Dhaka ০৮:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণ মামলায় কারাবরণ করেও ১৪ বছর ধরে স্বপদে বহাল কলেজ প্রভাষক

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৩৮ বার দেখা হয়েছে

নেত্রকোনার মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হকের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হলেও তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে কর্মস্থলে বহাল রয়েছেন। ওই মামলায় তিনি প্রায় তিন মাস কারাগারে ছিলেন। যদিও তার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

কলেজ সূত্র ও নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালের নভেম্বরে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তৎকালীন গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে আজিজুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই সময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হওয়ার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হক ও সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সায়েম জানান, তাদের জানামতে সেই বরখাস্তাদেশ কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি।

তবে অভিযুক্ত প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হক দাবি করেছেন, তিনি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে কখনো বরখাস্তের চিঠি দেয়নি। তার দাবি, কলেজ জাতীয়করণের সময় তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন এবং তার বেতন-ভাতাও কখনো বন্ধ হয়নি।

কলেজটি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমান অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র মিত্র জানিয়েছেন, ঘটনাটি তার দায়িত্ব নেওয়ার অনেক আগের। তবে একজন শিক্ষক এমন গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত থাকলে বা কারাগারে গেলে বিধি অনুযায়ী তিনি স্বপদে বহাল থাকতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ধর্ষণ মামলায় কারাবরণ করেও ১৪ বছর ধরে স্বপদে বহাল কলেজ প্রভাষক

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:০০:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

নেত্রকোনার মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজের ইংরেজি বিভাগের প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হকের বিরুদ্ধে ২০১২ সালে এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা হলেও তিনি দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে কর্মস্থলে বহাল রয়েছেন। ওই মামলায় তিনি প্রায় তিন মাস কারাগারে ছিলেন। যদিও তার সাময়িক বরখাস্তাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল কি না, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়ে গেছে।

কলেজ সূত্র ও নথিপত্র অনুযায়ী, ২০১২ সালের নভেম্বরে দ্বাদশ শ্রেণির এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে তৎকালীন গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে আজিজুল হককে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই সময় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা হওয়ার পর পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করেছিল। কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মো. আব্দুল হক ও সাবেক শিক্ষক মোহাম্মদ আবু সায়েম জানান, তাদের জানামতে সেই বরখাস্তাদেশ কখনোই আনুষ্ঠানিকভাবে প্রত্যাহার করা হয়নি।

তবে অভিযুক্ত প্রভাষক মুহাম্মদ আজিজুল হক দাবি করেছেন, তিনি মামলা থেকে খালাস পেয়েছেন এবং কলেজ কর্তৃপক্ষ তাকে কখনো বরখাস্তের চিঠি দেয়নি। তার দাবি, কলেজ জাতীয়করণের সময় তদন্তে তিনি নির্দোষ প্রমাণিত হয়েছেন এবং তার বেতন-ভাতাও কখনো বন্ধ হয়নি।

কলেজটি ২০১৩ সালে জাতীয়করণ করা হয়। বর্তমান অধ্যক্ষ বিধান চন্দ্র মিত্র জানিয়েছেন, ঘটনাটি তার দায়িত্ব নেওয়ার অনেক আগের। তবে একজন শিক্ষক এমন গুরুতর ফৌজদারি অপরাধে জড়িত থাকলে বা কারাগারে গেলে বিধি অনুযায়ী তিনি স্বপদে বহাল থাকতে পারেন কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি।