Dhaka ০৭:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ উন্নয়নে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন সাচিং প্রু

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন রেখে দুর্গম জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের সক্রিয় ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু। গত রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান। বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র ও বর্তমান পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু সচিবালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয় সরকার বিভাগে এসে পৌঁছালে মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান তাকে অত্যন্ত উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

উভয় মন্ত্রীর মধ্যকার এই সৌজন্য বৈঠকে উভয় মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সামগ্রিক অবকাঠামোগত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতির কথা তুলে ধরে সাচিং প্রু উল্লেখ করেন যে, পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করতে নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছে। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানান।

বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের অপার সম্ভাবনা এবং বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয়টিও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন পার্বত্য মন্ত্রী। তিনি বলেন যে, পাহাড়ি এলাকার দুর্গম জনপদের অধিকাংশ রাস্তাঘাট এখনও কাঁচা ও মাটির তৈরি হওয়ায় বর্ষা বা বৃষ্টির মৌসুমে এসব পথে চলাচল করা এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে ওঠে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ উল্লেখ করে তাদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং সহজ চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে সুনির্দিষ্ট সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

পার্বত্য মন্ত্রীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগ ও প্রস্তাবকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, পাহাড়ি ও সমতল উভয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে একসঙ্গে ও যৌথভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

পাহাড়ি অঞ্চলের যোগাযোগ উন্নয়নে স্থানীয় সরকারমন্ত্রীর সহযোগিতা চাইলেন সাচিং প্রু

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:১৯:৫৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাকৃতিক পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্য সম্পূর্ণ অক্ষুণ্ন রেখে দুর্গম জনপদের যোগাযোগ ব্যবস্থার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়নে স্থানীয় সরকার বিভাগের সক্রিয় ও সর্বাত্মক সহযোগিতা কামনা করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু। গত রোববার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খানের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এই আহ্বান জানান। বান্দরবানের ঐতিহ্যবাহী বোমাং সার্কেলের রাজপুত্র ও বর্তমান পার্বত্য মন্ত্রী সাচিং প্রু সচিবালয় প্রাঙ্গণে স্থানীয় সরকার বিভাগে এসে পৌঁছালে মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান তাকে অত্যন্ত উষ্ণ অভ্যর্থনা জানান।

উভয় মন্ত্রীর মধ্যকার এই সৌজন্য বৈঠকে উভয় মন্ত্রণালয়ের পারস্পরিক অংশীদারত্ব ও সহযোগিতার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। দেশের সামগ্রিক অবকাঠামোগত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার অগ্রগতির কথা তুলে ধরে সাচিং প্রু উল্লেখ করেন যে, পার্বত্য অঞ্চলের সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে সহজ করতে নিরাপদ ও সুপেয় পানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তর অত্যন্ত প্রশংসনীয় ও কার্যকর ভূমিকা পালন করে চলেছে। এ ধরনের জনকল্যাণমূলক কার্যক্রমের জন্য তিনি স্থানীয় সরকার বিভাগকে আন্তরিক ধন্যবাদ ও সাধুবাদ জানান।

বৈঠকে পার্বত্য অঞ্চলের অপার সম্ভাবনা এবং বিদ্যমান বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের বিষয়টিও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরেন পার্বত্য মন্ত্রী। তিনি বলেন যে, পাহাড়ি এলাকার দুর্গম জনপদের অধিকাংশ রাস্তাঘাট এখনও কাঁচা ও মাটির তৈরি হওয়ায় বর্ষা বা বৃষ্টির মৌসুমে এসব পথে চলাচল করা এলাকাবাসীর জন্য অত্যন্ত দুর্বিষহ হয়ে ওঠে এবং সাধারণ মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। পাহাড়ি অঞ্চলের মানুষ অত্যন্ত পরিশ্রমী ও কর্মঠ উল্লেখ করে তাদের নির্বিঘ্ন যাতায়াত এবং সহজ চলাচলের সুবিধা নিশ্চিত করতে স্থানীয় সরকার বিভাগের কাছে সুনির্দিষ্ট সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন তিনি।

পার্বত্য মন্ত্রীর এই সময়োপযোগী উদ্যোগ ও প্রস্তাবকে অত্যন্ত ইতিবাচকভাবে স্বাগত জানিয়ে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, পাহাড়ি ও সমতল উভয় অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতি ত্বরান্বিত করতে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ভবিষ্যতে একসঙ্গে ও যৌথভাবে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে।