Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারে বিক্রি: ১০ ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩০ বার দেখা হয়েছে

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় ১০ জন বিসিআইসি ডিলারসহ মোট ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির এই আদেশ দেন। পরে বিকেলে আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।

কারাগারে প্রেরিত আসামিরা হলেন সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এছাড়া ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সদর উপজেলার ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকানে পরিদর্শনকালে তাদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশমেমো যাচাই-বাছাই করে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায়। অধিক মুনাফার লোভে ডিলাররা প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি করে। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং কৃষকরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।

আসামিরা পূর্বে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তারা জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১৪ কোটি টাকার সার কালোবাজারে বিক্রি: ১০ ডিলারসহ ১৫ জন কারাগারে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০৬:০৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

শেরপুরে সরকারি বরাদ্দের প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সার কালোবাজারে বিক্রির অভিযোগে দায়ের করা এক মামলায় ১০ জন বিসিআইসি ডিলারসহ মোট ১৫ জনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

মঙ্গলবার দুপুরে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির এই আদেশ দেন। পরে বিকেলে আসামিদের জেলা কারাগারে পাঠানো হয় বলে নিশ্চিত করেছেন আদালতের পুলিশ পরিদর্শক মো. জিয়াউর রহমান।

কারাগারে প্রেরিত আসামিরা হলেন সার ডিলার মো. ফরহাদ আলী, মাজাহারুল ইসলাম, মো. রফিকুল ইসলাম, সুবর্ণা সাহা রায়, সুফিয়া বেগম, মরিয়ম আক্তার মুন্নী, তাপস নন্দী, সিরাজুল হক, ছামিদুল ইসলাম ফারাজী ও বোরহান উদ্দিন। এছাড়া ডিলার পরিচালনাকারী আনোয়ার হোসেন, মনিরুজ্জামান মনির, প্রশান্ত সাহা, মো. বাদশা মিয়া ও জাকির হোসেন রতনকেও কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুলাই উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আনোয়ার হোসেন সদর উপজেলার ১৫ ডিলারসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে বিশেষ ক্ষমতা আইনে এই মামলা দায়ের করেন। অভিযোগে বলা হয়, গত মৌসুমে শেরপুর সদর উপজেলার বিভিন্ন সার ডিলারের দোকানে পরিদর্শনকালে তাদের সার বিক্রির রেজিস্টার ও ক্যাশমেমো যাচাই-বাছাই করে ব্যাপক অনিয়ম পাওয়া যায়। অধিক মুনাফার লোভে ডিলাররা প্রায় ১৪ কোটি টাকা মূল্যের সরকারি সার কালোবাজারে বিক্রি করে। এর ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি হয় এবং কৃষকরা সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য হন।

আসামিরা পূর্বে উচ্চ আদালত থেকে আগাম জামিন নিয়েছিলেন। সেই জামিনের মেয়াদ শেষ হওয়ায় মঙ্গলবার তারা জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে নতুন করে জামিনের আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মোহাম্মদ জহিরুল কবির তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।