রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন পূর্বাচল ও ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের প্লট মালিকদের ভবন নির্মাণে উৎসাহিত করতে বড় ধরনের প্রণোদনা দিয়েছে সরকার। এই দুই আবাসন প্রকল্পের পাঁচ কাঠা বা তার চেয়ে বড় আয়তনের প্লটগুলোতে ভবনের নকশার অনুমোদনের জন্য আবেদন করলে ফ্লোর এরিয়া রেশিও বা ফারে বিশেষ ছাড় দেওয়া হবে। সম্প্রতি গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রশাসন শাখা থেকে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
জারকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, নিয়ম প্রকাশের পরবর্তী ছয় মাসের মধ্যে যদি কোনো প্লট মালিক ভবনের নকশা জমা দেন, তবে তাদের ভিত্তি ফারের সঙ্গে সর্বোচ্চ ০.৫ ফার অতিরিক্ত হিসেবে যুক্ত করা হবে। দীর্ঘকাল ধরে পূর্বাচল ও ঝিলমিল প্রকল্প ঘিরে নানা স্থবিরতা ও বাসযোগ্যতা নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন থাকলেও সরকারের এই নতুন পদক্ষেপে প্লট গ্রহীতাদের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
রাজউক সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা শহরের ওপর অতিরিক্ত জনসংখ্যার চাপ কমাতে ১৯৯৫ সালে পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছিল। নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ ও গাজীপুরের কালীগঞ্জ এলাকার বিশাল জমিনজুড়ে এই মেগা প্রজেক্ট বিস্তৃত থাকলেও দীর্ঘ সময়েও তা পুরোপুরি জনবসতিপূর্ণ বা কাঙ্ক্ষিত মাত্রায় বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি। একই সঙ্গে ঝিলমিল আবাসিক প্রকল্পের হাজার হাজার ফ্ল্যাটও দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে ছিল। রাজউক আইন অনুযায়ী বিশদ অঞ্চল পরিকল্পনা (ডিএপি)-এর বিধিমালা সংশোধন করে এই নতুন প্রণোদনা যুক্ত করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন, এই সুবিধার ফলে পূর্বাচল ও ঝিলমিল প্রকল্পের আবাসন কার্যক্রম দ্রুত ত্বরান্বিত হবে।






















