টিসিবি ফ্যামিলি কার্ডধারী স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর নিকট সাশ্রয়ী মূল্যে বিক্রয়ের উদ্দেশ্যে ১০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগ্রহের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার। এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে সরকারের কোষাগার থেকে মোট ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকা (প্রায় ৭৭ কোটি টাকা) ব্যয় হবে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সচিবালয়ে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে সম্পন্ন হওয়া সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত চূড়ান্ত প্রস্তাব অনুমোদন প্রদান করা হয়।
বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের পেশকৃত প্রস্তাবনার ওপর ভিত্তি করে দেশীয় উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) প্রক্রিয়া অনুসরণপূর্বক এই ডাল ক্রয় করা হবে, যার সার্বিক ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত থাকবে রাষ্ট্রীয় বিপণন সংস্থা ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি)। ১০ হাজার মেট্রিক টন ডাল সরবরাহের লক্ষ্যে টিসিবির পক্ষ থেকে জাতীয়ভাবে দরপত্র আহ্বান করা হলে সর্বমোট তিনটি প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। পরবর্তীতে পেশকৃত দরপত্র পর্যালোচনা ও মূল্যায়নে তিনটি প্রস্তাবকেই কারিগরিভাবে গ্রহণযোগ্য বা ‘রেসপনসিভ’ হিসেবে ঘোষণা করে পরীক্ষা কমিটি।
দরপত্র মূল্যায়নের সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন শেষে দরপত্র মূল্যায়ন কমিটির (টিইসি) সুপারিশের ভিত্তিতে সর্বনিম্ন দর উল্লেখকারী প্রতিষ্ঠান খুলনার ‘জয়তুন অটো রাইস অ্যান্ড ডাল মিলস লিমিটেড’ থেকে এই মসুর ডাল সংগ্রহের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
উক্ত চুক্তির আওতায় সরবরাহকারী কোম্পানিটি প্রতি কেজি মসুর ডাল ৭৬ টাকা ৭৯ পয়সা দরে টিসিবির নির্ধারিত গুদামসমূহে পৌঁছে দেওয়ার সুবিধাসহ (পরিবহন খরচ অন্তর্ভুক্ত) সরবরাহ করবে। সর্বমোট ১০ হাজার টন ডাল ক্রয়ে ব্যয়িত ৭৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকার খরচের বিপরীতে অর্থ মন্ত্রণালয়ের কাউন্টার গ্যারান্টি সুবিধা বলবৎ থাকবে।
স্বীকৃত প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৬-২৭ চলতি অর্থবছরে টিসিবির মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণে মোট ২ লাখ ২০ হাজার মেট্রিক টন মসুর ডাল ক্রয়ের বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ঘোষিত এই লক্ষ্যের অংশ হিসেবে ইতোমধ্যে ১৭ হাজার ৫২৮ মেট্রিক টন মসুর ডাল সংগৃহীত হয়েছে।


























