জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদির চাঁদাবাজদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করে বলেছেন, চাঁদাবাজি তাদের সংকীর্ণ মানসিকতার মধ্যে আটকে রেখেছে এবং এজন্য তারা কখনো বড় স্বপ্ন দেখতে পারে না। এটাই তাদের আসল অবস্থান বা লেভেল।
চাঁদা না দেওয়ার জেরে শনিবার রাতে রাজধানীর ইসিবি চত্বরে সালমান মুক্তাদিরের নতুন সৃজনশীল স্টুডিওতে হামলা, ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা স্টুডিওর মূল্যবান ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, শুটিং সরঞ্জাম এবং সেখানে উপস্থিত কর্মীদের মোবাইল ফোন ও মানিব্যাগ লুট করে নিয়ে যায়।
এই হামলার জন্য সরাসরি বিএনপিকে দায়ী করে সালমান বলেন, ‘যারা এই হামলা চালিয়েছে—এই বিএনপির লোকজন—তোমাদের চাঁদাবাজি আমার স্বপ্ন কেড়ে নিতে পারবে না। চাঁদাবাজি তোমাদের ফকিন্নি ও মিসকিন বানিয়ে রেখেছে, কারণ তোমরা বড় স্বপ্ন দেখতে পারো না। যতই চুরি বা চাঁদাবাজি করো না কেন, এর চেয়ে বড় হতে পারবে না। এটাই তোমাদের লেভেল।’
লাইভ ভিডিওতে তিনি আরও বলেন, ‘আজ আমাদের লাস্ট ব্রাউনফিশ স্টুডিওর শুট ছিল। একটু আগেই এখানে হামলা হয়েছে এবং পুরো স্টুডিও ধ্বংস হয়ে গেছে।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদকে উদ্দেশ্য করে তিনি কিছুটা ব্যঙ্গাত্মক সুরে বলেন, ‘এই ভিডিওটি বিশেষভাবে আমাদের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের জন্য বানানো। আপনি প্লিজ কোনো টেনশন নেবেন না। এটি বাংলাদেশে খুবই স্বাভাবিক ঘটনা, আর এজন্যই আমি হাসছি।’
তরুণ সমাজকে সতর্ক করে এই কনটেন্ট ক্রিয়েটর বলেন, ‘বাংলাদেশ এমন এক দেশ, যেখানে আপনি যদি নিজের মতো কিছু করতে চান এবং তা করার সময় কারো তোষামোদি না করেন, কোনো রাজনৈতিক দলের ব্যাকআপ না থাকে বা টাকা দিয়ে নিরাপত্তা কিনতে না পারেন, তবে আপনার অবস্থাও এমনটাই হবে।’
আর্থিক ক্ষতির বিষয়ে সালমান জানান, আনুমানিক ৩০ থেকে ৪০ জন ক্লায়েন্টের শুটিংয়ের মূল্যবান ফুটেজ ও কাজ স্টুডিওর সিস্টেমে সংরক্ষিত ছিল। সবকিছু হারিয়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। এ ঘটনায় আইনি প্রক্রিয়া হিসেবে একটি মামলা দায়ের করা হবে বলে তিনি জানান।


























