দেশে নতুন করে আরও চারটি ডিজিটাল ব্যাংক প্রতিষ্ঠায় প্রাথমিক অনুমোদন বা লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। গভর্নর মোস্তাকুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ নীতিগত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। অনুমোদিত নতুন চারটি ডিজিটাল ব্যাংক হলো—বিকাশ, বুস্ট-রবি, ডিজিটাল ব্যাংকিং অব ভুটান-ডিকে এবং নোভা ডিজিটাল ব্যাংক-বাংলালিংক অ্যান্ড স্কয়ার। পূর্বে অনুমোদন দেওয়া ‘কড়ি’র সঙ্গে এই চার প্রতিষ্ঠান যুক্ত হওয়ায় দেশে মোট অনুমোদিত ডিজিটাল ব্যাংকের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে পাঁচটিতে।
উন্নয়ন ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তিমূলক এই ব্যাংকিং কাঠামোর লাইসেন্স পেতে বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে আবেদন আহ্বান করা হয়েছিল। সেই সময় দেশের শীর্ষ স্থানীয় শিল্পগোষ্ঠী, ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠান, মোবাইল অপারেটর ও মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে মোট ১৩টি আবেদন জমা পড়ে। পরবর্তীতে নতুন গভর্নর দায়িত্ব গ্রহণের পর নতুন করে কোনো আবেদন না নিয়ে পূর্বে জমা পড়া প্রস্তাবগুলো সুনির্দিষ্ট কাঠামোর ভিত্তিতে পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হয় এবং পরিচালনা পর্ষদে চারটি প্রতিষ্ঠানকে প্রাথমিক অনুমোদন দেওয়ার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
এর আগে ২০২৩ সালের অক্টোবরে তৎকালীন সরকারের আমলে নগদ ডিজিটাল ব্যাংক ও কড়ি ডিজিটাল ব্যাংক নামক দুটি প্রতিষ্ঠানকে অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল। তবে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর কেন্দ্রীয় ব্যাংক উক্ত প্রতিষ্ঠান দুটির ডিজিটাল ব্যাংকিং লাইসেন্স স্থগিত করে। নতুন প্রশাসনিক মূল্যায়নের মাধ্যমে পূর্বের স্থগিত সিদ্ধান্তের ধারাবাহিকতা রক্ষা ও পুনর্বিন্যাস ঘটিয়ে মোট পাঁচটি ব্যাংককে এই খাতে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালুর সুযোগ দেওয়া হচ্ছে।


























