ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ইব্রাহিমপুর গ্রামে নিজের রেকর্ডীয় জমি মাটি দিয়ে ভরাট করতে গিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের মিথ্যা অভিযোগে হয়রানির শিকার হচ্ছেন বলে দাবি করেছেন হাজী চাঁন মিয়া নামের এক স্থানীয় বাসিন্দা।
ভুক্তভোগী চাঁন মিয়া জানান, ইব্রাহিমপুর মৌজার ১৭৪৯ খতিয়ানের ৫৯৩৭ দাগে তাঁর মালিকানাধীন ‘ভিটা’ শ্রেণির বিএস রেকর্ডকৃত জমি রয়েছে। তাঁর সাত ছেলে থাকলেও বর্তমানে বসবাসরত ভিটায় সন্তানদের জন্য আলাদা ঘর তৈরির পর্যাপ্ত জায়গা নেই। ফলে পারিবারিক প্রয়োজনে সন্তানদের বসবাসের উপযোগী ঘর নির্মাণ করতে বাধ্য হয়ে তিনি নিজস্ব নিচু জমিটি মাটি ফেলে উঁচু করার উদ্যোগ নেন। তবে কাজ শুরুর পর থেকেই একটি মহল জেলা প্রশাসকসহ প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বেনামে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কাজটি বন্ধের পাঁয়তারা চালাচ্ছে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, পাশের ৫৯৫০ দাগের জমিটি নিচু হওয়ায় বর্ষাকালে পানি জমে থাকে। সেটি ভরাট করে ফলদ বাগান ও কৃষিকাজের উপযোগী করার পরিকল্পনা রয়েছে তাঁর। আশপাশের জমির পানি নিষ্কাশনে যাতে সমস্যা না হয়, সেজন্য তিনি নিজ খরচে পাইপও বসিয়ে দিয়েছেন। এরপরও একটি চক্র তাঁর আর্থিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
এদিকে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সরেজমিন পরিদর্শন শেষে গত ১৫ সেপ্টেম্বর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গিয়াস উদ্দিন নাঈম। প্রতিবেদনে বলা হয়, জমিটি অপেক্ষাকৃত নিচু হওয়ায় বর্ষায় চাষাবাদের অনুপযোগী থাকে। পানি নিষ্কাশনের সুষ্ঠু ব্যবস্থা রেখে জমিটি ভরাট করা হলে কৃষিকাজে কোনো প্রতিবন্ধকতা তৈরি হবে না এবং পার্শ্ববর্তী জমিরও কোনো ক্ষতি হবে না। বরং সেখানে ফলদ বাগান গড়ে তুললে তা আয়বর্ধক কার্যক্রমে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।






















