Dhaka ১০:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

শিশু হাসপাতালে নিজ কক্ষে ধূমপান করায় চিকিৎসক বরখাস্ত

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ৭ বার দেখা হয়েছে

রাজধানীর আগারগাঁও অবস্থিত স্বনামধন্য ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট’-এ এক হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে নিজ দাপ্তরিক কক্ষে বসে প্রকাশ্যে ধূমপান করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়া এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অভিযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের দাপ্তরিক আদেশ জারি করে।

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত হন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং সেখানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সার্বিক কর্মপরিবেশ, সেবা প্রদানের মান এবং পরিচ্ছন্নতার বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শনের একটি পর্যায়ে সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আর ঠিক তখনই তিনি দেখতে পান ওই চিকিৎসক তার নিজের কক্ষে বসে দিব্যি ধূমপান করছেন। শুধু তা-ই নয়, ওই চিকিৎসকের কক্ষটির ভেতরের সামগ্রিক পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে ছিল। দেশের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ শিশু স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ দেখে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঘটনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে ডেকে পাঠান এবং অবিলম্বে ওই শৃঙ্খলাভঙ্গকারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কড়া নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রত্যক্ষ নির্দেশের পরেই হাসপাতাল প্রশাসন অভিযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শিশু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটির সার্বিক পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও উপযোগী রাখা, পরিচ্ছন্নতার মাত্রা শতভাগ নিশ্চিত করা এবং সেবা দানে নিয়োজিত চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও অধিক সচেতন ও দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে কর্তব্য পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

শিশু হাসপাতালে নিজ কক্ষে ধূমপান করায় চিকিৎসক বরখাস্ত

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:০১:৫৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

রাজধানীর আগারগাঁও অবস্থিত স্বনামধন্য ‘বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট’-এ এক হঠাৎ পরিদর্শনে গিয়ে নিজ দাপ্তরিক কক্ষে বসে প্রকাশ্যে ধূমপান করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়া এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এই দায়িত্বজ্ঞানহীন আচরণের তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় অভিযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করার কঠোর নির্দেশ প্রদান করেন তিনি। প্রধানমন্ত্রীর ওই নির্দেশ পাওয়ার পরপরই হাসপাতাল সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অভিযুক্ত চিকিৎসককে সাময়িক বরখাস্তের দাপ্তরিক আদেশ জারি করে।

আজ শনিবার (১৭ অক্টোবর) দুপুরে প্রধানমন্ত্রী পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউট পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে সেখানে উপস্থিত হন। এই পরিদর্শনের সময় তিনি হাসপাতালের বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখেন এবং সেখানে কর্মরত চিকিৎসক, নার্স ও অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের সার্বিক কর্মপরিবেশ, সেবা প্রদানের মান এবং পরিচ্ছন্নতার বর্তমান পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন।

হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ড পরিদর্শনের একটি পর্যায়ে সহযোগী অধ্যাপক ডা. রফিকুল ইসলামের ব্যক্তিগত কক্ষে প্রবেশ করেন প্রধানমন্ত্রী। আর ঠিক তখনই তিনি দেখতে পান ওই চিকিৎসক তার নিজের কক্ষে বসে দিব্যি ধূমপান করছেন। শুধু তা-ই নয়, ওই চিকিৎসকের কক্ষটির ভেতরের সামগ্রিক পরিবেশও অত্যন্ত নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন অবস্থায় পড়ে ছিল। দেশের একটি অত্যন্ত সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ শিশু স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানে একজন দায়িত্বশীল চিকিৎসকের এমন ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ দেখে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

ঘটনার পরপরই প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে হাসপাতালের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম আজিজুল হককে ডেকে পাঠান এবং অবিলম্বে ওই শৃঙ্খলাভঙ্গকারী চিকিৎসকের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কড়া নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রীর এই প্রত্যক্ষ নির্দেশের পরেই হাসপাতাল প্রশাসন অভিযুক্ত সহযোগী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামকে চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে।

হাসপাতাল পরিদর্শনের শেষ পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রী শিশু স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রটির সার্বিক পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত ও উপযোগী রাখা, পরিচ্ছন্নতার মাত্রা শতভাগ নিশ্চিত করা এবং সেবা দানে নিয়োজিত চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে আরও অধিক সচেতন ও দায়িত্বশীল মনোভাব নিয়ে কর্তব্য পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।