Dhaka ০৫:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের আইটি খাতে বিনিয়োগে মালয়েশীয় উদ্যোক্তাদের আগ্রহ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২১ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা। তবে এই খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অনুকূল পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা। কুয়ালালামপুরে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সম্মানে আয়োজিত এক ব্যবসায়িক আলোচনায় দেশটির উদ্যোক্তারা এই আগ্রহের কথা জানান। ক্ল্যাং চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেসিসিআই) কুয়ালালামপুরের ক্ল্যাং চেম্বার অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বিজনেস ফোরাম: ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমই কর্প মালয়েশিয়ার চেয়ারম্যান ট্যাং চ্যাং খিম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে কেসিসিআই সভাপতি জেফরি ট্যান জানান, মালয়েশিয়ার অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর ক্ল্যাং শহরে অবস্থিত হওয়ায় এবং উন্নত লজিস্টিক সুবিধা থাকায় বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা সেখানে ব্যবসার সুযোগ বিবেচনা করতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া এখন শ্রমঘন শিল্প থেকে পুরোপুরি তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের আইটি খাতে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা গেলে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা বড় পরিসરે এগিয়ে আসতে পারেন।

অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ মালয়েশীয় প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। পাশাপাশি সেবা ও উৎপাদনমুখী অন্যান্য খাতও বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

ডিসিসিআই সভাপতি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ, সেমিকন্ডাক্টর, হালাল খাদ্যপণ্য, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন এবং মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন খাতে মালয়েশীয় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আসিয়ান অঞ্চলের অন্যান্য বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণেও মালয়েশিয়ার সাথে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বাংলাদেশের আইটি খাতে বিনিয়োগে মালয়েশীয় উদ্যোক্তাদের আগ্রহ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪৬:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশের তথ্য-প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন মালয়েশিয়ার উদ্যোক্তারা। তবে এই খাতে বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য অনুকূল পরিবেশ এবং প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা। কুয়ালালামপুরে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) বাণিজ্য প্রতিনিধিদলের সম্মানে আয়োজিত এক ব্যবসায়িক আলোচনায় দেশটির উদ্যোক্তারা এই আগ্রহের কথা জানান। ক্ল্যাং চাইনিজ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (কেসিসিআই) কুয়ালালামপুরের ক্ল্যাং চেম্বার অডিটোরিয়ামে ‘বাংলাদেশ-মালয়েশিয়া বিজনেস ফোরাম: ব্যবসায়িক যোগাযোগ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক এই আলোচনার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এসএমই কর্প মালয়েশিয়ার চেয়ারম্যান ট্যাং চ্যাং খিম।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্যে কেসিসিআই সভাপতি জেফরি ট্যান জানান, মালয়েশিয়ার অন্যতম প্রধান সমুদ্রবন্দর ক্ল্যাং শহরে অবস্থিত হওয়ায় এবং উন্নত লজিস্টিক সুবিধা থাকায় বাংলাদেশি বিনিয়োগকারীরা সেখানে ব্যবসার সুযোগ বিবেচনা করতে পারেন। তিনি উল্লেখ করেন, মালয়েশিয়া এখন শ্রমঘন শিল্প থেকে পুরোপুরি তথ্য-প্রযুক্তিনির্ভর অর্থনীতির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বাংলাদেশের আইটি খাতে বিনিয়োগের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করা গেলে মালয়েশিয়ার বিনিয়োগকারীরা বড় পরিসરે এগিয়ে আসতে পারেন।

অনুষ্ঠানে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকীন আহমেদ মালয়েশীয় প্রতিনিধিদলকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, বাংলাদেশ ও মালয়েশিয়ার মধ্যে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত বন্ধুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে বেসরকারি খাতকে একসাথে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম তৈরি পোশাক রপ্তানিকারক দেশ। পাশাপাশি সেবা ও উৎপাদনমুখী অন্যান্য খাতও বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য অত্যন্ত সম্ভাবনাময়।

ডিসিসিআই সভাপতি বিশেষভাবে উল্লেখ করেন যে, বাংলাদেশের জ্বালানি অবকাঠামো, ডিজিটাল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিস, টেলিযোগাযোগ, সেমিকন্ডাক্টর, হালাল খাদ্যপণ্য, স্বাস্থ্যসেবা, পর্যটন এবং মানবসম্পদের দক্ষতা উন্নয়ন খাতে মালয়েশীয় উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনা রয়েছে। আসিয়ান অঞ্চলের অন্যান্য বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের রপ্তানি সম্প্রসারণেও মালয়েশিয়ার সাথে অংশীদারিত্ব গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।