Dhaka ০৪:৩৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের রক্তনালির প্রদাহজনিত কাওয়াসাকি ব্যাধি: চিকিৎসায় অবহেলা না করার বার্তা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

শিশুর জ্বর কয়েক দিন ধরে চলতে থাকা এবং সাধারণ ওষুধে না কমার পাশাপাশি শরীরে বিশেষ ধরনের র‌্যাশ বা লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে বিষয়টিকে অবহেলা না করে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একাধিক উপসর্গের মধ্যে চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া, ঠোঁট শুষ্ক ও ফেটে যাওয়া, জিব অস্বাভাবিক লাল হওয়া, গলার লসিকা গ্রন্থি (লিম্ফ নোড) ফুলে যাওয়া, হাত-পায়ের তালু ফোলা এবং শিশুর চরম খিটখিটে আচরণ কাওয়াসাকি রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু না হলে এই ব্যাধি শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর মারাত্মক ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

কাওয়াসাকি মূলত শিশুদের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা শরীরের রক্তনালি—বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের রক্ত সরবরাহকারী করোনারি ধমনিগুলোকে আক্রান্ত করে। সাধারণত ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা গেলেও যেকোনো বয়সের শিশু এতে আক্রান্ত হতে পারে। যদিও এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে বিভিন্ন সংক্রমণ, জিনগত কারণ ও পরিবেশগত উপাদানের প্রভাবে এটি দেখা দিতে পারে।

এই রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হলো করোনারি ধমনিতে প্রদাহ তৈরি হয়ে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হওয়া। লক্ষণ শনাক্তের পর দ্রুত হাসপাতালে শিশুর অবস্থা বুঝে চিকিৎসা শুরু করা হলে এই ঝুঁকি বহুলাংশে কমানো সম্ভব। প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকেরা সাধারণত নির্দিষ্ট ইমিউনোগ্লোবুলিন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহার করেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ও সুনির্দিষ্ট মাত্রা ছাড়া অভিভাবক কর্তৃক নিজ উদ্যোগে কোনো ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করা একেবারেই অনুচিত।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের সব জ্বরই কাওয়াসাকি নয় এবং কেবল জ্বর বা র‌্যাশ থাকলেই কাওয়াসাকি হয়েছে বলে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে কয়েক দিন ধরে জ্বর চলতে থাকলে এবং তার সঙ্গে চোখ লাল হওয়া, মুখ ও হাত-পায়ের পরিবর্তন লক্ষ করা গেলে অবিলম্বে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শিশুদের রক্তনালির প্রদাহজনিত কাওয়াসাকি ব্যাধি: চিকিৎসায় অবহেলা না করার বার্তা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:১৬:৪৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শিশুর জ্বর কয়েক দিন ধরে চলতে থাকা এবং সাধারণ ওষুধে না কমার পাশাপাশি শরীরে বিশেষ ধরনের র‌্যাশ বা লাল ফুসকুড়ি দেখা দিলে বিষয়টিকে অবহেলা না করে গুরুত্ব দেওয়ার তাগিদ দেওয়া হয়েছে। একাধিক উপসর্গের মধ্যে চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে যাওয়া, ঠোঁট শুষ্ক ও ফেটে যাওয়া, জিব অস্বাভাবিক লাল হওয়া, গলার লসিকা গ্রন্থি (লিম্ফ নোড) ফুলে যাওয়া, হাত-পায়ের তালু ফোলা এবং শিশুর চরম খিটখিটে আচরণ কাওয়াসাকি রোগের পূর্বলক্ষণ হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা শুরু না হলে এই ব্যাধি শিশুর হৃদ্‌যন্ত্রের ওপর মারাত্মক ও দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে।

কাওয়াসাকি মূলত শিশুদের একটি প্রদাহজনিত রোগ, যা শরীরের রক্তনালি—বিশেষ করে হৃদ্‌যন্ত্রের রক্ত সরবরাহকারী করোনারি ধমনিগুলোকে আক্রান্ত করে। সাধারণত ছয় মাস থেকে পাঁচ বছর বয়সী শিশুদের মধ্যে এই রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি দেখা গেলেও যেকোনো বয়সের শিশু এতে আক্রান্ত হতে পারে। যদিও এই রোগের সুনির্দিষ্ট কারণ এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি, তবে বিভিন্ন সংক্রমণ, জিনগত কারণ ও পরিবেশগত উপাদানের প্রভাবে এটি দেখা দিতে পারে।

এই রোগের অন্যতম প্রধান ঝুঁকি হলো করোনারি ধমনিতে প্রদাহ তৈরি হয়ে হৃদযন্ত্রের ক্ষতি হওয়া। লক্ষণ শনাক্তের পর দ্রুত হাসপাতালে শিশুর অবস্থা বুঝে চিকিৎসা শুরু করা হলে এই ঝুঁকি বহুলাংশে কমানো সম্ভব। প্রদাহ নিয়ন্ত্রণে চিকিৎসকেরা সাধারণত নির্দিষ্ট ইমিউনোগ্লোবুলিন এবং প্রয়োজনীয় ওষুধ ব্যবহার করেন। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ও সুনির্দিষ্ট মাত্রা ছাড়া অভিভাবক কর্তৃক নিজ উদ্যোগে কোনো ধরনের ওষুধ প্রয়োগ করা একেবারেই অনুচিত।

চিকিৎসকদের মতে, শিশুদের সব জ্বরই কাওয়াসাকি নয় এবং কেবল জ্বর বা র‌্যাশ থাকলেই কাওয়াসাকি হয়েছে বলে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। তবে কয়েক দিন ধরে জ্বর চলতে থাকলে এবং তার সঙ্গে চোখ লাল হওয়া, মুখ ও হাত-পায়ের পরিবর্তন লক্ষ করা গেলে অবিলম্বে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ গ্রহণ করা উচিত।