Dhaka ১০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

উপহারের নামে পার্সেলের বন্যা, চরম বিপাকে দক্ষিণ ভারতীয় ইনফ্লুয়েন্সার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার দেখা হয়েছে

দক্ষিণ ভারতের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সারের বাড়িতে প্রতিদিন অপ্রত্যাশিতভাবে এসে পৌঁছাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০টি পার্সেল। আইফোন, টেলিভিশন, ফ্রিজ থেকে শুরু করে ২০ কেজি বিরিয়ানি পর্যন্ত—কী নেই সেই তালিকায়! তবে এসব উপহার এখন তার পরিবারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের বাসিন্দা শান্মুগানাথন ভীরামণি ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে থাকেন এবং তার অনুসারীর সংখ্যা লাখের বেশি। সম্প্রতি তার নামে একের পর এক পার্সেল পাঠানো হচ্ছে, যার বেশির ভাগই ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ বা মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে প্রেরিত। ফলে পার্সেল গ্রহণ করতে হলে পণ্যের দাম দিতে হচ্ছে, যা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তা ফেরত পাঠাতে হচ্ছে।

ভীরামণির স্ত্রী সুমঙ্গলী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশীরাও বিরক্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন ডেলিভারির লোকজনের কড়া নাড়ায় পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি পণ্যগুলোর অর্ডার যে তারা করেননি, তা ডেলিভারি কর্মীদের বোঝানোও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

সুমঙ্গলী জানান, তার স্বামী বর্তমানে মাদুরাইয়ে ফিরতেও ভয় পাচ্ছেন এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তাদের পারিবারিক আয়েও। একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করে নিজের নামে আর কোনো পার্সেল না পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানান ভীরামণি।

এর আগে গত মাসে কেরালা ভ্রমণের জন্য অনুসারীদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন ভীরামণি, যেখানে তিনি নিজের ফোন নম্বরও দিয়েছিলেন। পরে আরেক ভিডিওতে তিনি জানান যে ওই উপায়ে তিনি সামান্য কিছু সহায়তা পেয়েছিলেন। এরপর এক অনুসারী তাকে উপহার পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করে বাড়ির ঠিকানা চাইলে তিনি তা অনলাইনে শেয়ার করেন। আর তারপর থেকেই তার ঠিকানায় নানা ধরনের পণ্যের চালান আসতে শুরু করে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

উপহারের নামে পার্সেলের বন্যা, চরম বিপাকে দক্ষিণ ভারতীয় ইনফ্লুয়েন্সার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:১২:৩৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬

দক্ষিণ ভারতের এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনফ্লুয়েন্সারের বাড়িতে প্রতিদিন অপ্রত্যাশিতভাবে এসে পৌঁছাচ্ছে ৩০ থেকে ৪০টি পার্সেল। আইফোন, টেলিভিশন, ফ্রিজ থেকে শুরু করে ২০ কেজি বিরিয়ানি পর্যন্ত—কী নেই সেই তালিকায়! তবে এসব উপহার এখন তার পরিবারের জন্য বড় উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ের বাসিন্দা শান্মুগানাথন ভীরামণি ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত ভিডিও প্রকাশ করে থাকেন এবং তার অনুসারীর সংখ্যা লাখের বেশি। সম্প্রতি তার নামে একের পর এক পার্সেল পাঠানো হচ্ছে, যার বেশির ভাগই ‘ক্যাশ অন ডেলিভারি’ বা মূল্য পরিশোধ সাপেক্ষে প্রেরিত। ফলে পার্সেল গ্রহণ করতে হলে পণ্যের দাম দিতে হচ্ছে, যা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তা ফেরত পাঠাতে হচ্ছে।

ভীরামণির স্ত্রী সুমঙ্গলী জানিয়েছেন, পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে বাড়িওয়ালা ও প্রতিবেশীরাও বিরক্ত হচ্ছেন। প্রতিদিন ডেলিভারির লোকজনের কড়া নাড়ায় পরিবারের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। এমনকি পণ্যগুলোর অর্ডার যে তারা করেননি, তা ডেলিভারি কর্মীদের বোঝানোও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।

সুমঙ্গলী জানান, তার স্বামী বর্তমানে মাদুরাইয়ে ফিরতেও ভয় পাচ্ছেন এবং এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে তাদের পারিবারিক আয়েও। একপর্যায়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও প্রকাশ করে নিজের নামে আর কোনো পার্সেল না পাঠানোর জন্য অনুরোধ জানান ভীরামণি।

এর আগে গত মাসে কেরালা ভ্রমণের জন্য অনুসারীদের কাছে আর্থিক সহায়তা চেয়ে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছিলেন ভীরামণি, যেখানে তিনি নিজের ফোন নম্বরও দিয়েছিলেন। পরে আরেক ভিডিওতে তিনি জানান যে ওই উপায়ে তিনি সামান্য কিছু সহায়তা পেয়েছিলেন। এরপর এক অনুসারী তাকে উপহার পাঠানোর আগ্রহ প্রকাশ করে বাড়ির ঠিকানা চাইলে তিনি তা অনলাইনে শেয়ার করেন। আর তারপর থেকেই তার ঠিকানায় নানা ধরনের পণ্যের চালান আসতে শুরু করে।