেনসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দিলদার হোসেনের হেফাজত এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি দোনলা (ডিবিবিএল) বন্দুক, একটি একনলা কাটা (এসবিবিএল) বন্দুক, চায়না রাইফেলের ১১৯ রাউন্ড গুলি, ছয়টি সিসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কিরিচ এবং দুটি গুলি রাখার পাউচ উদ্ধার করা হয়েছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রাউজানে সন্ত্রাসীদের গুলিতে ১২ পুলিশ সদস্য আহত, অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার ১

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:৫৬:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

চট্টগ্রামের রাউজানে চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান চালাতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের সঙ্গে পুলিশের ভয়াবহ গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এতে রাউজান থানার অন্তত ১২ জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এই ঘটনায় ঘটনাস্থল থেকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় এক সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র, গুলি ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে পুলিশ।

বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে উপজেলার ৮ নম্বর কদলপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ কদলপুর জয়েনগর বড়ুয়া পাড়ায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

জেলা পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে জড়িত একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্রের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনার জন্য রাউজান থানার একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা অতর্কিতে গুলি ছুড়তে শুরু করে। আত্মরক্ষার্থে পুলিশও পাল্টা গুলি চালালে উভয় পক্ষের মধ্যে ব্যাপক গুলিবিনিময় হয়।

এই অভিযানে গুলিবিদ্ধ দিলদার হোসেনকে (৩৭) গ্রেপ্তার করা সম্ভব হলেও, পুলিশের চোখ ফাঁকি দিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান চক্রের অন্যতম হোতা মো. জাকের আলম ওরফে ডাকাত আলম (৪২) এবং মোহাম্মদ আজিজ ওরফে আজিজ বস (৫২)।

এসপি মাসুদ আলম জানিয়েছেন, জাকের আলম ও আজিজ বসের নেতৃত্বে তাদের সহযোগীরা দীর্ঘদিন ধরে এলাকার বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছে চাঁদা দাবি ও আদায় করে আসছিলেন। গত ২৫ সেপ্টেম্বর তারা আবু বক্কর চৌধুরী নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে গিয়ে চাঁদা দাবি করেন। বিষয়টি যাচাই-বাছাই করে সত্যতা পাওয়ার পর তাদের গ্রেপ্তারের নির্দেশ দেওয়া হয়।

তিনি আরও জানান, অভিযানের সময় জাকের আলমের বসতঘরে জাকের আলম, আজিজ বস, দিলদার হোসেন, মো. রুবেল (২৭), মামুন-অর-রশিদ ওরফে মামুন (৩৫) এবং মো. বাঁশা (৪৫) উপস্থিত ছিলেন। পুলিশ প্রবেশ করা মাত্রই তারা এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে।

রাউজান থানার ওসি সাইফুল ইসলাম নিশ্চিত করেছেন, গুলিবিনিময়ের ঘটনায় আহত ১২ পুলিশ সদস্যের মধ্যে এসআই জান্নাতুন নাঈম রাজন, এসআই মো. নোমানেদ আলম, এসআই বায়েজিদ মৃধা, এসআই জাহাঙ্গীর আলম, এএসআই জুয়েল চন্দ্র বিশ্বাস ও এএসআই রফিউল হোসেনসহ আরও কয়েকজন রয়েছেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গ্রেপ্তারকৃত দিলদার হোসেনের হেফাজত এবং ঘটনাস্থল থেকে একটি দোনলা (ডিবিবিএল) বন্দুক, একটি একনলা কাটা (এসবিবিএল) বন্দুক, চায়না রাইফেলের ১১৯ রাউন্ড গুলি, ছয়টি সিসা কার্তুজ, চারটি রামদা, দুটি কিরিচ এবং দুটি গুলি রাখার পাউচ উদ্ধার করা হয়েছে।