Dhaka ০৪:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের আশঙ্কা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৪৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

গ্যাস ও বিদ্যুতের দীর্ঘস্থায়ী সংকট এবং সামগ্রিক দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এমনিতেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ঠিক এমন একটি পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে প্রধান চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বৃদ্ধি করেছে সরকার। গত সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম উল্লেখযোগ্যহারে বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন খাত থেকে শুরু করে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন করে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির পারদ আরও উর্ধ্বমুখী হবে এবং সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত সংকুচিত হয়ে পড়বে।

সরকার ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের দাম বাড়ানোর পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং বিপিসির বিশাল অঙ্কের লোকসানকে প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মারাত্মক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে শুধু ডিজেলেই প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে এবং দৈনিক লোকসান দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১০৯ কোটি টাকায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি সংসদকে জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজিতে সরকারকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে নির্ধারিত ভর্তুকির চেয়ে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন যে, বৈশ্বিক সংকটের কারণে জাহাজ ভাড়া ও বিমা প্রিমিয়াম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এবং তেলের চোরাচালান রোধে সরকারের কাছে এই অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প খোলা ছিল না। তবে জনগণের এই সাময়িক কষ্টের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম পুনরায় কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি তেলের এই নজির অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। বিশিষ্ট জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামিম মনে করেন যে, বিশ্ববাজারের বর্তমান বাস্তবতায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার উভয় সংকটের ফল হলেও এর সবচেয়ে বড় ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ জনগণকে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনসহ সব ধরনের পরিবহনের পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাবে, যার ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ভাড়াও চড়াও হবে। পরিবহন ব্যয় বাড়লে কৃষিপণ্য, কাঁচামাল এবং ভোগ্যপণ্য দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বাজারজাত করার খরচও সরাসরি বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন করে আগুন ধরাবে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বর্তমান পরিস্থিতিকে অনিবার্য হিসেবে উল্লেখ করলেও সাধারণ মানুষের ওপর এর চাপ কমাতে পরিবহনে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক ভাড়া আদায় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষিপণ্যের বাজার নিবিড়ভাবে মনিটরিং করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন।

অন্যদিকে, সরকারের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন যে, বর্তমান সরকারও পূর্ববর্তী সরকারগুলোর মতো নানা অজুহাতে সব বোঝা জনগণের ঘাড়ে চাপানোর পুরোনো নীতিতেই হাঁটছে। বর্তমান সময়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বা মেগা প্রকল্পের মতো ব্যয়বহুল খাতগুলোতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ না দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাসের ওপর নজর দেওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। অতীতে বিপিসির মুনাফার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন যে, সংকটকালে জনগণের ওপর এমন খড়গ না চালিয়ে বিকল্প উপায়ে তা সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল। সাধারণ মানুষ ও চালকরা গণমাধ্যমের কাছে তাদের তীব্র হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে শুরু করে যাতায়াত—সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রা এখন এক প্রকার অসহনীয় পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির এই প্রবল চাপ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো আর্থিক সুরক্ষা বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ত্রাহি অবস্থা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লিটারপ্রতি ২০ টাকা দাম বাড়ায় মূল্যস্ফীতি বৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাসের আশঙ্কা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৪৪:০১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

গ্যাস ও বিদ্যুতের দীর্ঘস্থায়ী সংকট এবং সামগ্রিক দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির কারণে এমনিতেই সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহন করা কঠিন হয়ে পড়েছে, ঠিক এমন একটি পরিস্থিতিতে দেশের বাজারে প্রধান চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম এক লাফে লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বৃদ্ধি করেছে সরকার। গত সোমবার থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন মূল্যবৃদ্ধির ফলে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম উল্লেখযোগ্যহারে বেড়ে যাওয়ায় পরিবহন খাত থেকে শুরু করে সব ধরনের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন করে তীব্র চাপ তৈরি হয়েছে। অর্থনীতিবিদ ও সংশ্লিষ্ট গবেষকদের মতে, এই মূল্যবৃদ্ধির প্রত্যক্ষ প্রভাবে বাজারে মূল্যস্ফীতির পারদ আরও উর্ধ্বমুখী হবে এবং সীমিত আয়ের সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় ও ক্রয়ক্ষমতা দ্রুত সংকুচিত হয়ে পড়বে।

সরকার ও বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) পক্ষ থেকে এই বড় ধরনের দাম বাড়ানোর পেছনে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের অস্থিরতা এবং বিপিসির বিশাল অঙ্কের লোকসানকে প্রধান কারণ হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারির শেষ দিক থেকে শুরু হওয়া মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে মারাত্মক অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর ফলে মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বিপিসির প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকার লোকসান হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। বর্তমান আন্তর্জাতিক বাজারদরে শুধু ডিজেলেই প্রতি লিটারে প্রায় ৮৯ টাকা লোকসান গুনতে হচ্ছে এবং দৈনিক লোকসান দাঁড়াচ্ছে প্রায় ১০৯ কোটি টাকায়। অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সম্প্রতি সংসদকে জানিয়েছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজিতে সরকারকে চলতি অর্থবছরের বাজেটে নির্ধারিত ভর্তুকির চেয়ে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা প্রদান করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেছেন যে, বৈশ্বিক সংকটের কারণে জাহাজ ভাড়া ও বিমা প্রিমিয়াম অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় এবং তেলের চোরাচালান রোধে সরকারের কাছে এই অজনপ্রিয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প খোলা ছিল না। তবে জনগণের এই সাময়িক কষ্টের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে আন্তরিক দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে দাম পুনরায় কমানোর আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

এদিকে জ্বালানি তেলের এই নজির অতিরিক্ত মূল্যবৃদ্ধির সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অর্থনীতিবিদ ও জ্বালানি বিশেষজ্ঞরা। বিশিষ্ট জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. ম. তামিম মনে করেন যে, বিশ্ববাজারের বর্তমান বাস্তবতায় সরকারের এই সিদ্ধান্ত একপ্রকার উভয় সংকটের ফল হলেও এর সবচেয়ে বড় ভোগান্তির শিকার হতে হবে সাধারণ জনগণকে। ডিজেলের দাম বৃদ্ধির কারণে বাস, ট্রাক ও পণ্যবাহী যানবাহনসহ সব ধরনের পরিবহনের পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়ে যাবে, যার ফলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহনের ভাড়াও চড়াও হবে। পরিবহন ব্যয় বাড়লে কৃষিপণ্য, কাঁচামাল এবং ভোগ্যপণ্য দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে বাজারজাত করার খরচও সরাসরি বৃদ্ধি পাবে, যা শেষ পর্যন্ত খুচরা বাজারে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দামে নতুন করে আগুন ধরাবে। বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মাননীয় ফেলো ড. গোলাম মোয়াজ্জেম বর্তমান পরিস্থিতিকে অনিবার্য হিসেবে উল্লেখ করলেও সাধারণ মানুষের ওপর এর চাপ কমাতে পরিবহনে অতিরিক্ত ও অযৌক্তিক ভাড়া আদায় কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ এবং কৃষিপণ্যের বাজার নিবিড়ভাবে মনিটরিং করার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন।

অন্যদিকে, সরকারের এই সিদ্ধান্তের কঠোর সমালোচনা করে বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মুহাম্মদ বলেন যে, বর্তমান সরকারও পূর্ববর্তী সরকারগুলোর মতো নানা অজুহাতে সব বোঝা জনগণের ঘাড়ে চাপানোর পুরোনো নীতিতেই হাঁটছে। বর্তমান সময়ে নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়ন বা মেগা প্রকল্পের মতো ব্যয়বহুল খাতগুলোতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ না দিয়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় হ্রাসের ওপর নজর দেওয়া উচিত ছিল বলে তিনি মন্তব্য করেন। অতীতে বিপিসির মুনাফার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে তিনি বলেন যে, সংকটকালে জনগণের ওপর এমন খড়গ না চালিয়ে বিকল্প উপায়ে তা সামাল দেওয়া সম্ভব ছিল। সাধারণ মানুষ ও চালকরা গণমাধ্যমের কাছে তাদের তীব্র হতাশা প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে, নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্র থেকে শুরু করে যাতায়াত—সব ক্ষেত্রেই ব্যয় বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের জীবনযাত্রা এখন এক প্রকার অসহনীয় পর্যায়ে এসে ঠেকেছে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মূল্যস্ফীতির এই প্রবল চাপ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সুনির্দিষ্ট কোনো আর্থিক সুরক্ষা বা কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের ত্রাহি অবস্থা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।