দেশের বিভিন্ন সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার আওতাধীন নগর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র এবং সমন্বিত প্রজনন স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রগুলোর ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর ফলে এসব কেন্দ্রের সুনির্দিষ্ট কার্যপরিধি এবং প্রশাসনিক দায়িত্বশীলতা আরও স্পষ্টভাবে নির্ধারণের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে কোন কোন কেন্দ্র সরাসরি স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে পরিচালিত হবে, সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা চেয়েছে সংশ্লিষ্ট মহল।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শহরাঞ্চলে জীবনযাত্রার পরিবর্তন এবং খাদ্যাভ্যাসের প্রভাবে সাধারণ মানুষের মধ্যে স্বাস্থ্যগত বিভিন্ন জটিলতা বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) তথ্য অনুসারে, শহরের অধিবাসীদের একটি বড় অংশে টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। অন্যদিকে, গ্রামীণ জনপদে শিশুদের অপুষ্টি এবং কম ওজনের হার শহরাঞ্চলের তুলনায় কিছুটা বেশি রয়েছে। বিশেষ করে গ্রামীণ এলাকায় নবজাতক ও প্রসূতি মায়েরা নানা ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখোমুখি হচ্ছেন।
বিশ্লেষকদের মতে, দারিদ্র্য, পুষ্টিহীনতা এবং সচেতনতার অভাবই মূলত স্বাস্থ্য খাতের এই বৈষম্যের প্রধান কারণ। গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সীমিত থাকা এবং শহরের বস্তি এলাকায় অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ নবজাতক ও মায়েদের স্বাস্থ্যঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দিচ্ছে। এসকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে স্বাস্থ্য খাতের অবকাঠামো আরও শক্তিশালী করার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে।


























