বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা-১২ আসনের সংসদ সদস্য সাইফুল আলম খান মিলন বলেছেন, ব্যবসা কেবল মুনাফা অর্জনের মাধ্যম নয়, এটি কর্মসংস্থান সৃষ্টিরও একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। বিশেষ করে টেইলারিং ব্যবসা দেশের অর্থনীতি ও বহু মানুষের জীবিকার সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
শুক্রবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানা দক্ষিণ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, টেইলারিং খাতের সঙ্গে মালিক, দর্জি, কারিগর, কর্মচারী, কাপড় ব্যবসায়ী ও সরবরাহকারীসহ অসংখ্য মানুষ সরাসরি ও পরোক্ষভাবে যুক্ত। তাই এই ব্যবসার উন্নয়ন মানে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার উন্নয়ন।
সাইফুল আলম খান মিলন টেইলার্স ব্যবসার প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরে বলেন, ব্যবসায়িক পরিবেশ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, বিদ্যুৎ, ভাড়া ও শ্রমিকের মতো পরিচালন ব্যয় নিয়ন্ত্রণ, দক্ষ কারিগর ও প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি, আধুনিক প্রযুক্তি ও অনলাইনভিত্তিক ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হওয়া এবং ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি করা অপরিহার্য।
তিনি আরও বলেন, সৎভাবে ব্যবসা পরিচালনা, ক্রেতাকে প্রতিশ্রুত মান ও সময় অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ এবং কর্মচারীদের ন্যায্য অধিকার নিশ্চিত করা একটি প্রতিষ্ঠানের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের মূল ভিত্তি। ব্যবসায়ীদের গ্রাহকের আস্থা ও বিশ্বাস অর্জনের পাশাপাশি কর্মীদের প্রতিও দায়িত্বশীল হতে হবে।
মহানগরী মজলিসে শূরা সদস্য ও শেরেবাংলা নগর থানা দক্ষিণের আমীর আবু সাঈদ মন্ডলের সভাপতিত্বে এবং থানা সেক্রেটারি তারিফুল ইসলামের সঞ্চালনায় সভায় আরও বক্তব্য রাখেন টেইলার্স মালিক সমিতির সভাপতি মামুনুর রহমান, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ২৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ, থানা শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য জামিল বিন হোসাইন, আব্দুজ জাওয়াদ, মাওলানা রুহুল আমিন, শামীম মন্ডল এবং জামায়াত নেতা আকতার হোসেন খোকন, জহির উদ্দিন বাবর প্রমুখ।
এমপি মিলন তরুণ প্রজন্মকে টেইলারিং ও ফ্যাশন ডিজাইনের প্রশিক্ষণের আওতায় আনার ওপর জোর দিয়ে বলেন, আমাদের ঐতিহ্যকে আধুনিক ডিজাইন ও প্রযুক্তির সঙ্গে যুক্ত করতে পারলে এ খাতে আরও বড় কর্মসংস্থান ও উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ সৃষ্টি হবে। তিনি ব্যবসায়ীদের যৌক্তিক সমস্যাগুলো সমিতির মাধ্যমে সুনির্দিষ্টভাবে তুলে ধরার আহ্বান জানান।


























