কক্সবাজারের উখিয়ার ইনানীতে একটি রিসোর্টে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীসহ তার পরিবারের ছয় সদস্য নিহত হয়েছেন। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত মোট ১০ জন পর্যটকের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে এবং গুরুতর দগ্ধ আরও কয়েকজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
শনিবার সকাল সাতটার দিকে ইনানীর ‘টুপটুপ রিসোর্টে’ আকস্মিক আগুনের সূত্রপাত হয়। নিহতদের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক ভাষা ইনস্টিটিউটের ‘চাইনিজ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড কালচার’ বিভাগের শিক্ষার্থী মো. নাফিজ তেহামী রয়েছেন। তার গ্রামের বাড়ি বরগুনার আমতলী উপজেলার দক্ষিণ চুনাখালী গ্রামে। তার বাবার নাম মো. জেয়াদুল কবির এবং মায়ের নাম কাজল রেখা।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, পরিবারের নয়জন সদস্যকে নিয়ে নাফিজ ওই রিসোর্টে অবকাশযাপনে গিয়েছিলেন। সকালে আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়লে নাফিজসহ তার পরিবারের ছয়জনের করুণ মৃত্যু হয়। নিহত অন্যরা হলেন—নাফিজের বোন মেলিতা মেহজাবিন আলভি, লায়লা জাহান নাবিলা, মালিহা মিলা, সাবরিন এবং শিশু ফাইজান আহাম্মেদ। একই পরিবারের ছয় সদস্যের এমন অকাল মৃত্যুতে স্বজন ও সহপাঠীদের মাঝে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
এ ঘটনায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। তিনি এক শোকবার্তায় জানান, ঘটনাটি অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এবং পুরো বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার এতে শোকস্তব্ধ। তিনি আহতদের দ্রুত উন্নত চিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রশাসনের প্রতি সর্বাত্মক ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান।
এদিকে শিক্ষার্থী মো. নাফিজ তেহামীসহ পর্যটকদের মর্মান্তিক মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ বি এম ওবায়দুল ইসলাম। এক শোকবার্তায় উপাচার্য এই অনাকাঙ্ক্ষিত মৃত্যুকে অত্যন্ত বেদনাদায়ক উল্লেখ করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি আন্তরিক সমবেদনা জানান।






















