চলতি করবর্ষে প্রথমবারের মতো আয়কর রিটার্ন দাখিলে প্রণোদনার সুযোগ রাখা হয়েছে। বিদ্যমান আয়কর আইন অনুযায়ী, করবর্ষ শুরু হওয়ার পর থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা রিটার্ন দাখিল করলে নির্দিষ্ট হারে কর ছাড় সুবিধা পাবেন। সেই অনুযায়ী, প্রণোদনা নিয়ে রিটার্ন জমা দেওয়ার আজ বুধবার শেষ দিন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যারা রিটার্ন দাখিল করবেন, তারা এই করছাড়ের সুবিধা ভোগ করতে পারবেন।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) নীতি শাখার একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, রিটার্ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে আয়কর আইনে অনুমোদিত সংশোধনীতে কোনো পরিবর্তন আসছে না। আইনের বিধান অনুযায়ী ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে ব্যক্তিশ্রেণির করদাতারা রিটার্ন জমা দিলে করছাড়ের সুবিধা পাবেন।
চলতি অর্থবছরের বাজেট অধিবেশনে আয়কর আইনের সংশোধনীতে ব্যক্তিশ্রেণি ও হিন্দু অবিভক্ত পরিবারের করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সুবিধার্থে পুরো করবর্ষকে চারটি ভাগে ভাগ করা হয়। প্রথম ভাগ ধরা হয়েছে অর্থবছরের শুরু অর্থাৎ ১ জুলাই থেকে ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ে যেসব করদাতা রিটার্ন জমা দেবেন, তারা আদায়যোগ্য করের ৫ শতাংশ অথবা ২৫ হাজার টাকার মধ্যে যেটি কম, সেই পরিমাণ ছাড় পাবেন। ফলে সর্বোচ্চ ২৫ হাজার টাকা পর্যন্ত করছাড় পাওয়ার সুযোগ রয়েছে।
এরপর ১ অক্টোবর থেকে ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে রিটার্ন দাখিলকারীরা নিয়মিত করদাতা হিসেবে গণ্য হবেন। এ সময়ে তারা কোনো করছাড় বা জরিমানা ছাড়াই রিটার্ন জমা দিতে পারবেন। তবে ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ মার্চের মধ্যে রিটার্ন দিলে আদায়যোগ্য করের ২ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৩ হাজার টাকা জরিমানা দিতে হবে। অন্যদিকে, ১ এপ্রিল থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সময়ে রিটার্ন দাখিলকারীদের আদায়যোগ্য করের ৫ শতাংশ বা সর্বোচ্চ ৫ হাজার টাকা জরিমানা পরিশোধ করতে হবে।
এনবিআর সূত্রে জানা যায়, করদাতাদের সময়মতো রিটার্ন জমা দিতে উৎসাহিত করতেই মূলত এই করছাড়ের বিধান রাখা হয়েছে। এর আগে ৩০ নভেম্বর করদিবস হিসেবে নির্ধারিত ছিল।


























