Dhaka ০৯:৪৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

এখন আর ফজরের পর ঝাড়ু দেওয়া দেখা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৪০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৫ বার দেখা হয়েছে

জাতীয় সংসদের বর্তমান বিরোধীদলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে সরকার গঠনের প্রথম কয়েক দিন দেখা গিয়েছিল যে, ফজরের নামাজের পর বিশেষ কয়েকটি দল বের হয়ে রাস্তাঘাট ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছিল। কিন্তু বর্তমানে আর সেই লোকদেখানো দৃশ্য বা তোড়জোড় চোখে পড়ছে না। অপরাজনীতি পরিহার করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ওসমানী উদ্যানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এবং উক্ত উদ্যানের আধুনিকায়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব খোলামেলা কথা বলেন।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করার পরদিনই নিজের সংসদীয় এলাকায় ফজরের নামাজ আদায় শেষে মিরপুরের রাস্তায় নেমে নিজ হাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেই সময় তাঁর দলের নেতাকর্মীরা প্রতিদিন এই সুনির্দিষ্ট এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার কাজ করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিলেন। তবে বর্তমানে সেই কার্যক্রম ও দৃশ্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে বলেই মূলত ইঙ্গিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণের দিকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধীদল কেবল বিরোধিতার খাতিরেই সরকারের প্রতিটি কল্যাণকর পদক্ষেপের অযৌক্তিক বিরোধিতা করে চলেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি পুরাতন সেই সংকীর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বৃত্তেই ঘুরপাক খেতে থাকে, তবে এ দেশকে কীভাবে উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব? বিরোধীদল অবশ্যই সরকারের নীতি ও কাজের সমালোচনা করবে, তবে সেটি হতে হবে গঠনমূলক ও ইতিবাচক। সরকারের অন্ধ বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি বিরোধীদল আবার কোনো স্বৈরাচারী শাসনের ফিরে আসার পথ তৈরি করে দেয়, তবে তা হবে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা বা গাদ্দারি।

তিনি আবেগময় কণ্ঠে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ অভিন্ন—এ দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সুশিক্ষা পায়, সুন্দর পরিবেশ পায় এবং বাকস্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। লাখো শহীদের এই মহান আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র পুনরায় ফিরে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, সমগ্র বিশ্বে যেভাবে সার্বজনীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, ঠিক সেভাবেই এ দেশের সর্বস্তরের জনগণ নিজেদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি দলগতভাবে যেভাবে একাত্তরের চেতনাকে অন্তরে ধারণ করে, ঠিক সেভাবেই বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলন ও শহীদদের স্মৃতিকে সশ্রদ্ধভাবে ধারণ করে চলেছে।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পেয়েও ওসমানী উদ্যানের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি বিরোধীদলের কোনো প্রতিনিধি। বিরোধীদলের এমন অনুপস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি সচল গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো সব বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করবে না। কিন্তু রাষ্ট্রের মূল স্বার্থ ও জাতীয় ইস্যুতে দ্বিমত পোষণ করার কোনো যৌক্তিক সুযোগ নেই।

সংবিধানের আধুনিকায়ন ও সংস্কার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব সুনির্দিষ্ট মতামত বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকতেই পারে। আর সেই ভিন্নমতের সুরাহা ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খুঁজে বের করতে জনগণ সরকার ও বিরোধীদল—উভয় পক্ষকেই জাতীয় সংসদে পাঠিয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। তাই অহেতুক রাস্তাঘাট অবরোধ ও যত্রতত্র বিক্ষোভের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত না করার জন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে গত শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসন কোয়ার্টারে নিজের করা আকস্মিক সারপ্রাইজ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে পরিদর্শনে দেখা গেছে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ তুলনামূলক সন্তোষজনক হলেও, সরকারি হাসপাতাল ও আবাসন কোয়ার্টারগুলোর সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।

পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেরা সচেতন না হলে সাধারণ জনগণ তাঁদের কাছ থেকে কী শিক্ষা নেবে—এমন প্রশ্ন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সুন্দর, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশের সকল স্তরের নাগরিকদের আজ থেকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ শুরু করার উদাত্ত আহ্বান জানান।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

এখন আর ফজরের পর ঝাড়ু দেওয়া দেখা যায় না: প্রধানমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:৪০:২৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬

জাতীয় সংসদের বর্তমান বিরোধীদলের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কড়া সমালোচনা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, বিএনপি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় এসে সরকার গঠনের প্রথম কয়েক দিন দেখা গিয়েছিল যে, ফজরের নামাজের পর বিশেষ কয়েকটি দল বের হয়ে রাস্তাঘাট ঝাড়ু দিয়ে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালাচ্ছিল। কিন্তু বর্তমানে আর সেই লোকদেখানো দৃশ্য বা তোড়জোড় চোখে পড়ছে না। অপরাজনীতি পরিহার করে দেশের সার্বিক উন্নয়নে সবাইকে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান তিনি।

আজ সোমবার (১৯ অক্টোবর) সকালে রাজধানীর ঐতিহ্যবাহী ওসমানী উদ্যানে নির্মিত ‘জুলাই স্মৃতিস্তম্ভ’ এবং উক্ত উদ্যানের আধুনিকায়ন প্রকল্পের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এসব খোলামেলা কথা বলেন।

উল্লেখ্য, ইতিপূর্বে জাতীয় সংসদে প্রধান বিরোধীদলীয় নেতা হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে শপথ গ্রহণ করার পরদিনই নিজের সংসদীয় এলাকায় ফজরের নামাজ আদায় শেষে মিরপুরের রাস্তায় নেমে নিজ হাতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম শুরু করেছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান। সেই সময় তাঁর দলের নেতাকর্মীরা প্রতিদিন এই সুনির্দিষ্ট এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতার কাজ করবেন বলেও প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছিলেন। তবে বর্তমানে সেই কার্যক্রম ও দৃশ্য পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে বলেই মূলত ইঙ্গিত করেন প্রধানমন্ত্রী।

বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণের দিকে ইঙ্গিত করে তারেক রহমান অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বিরোধীদল কেবল বিরোধিতার খাতিরেই সরকারের প্রতিটি কল্যাণকর পদক্ষেপের অযৌক্তিক বিরোধিতা করে চলেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি পুরাতন সেই সংকীর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতির বৃত্তেই ঘুরপাক খেতে থাকে, তবে এ দেশকে কীভাবে উন্নত ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া সম্ভব? বিরোধীদল অবশ্যই সরকারের নীতি ও কাজের সমালোচনা করবে, তবে সেটি হতে হবে গঠনমূলক ও ইতিবাচক। সরকারের অন্ধ বিরোধিতা করতে গিয়ে যদি বিরোধীদল আবার কোনো স্বৈরাচারী শাসনের ফিরে আসার পথ তৈরি করে দেয়, তবে তা হবে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের শহীদদের আত্মত্যাগের সাথে চরম বিশ্বাসঘাতকতা বা গাদ্দারি।

তিনি আবেগময় কণ্ঠে উল্লেখ করেন, ১৯৭১ সালের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধ এবং সাম্প্রতিক জুলাই আন্দোলনের শহীদদের মূল উদ্দেশ্য ছিল সম্পূর্ণ অভিন্ন—এ দেশের প্রতিটি নাগরিক যেন সুশিক্ষা পায়, সুন্দর পরিবেশ পায় এবং বাকস্বাধীনতা ভোগ করতে পারে। লাখো শহীদের এই মহান আত্মত্যাগের বিনিময়েই বাংলাদেশে আজ গণতন্ত্র পুনরায় ফিরে এসেছে।

প্রধানমন্ত্রী আরও স্পষ্ট করে বলেন, সমগ্র বিশ্বে যেভাবে সার্বজনীন গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়, ঠিক সেভাবেই এ দেশের সর্বস্তরের জনগণ নিজেদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করে বিএনপিকে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব দিয়েছে। বিএনপি দলগতভাবে যেভাবে একাত্তরের চেতনাকে অন্তরে ধারণ করে, ঠিক সেভাবেই বৈষম্যবিরোধী জুলাই আন্দোলন ও শহীদদের স্মৃতিকে সশ্রদ্ধভাবে ধারণ করে চলেছে।

এদিকে, সরকারের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণপত্র পেয়েও ওসমানী উদ্যানের জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেয়নি বিরোধীদলের কোনো প্রতিনিধি। বিরোধীদলের এমন অনুপস্থিতিতে তীব্র অসন্তোষ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি সচল গণতন্ত্রের সৌন্দর্যই হলো সব বিষয়ে সবাই একমত পোষণ করবে না। কিন্তু রাষ্ট্রের মূল স্বার্থ ও জাতীয় ইস্যুতে দ্বিমত পোষণ করার কোনো যৌক্তিক সুযোগ নেই।

সংবিধানের আধুনিকায়ন ও সংস্কার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, সংবিধান সংশোধন নিয়ে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নিজস্ব সুনির্দিষ্ট মতামত বা ভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গি থাকতেই পারে। আর সেই ভিন্নমতের সুরাহা ও পারস্পরিক আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান খুঁজে বের করতে জনগণ সরকার ও বিরোধীদল—উভয় পক্ষকেই জাতীয় সংসদে পাঠিয়েছে। দেশের সাধারণ মানুষ সমাজে শান্তিশৃঙ্খলা ও সামাজিক স্থিতিশীলতা দেখতে চায়। তাই অহেতুক রাস্তাঘাট অবরোধ ও যত্রতত্র বিক্ষোভের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা বিঘ্নিত না করার জন্য তিনি রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

বক্তব্যের শেষ পর্যায়ে গত শনিবার রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতাল, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও সরকারি আবাসন কোয়ার্টারে নিজের করা আকস্মিক সারপ্রাইজ পরিদর্শনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সেখানে পরিদর্শনে দেখা গেছে যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবেশ তুলনামূলক সন্তোষজনক হলেও, সরকারি হাসপাতাল ও আবাসন কোয়ার্টারগুলোর সার্বিক পরিচ্ছন্নতা ও ব্যবস্থাপনা পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক।

পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজেরা সচেতন না হলে সাধারণ জনগণ তাঁদের কাছ থেকে কী শিক্ষা নেবে—এমন প্রশ্ন তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সুন্দর, আধুনিক ও পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশের সকল স্তরের নাগরিকদের আজ থেকেই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ শুরু করার উদাত্ত আহ্বান জানান।