Dhaka ০৯:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও সুদের হার কমানোর আলোচনা থাকছে

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে

রাজধানী ঢাকার বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত নির্মিতব্য দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই বাড়তি ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের প্রধান আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে আগামী ২৫ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান গমন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটি হতে যাচ্ছে তাঁর চতুর্থ বিদেশ সফর। সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সহ উচ্চপর্যায়ের শীর্ষ প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীতে মূল ব্যয় ১১৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। এই মেগা প্রকল্পের অর্থায়ন সংক্রান্ত জটিলতা ও উচ্চ সুদের হার কমানো নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জাপানের অর্থায়নে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক ‘শিল্প ভ্যালু চেইন’ গড়ে তোলা এবং আঞ্চলিক পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের চিবায় অবস্থিত বিশেষ এলএনজি টার্মিনাল, নাগানোতে টয়োটা কারখানা এবং বিখ্যাত ইউনিলিভারের সদরদপ্তর পরিদর্শন করবেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে ২৬ অক্টোবর তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সাথে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন এবং তাঁর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন। এ ছাড়া জাইকা (JICA) প্রধান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যাংকের (JBIC) গভর্নর, জেট্রো (JETRO) সভাপতি সহ শীর্ষ শিল্পনেতারা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। ‘জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন তিনি।

পররাষ্ট্রসচিব আরও জানান, বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও সুদৃঢ় করতে বর্তমানে আটটি বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলছে। আশা করা যাচ্ছে, এ সফরের মধ্য দিয়ে কৃষি, মৎস্য সম্পদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, স্থানীয় সরকারের আধুনিকীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত অন্তত তিন থেকে চারটি নতুন সমঝোতা স্মারক (MoU) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরে মেট্রোরেলের ব্যয় বৃদ্ধি ও সুদের হার কমানোর আলোচনা থাকছে

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:১০:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানী ঢাকার বিমানবন্দর থেকে কমলাপুর পর্যন্ত নির্মিতব্য দেশের প্রথম পাতাল মেট্রোরেল (এমআরটি লাইন-১) প্রকল্পের প্রাক্কলিত ব্যয় দ্বিগুণেরও বেশি বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এই বাড়তি ব্যয় ও ঋণের সুদের হার কমিয়ে আনার বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন জাপান সফরের প্রধান আলোচ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়াম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রসচিব জানান, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণে আগামী ২৫ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত চার দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে জাপান গমন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। গত ফেব্রুয়ারিতে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর এটি হতে যাচ্ছে তাঁর চতুর্থ বিদেশ সফর। সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী সহ উচ্চপর্যায়ের শীর্ষ প্রতিনিধিদল অংশ নেবেন।

উল্লেখ্য, গত ১৬ সেপ্টেম্বর একনেক সভায় জাপানের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এমআরটি লাইন-১ প্রকল্পের প্রথম সংশোধনীতে মূল ব্যয় ১১৭ দশমিক ৬৪ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়। এই মেগা প্রকল্পের অর্থায়ন সংক্রান্ত জটিলতা ও উচ্চ সুদের হার কমানো নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনার সুযোগ রাখা হয়েছে। পাশাপাশি জাপানের অর্থায়নে নির্মাণাধীন মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর কেন্দ্রিক ‘শিল্প ভ্যালু চেইন’ গড়ে তোলা এবং আঞ্চলিক পণ্য পরিবহনের সক্ষমতা বৃদ্ধির বিষয়েও বাংলাদেশের কৌশলগত অবস্থান স্পষ্ট করা হবে।

সফরসূচি অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাপানের চিবায় অবস্থিত বিশেষ এলএনজি টার্মিনাল, নাগানোতে টয়োটা কারখানা এবং বিখ্যাত ইউনিলিভারের সদরদপ্তর পরিদর্শন করবেন। সফরের দ্বিতীয় দিনে ২৬ অক্টোবর তিনি জাপানের প্রধানমন্ত্রীর সাথে আনুষ্ঠানিক দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে মিলিত হবেন এবং তাঁর সম্মানে আয়োজিত নৈশভোজে অংশ নেবেন। এ ছাড়া জাইকা (JICA) প্রধান, আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ব্যাংকের (JBIC) গভর্নর, জেট্রো (JETRO) সভাপতি সহ শীর্ষ শিল্পনেতারা প্রধানমন্ত্রীর সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। ‘জাপান-বাংলাদেশ ইকোনমিক ফোরাম’-এ মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন তিনি।

পররাষ্ট্রসচিব আরও জানান, বাংলাদেশ ও জাপানের বিদ্যমান ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ আরও সুদৃঢ় করতে বর্তমানে আটটি বিষয়ে দ্বিপক্ষীয় আলোচনা চলছে। আশা করা যাচ্ছে, এ সফরের মধ্য দিয়ে কৃষি, মৎস্য সম্পদ, বেসামরিক বিমান পরিবহন, সামুদ্রিক পরিবেশ সংরক্ষণ, স্থানীয় সরকারের আধুনিকীকরণ ও দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত অন্তত তিন থেকে চারটি নতুন সমঝোতা স্মারক (MoU) আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষরিত হবে।