Dhaka ০৯:২০ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব পরীক্ষা সম্পন্ন অনুমোদনের অপেক্ষা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪ বার দেখা হয়েছে

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় সকল কারিগরি পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই কেন্দ্রটি সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিমূলক ধাপ ‘সি স্টেজ’ বা পাওয়ার স্টার্টআপে প্রবেশ করবে।

প্রকল্পের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, অনুমোদন সাপেক্ষে চলতি অক্টোবরের শেষভাগেই পাওয়ার স্টার্টআপ কার্যক্রম শুরুর পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে এবং প্রতিটি পরীক্ষার সাফল্য অনুযায়ী ধাপে ধাপে এর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে। রূপপুরের প্রথম ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা যাবে। সে অনুযায়ী চলতি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার জোরালো প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেনারেশন ৩+ প্রযুক্তির দুটি ভিভিইআর-১২০০ চুল্লি নিয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট, যা বাস্তবায়ন করছে রুশ প্রতিষ্ঠান রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ ‘অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট’। প্রকল্পটির মূল মেয়াদ দুই দফায় বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে প্রকল্পটির মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে বাংলাদেশ বিশ্বের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের অভিজাত তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়ে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব পরীক্ষা সম্পন্ন অনুমোদনের অপেক্ষা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৯:৩৯:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬

পাবনার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটের বি-২ ধাপের ফিজিক্স টেস্টসহ প্রয়োজনীয় সকল কারিগরি পরীক্ষা ও প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এসব পরীক্ষা-নিরীক্ষার বিস্তারিত প্রতিবেদন ইতোমধ্যে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের (বায়েরা) কাছে জমা দেওয়া হয়েছে। শনিবার (২৪ অক্টোবর) নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের (এনপিসিবিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. মো. জাহেদুল হাসান এই তথ্য নিশ্চিত করে জানান যে, নিয়ন্ত্রণ সংস্থার চূড়ান্ত অনুমোদন পেলেই কেন্দ্রটি সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রস্তুতিমূলক ধাপ ‘সি স্টেজ’ বা পাওয়ার স্টার্টআপে প্রবেশ করবে।

প্রকল্পের অগ্রগতি সংক্রান্ত তথ্য বিশ্লেষণে জানা যায়, অনুমোদন সাপেক্ষে চলতি অক্টোবরের শেষভাগেই পাওয়ার স্টার্টআপ কার্যক্রম শুরুর পূর্ণ প্রস্তুতি রয়েছে। প্রাথমিক পর্যায়ে সীমিত পরিসরে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করা হবে এবং প্রতিটি পরীক্ষার সাফল্য অনুযায়ী ধাপে ধাপে এর উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো হবে। রূপপুরের প্রথম ইউনিটের উৎপাদনক্ষমতা ২৫ থেকে ৩০ শতাংশে পৌঁছালে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা যাবে। সে অনুযায়ী চলতি ২০২৬ সালের শেষ নাগাদ এই ইউনিট থেকে প্রাথমিকভাবে অন্তত ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যোগ হওয়ার জোরালো প্রত্যাশা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, জেনারেশন ৩+ প্রযুক্তির দুটি ভিভিইআর-১২০০ চুল্লি নিয়ে নির্মাণাধীন এই প্রকল্পের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট, যা বাস্তবায়ন করছে রুশ প্রতিষ্ঠান রোসাটমের প্রকৌশল বিভাগ ‘অ্যাটমস্ট্রয় এক্সপোর্ট’। প্রকল্পটির মূল মেয়াদ দুই দফায় বাড়িয়ে ২০২৮ সালের জুন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ডলারের মূল্যবৃদ্ধির কারণে বর্তমানে প্রকল্পটির মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৬ কোটি টাকা। বাণিজ্যিক উৎপাদন শুরু হলে বাংলাদেশ বিশ্বের পারমাণবিক বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী দেশের অভিজাত তালিকায় আনুষ্ঠানিকভাবে যুক্ত হয়ে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্পর্শ করবে।