Dhaka ০৯:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরে হুতিদের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:০২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা কৌশলগত বন্দরনগরী এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। গত শুক্রবার সংঘটিত এই হামলায় বিমানবন্দরটির মূল রানওয়ের অত্যন্ত নিকটবর্তী স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আঘাত হানে। তবে সৌভাগ্যবশত এই আকস্মিক হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মোয়াম্মার আল-এরিয়ানি গণমাধ্যমকে জানান, নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সে সময় উড্ডয়নের অপেক্ষায় থাকা একটি বাণিজ্যিক বিমান থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরত্বে গিয়ে পড়ে। সুসংবাদ হলো, ওই উড়োজাহাজে থাকা সমস্ত যাত্রী ও ক্রু সদস্য সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। তিনি এই সশস্ত্র হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রচলিত সকল রীতিনীতির চরম ও নির্লজ্জ লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করেন।

অপরদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে হুতিদের একটি সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি মূলত এডেন প্রদেশে অবস্থিত বদর ক্যাম্পে সৌদি সামরিক বাহিনীর কমান্ড সদর দফতর এবং একটি গোপন অস্ত্রাগার লক্ষ্য করেই এই হামলা পরিচালনা করেছিল।

এর মাত্র একদিন আগেই ইয়েমেন সরকারের মূল ক্ষমতার কেন্দ্র এডেন শহরের ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে একটি প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এডেনে সংঘটিত সর্বশেষ এই বিমান হামলার ফলে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী এবং ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাত আরও বহুলাংশে ঘনীভূত ও তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা জোরালো হয়ে উঠেছে।

এদিকে পালটা পদক্ষেপ হিসেবে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী দাবি করেছে যে, তারা গত শুক্রবার রাজধানী সানা থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত মারিব প্রদেশের বিস্তীর্ণ পূর্বাঞ্চলে সফলভাবে সামনের দিকে অগ্রসর হয়েছে। সামরিক বাহিনীর সরকারি মুখপাত্র মাজেদ আল-নাজিলি দাবি করেছেন, বিমানবাহিনীর নিবিড় সহায়তায় তাদের পদাতিক বাহিনী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার চলমান সামরিক অভিযানে চার শতাধিক হুতি যোদ্ধাকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করার পাশাপাশি শতাধিক সামরিক যানবাহন ও যুদ্ধাস্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস বা অকেজো করা হয়েছে।

দেশের প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রগুলোর অন্যতম তাইজ গভর্নরেটেও হুতিদের বেশ কয়েকটি বড় আক্রমণ সাফল্যের সাথে প্রতিহত করার দাবি করেছে সরকারি প্রতিরক্ষা বাহিনী। তাদের দাবি, এই প্রতিরোধযুদ্ধে হুতিদের ব্যাপক আর্থিক ও প্রাণিক ক্ষয়তি হয়েছে। এছাড়া তাইজ এলাকায় বিদ্রোহীদের সাথে সম্পৃক্ত একটি বিশেষ ড্রোন অপারেটর দলকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতি বাহিনী ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে। শহরটির দক্ষিণাংশে এডেন যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় হাজার হাজার সাধারণ মানুষ গৃহহারা হয়ে পড়েছেন এবং সামগ্রিক মানবিক সংকট চরম রূপ ধারণ করেছে।

গত শুক্রবার সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে যে, রাজধানী রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশসীমায় হুতিদের নিক্ষিপ্ত বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে মাঝআকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি সরকারের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ইরান পর্দার আড়াল থেকে হুতিদের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে আসছে এবং রাজ্যের বিরুদ্ধে সামরিক হামলায় তাদের উসকে দিচ্ছে। যদিও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ বরাবরই দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে বলেছে যে, হুতিদের পরিচালিত কোনো সামরিক অভিযানে তেহরানের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। একই সাথে হুতি ও রিয়াদের মধ্যকার চলমান বৈরিতা দূর করতে মধ্যস্থতা করার পুরোনো প্রস্তাবটি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা বলপূর্বক দখল করে বৈধ সরকারকে দেশত্যাগে বাধ্য করার মধ্য দিয়ে ইয়েমেনে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূচনা ঘটে। এর পরের বছর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সুরক্ষায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এই সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বড় ধরনের লড়াই সাময়িকভাবে থিতিয়ে পড়েছিল। তবে চলতি বছরের জুলাই মাসে হুতিরা সৌদি আরবের বাণিজ্যিক বন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর একতরফা নৌ-অবরোধ ঘোষণা করায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এর ধারাবাহিকতায় গত সেপ্টেম্বর মাসে হুতি বিদ্রোহীরা মোখা শহরে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালিয়ে সরকারি বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করে। একই মাসে তারা পশ্চিম উপকূল, কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশের বহু এলাকা এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মায়ুন দ্বীপও নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ইয়েমেনের এডেন বিমানবন্দরে হুতিদের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:০২:৪৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ইয়েমেনের আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের নিয়ন্ত্রণে থাকা কৌশলগত বন্দরনগরী এডেনের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ভয়াবহ দুটি ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে হুতি বিদ্রোহীরা। গত শুক্রবার সংঘটিত এই হামলায় বিমানবন্দরটির মূল রানওয়ের অত্যন্ত নিকটবর্তী স্থানে ক্ষেপণাস্ত্র দুটি আঘাত হানে। তবে সৌভাগ্যবশত এই আকস্মিক হামলায় তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

ঘটনাটি সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে ইয়েমেনের তথ্যমন্ত্রী মোয়াম্মার আল-এরিয়ানি গণমাধ্যমকে জানান, নিক্ষিপ্ত ক্ষেপণাস্ত্র দুটি সে সময় উড্ডয়নের অপেক্ষায় থাকা একটি বাণিজ্যিক বিমান থেকে মাত্র ৫০০ মিটার দূরত্বে গিয়ে পড়ে। সুসংবাদ হলো, ওই উড়োজাহাজে থাকা সমস্ত যাত্রী ও ক্রু সদস্য সম্পূর্ণ নিরাপদে আছেন। তিনি এই সশস্ত্র হামলাকে আন্তর্জাতিক আইন এবং প্রচলিত সকল রীতিনীতির চরম ও নির্লজ্জ লঙ্ঘন বলে আখ্যায়িত করেন।

অপরদিকে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপির এক প্রতিবেদনে হুতিদের একটি সামরিক সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে যে, বিদ্রোহী গোষ্ঠীটি মূলত এডেন প্রদেশে অবস্থিত বদর ক্যাম্পে সৌদি সামরিক বাহিনীর কমান্ড সদর দফতর এবং একটি গোপন অস্ত্রাগার লক্ষ্য করেই এই হামলা পরিচালনা করেছিল।

এর মাত্র একদিন আগেই ইয়েমেন সরকারের মূল ক্ষমতার কেন্দ্র এডেন শহরের ঐতিহাসিক প্রেসিডেন্ট প্রাসাদে একটি প্রাণঘাতী হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এডেনে সংঘটিত সর্বশেষ এই বিমান হামলার ফলে সৌদি-সমর্থিত সরকারি বাহিনী এবং ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের মধ্যকার দীর্ঘদিনের সশস্ত্র সংঘাত আরও বহুলাংশে ঘনীভূত ও তীব্র আকার ধারণ করার আশঙ্কা জোরালো হয়ে উঠেছে।

এদিকে পালটা পদক্ষেপ হিসেবে ইয়েমেনের সরকারি বাহিনী দাবি করেছে যে, তারা গত শুক্রবার রাজধানী সানা থেকে উত্তর-পূর্ব দিকে অবস্থিত মারিব প্রদেশের বিস্তীর্ণ পূর্বাঞ্চলে সফলভাবে সামনের দিকে অগ্রসর হয়েছে। সামরিক বাহিনীর সরকারি মুখপাত্র মাজেদ আল-নাজিলি দাবি করেছেন, বিমানবাহিনীর নিবিড় সহায়তায় তাদের পদাতিক বাহিনী বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ ভূখণ্ড নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে। গত চব্বিশ ঘণ্টার চলমান সামরিক অভিযানে চার শতাধিক হুতি যোদ্ধাকে ‘নিষ্ক্রিয়’ করার পাশাপাশি শতাধিক সামরিক যানবাহন ও যুদ্ধাস্ত্র পুরোপুরি ধ্বংস বা অকেজো করা হয়েছে।

দেশের প্রধান যুদ্ধক্ষেত্রগুলোর অন্যতম তাইজ গভর্নরেটেও হুতিদের বেশ কয়েকটি বড় আক্রমণ সাফল্যের সাথে প্রতিহত করার দাবি করেছে সরকারি প্রতিরক্ষা বাহিনী। তাদের দাবি, এই প্রতিরোধযুদ্ধে হুতিদের ব্যাপক আর্থিক ও প্রাণিক ক্ষয়তি হয়েছে। এছাড়া তাইজ এলাকায় বিদ্রোহীদের সাথে সম্পৃক্ত একটি বিশেষ ড্রোন অপারেটর দলকে আটক করতে সক্ষম হয়েছে তারা।

সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে হুতি বাহিনী ইয়েমেনের তৃতীয় বৃহত্তম শহর তাইজকে চারদিক থেকে ঘিরে ফেলেছে। শহরটির দক্ষিণাংশে এডেন যাওয়ার প্রধান মহাসড়কটি বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ায় হাজার হাজার সাধারণ মানুষ গৃহহারা হয়ে পড়েছেন এবং সামগ্রিক মানবিক সংকট চরম রূপ ধারণ করেছে।

গত শুক্রবার সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট জানিয়েছে যে, রাজধানী রিয়াদসহ সৌদি আরবের বিভিন্ন অঞ্চলের আকাশসীমায় হুতিদের নিক্ষিপ্ত বেশ কয়েকটি দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সফলভাবে মাঝআকাশেই ধ্বংস করা হয়েছে। সৌদি সরকারের দীর্ঘদিনের অভিযোগ, ইরান পর্দার আড়াল থেকে হুতিদের আধুনিক অস্ত্রশস্ত্র ও প্রশিক্ষণ দিয়ে সহায়তা করে আসছে এবং রাজ্যের বিরুদ্ধে সামরিক হামলায় তাদের উসকে দিচ্ছে। যদিও ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগ বরাবরই দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে বলেছে যে, হুতিদের পরিচালিত কোনো সামরিক অভিযানে তেহরানের কোনো ধরনের সংশ্লিষ্টতা নেই। একই সাথে হুতি ও রিয়াদের মধ্যকার চলমান বৈরিতা দূর করতে মধ্যস্থতা করার পুরোনো প্রস্তাবটি আবারও পুনর্ব্যক্ত করেছে তারা।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে হুতি বিদ্রোহীরা রাজধানী সানা বলপূর্বক দখল করে বৈধ সরকারকে দেশত্যাগে বাধ্য করার মধ্য দিয়ে ইয়েমেনে দীর্ঘ রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের সূচনা ঘটে। এর পরের বছর আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের সুরক্ষায় সৌদি আরবের নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট এই সংঘাতে সরাসরি জড়িয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০২২ সালে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতি চুক্তি স্বাক্ষরিত হলে বড় ধরনের লড়াই সাময়িকভাবে থিতিয়ে পড়েছিল। তবে চলতি বছরের জুলাই মাসে হুতিরা সৌদি আরবের বাণিজ্যিক বন্দর এবং গুরুত্বপূর্ণ বাব আল-মানদেব প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর একতরফা নৌ-অবরোধ ঘোষণা করায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।

এর ধারাবাহিকতায় গত সেপ্টেম্বর মাসে হুতি বিদ্রোহীরা মোখা শহরে বড় ধরনের স্থল অভিযান চালিয়ে সরকারি বাহিনীকে পিছু হটতে বাধ্য করে। একই মাসে তারা পশ্চিম উপকূল, কৌশলগত বাব আল-মানদেব প্রণালির আশপাশের বহু এলাকা এবং কৌশলগত দিক থেকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মায়ুন দ্বীপও নিজেদের দখলে নিয়ে নেয়।