Dhaka ১১:০৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বারনই নদী দখল ও দূষণমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

রাজশাহী ও নাটোর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বারনই নদীকে অবৈধ দখল ও মারাত্মক দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের পর যাতে পুনরায় কোনো ধরনের দখল বা ভরাট হতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্স নিয়মিত প্রকল্পের কাজ তদারকি করবে এবং প্রতি মাসে এর অগ্রগতির প্রতিবেদন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় ‘রাজশাহী ও নাটোর জেলার অন্তর্গত বারনই নদী পুনরুজ্জীবিত, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ’ প্রকল্পের এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এসব কথা জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে বারনই নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এমনকি নদীর দূষিত পানির কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের শরীরে নানা ধরনের চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জনগণের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ নিরসনে এবং নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নদীটির তলদেশ খনন ও পুনরুদ্ধারের ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

নদী খননের কাজ শেষ হওয়ার পর পুনরায় যাতে কেউ সেটি দখল বা ভরাট করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। অতীতে বিভিন্ন খাল ও নদী খননের পর পুনরায় বেদখল হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, এ ধরনের পুনরাবৃত্তি রোধে মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ টাস্কফোর্স কাজ করছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা প্রতি ১৫ দিন পরপর নির্ধারিত এলাকা পরিদর্শন করে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।

প্রকল্পের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী এলাকায় কোনো ধরনের বর্জ্য ফেলা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বারনই নদী দখল ও দূষণমুক্ত করে পুনরুজ্জীবিত করতে সরকারের কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:১২:২৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী ও নাটোর জেলার ওপর দিয়ে প্রবাহিত বারনই নদীকে অবৈধ দখল ও মারাত্মক দূষণের হাত থেকে রক্ষা করে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। নদী খনন ও পুনরুদ্ধারের পর যাতে পুনরায় কোনো ধরনের দখল বা ভরাট হতে না পারে, তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠন করা হয়েছে। এই টাস্কফোর্স নিয়মিত প্রকল্পের কাজ তদারকি করবে এবং প্রতি মাসে এর অগ্রগতির প্রতিবেদন সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পাঠানো হবে।

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর ২০২৬) সকালে রাজশাহীর পবা উপজেলার নওহাটা ব্রিজসংলগ্ন এলাকায় ‘রাজশাহী ও নাটোর জেলার অন্তর্গত বারনই নদী পুনরুজ্জীবিত, দূষণমুক্ত ও দখলমুক্তকরণ’ প্রকল্পের এলাকা সরেজমিন পরিদর্শন শেষে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ এসব কথা জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, দীর্ঘদিন ধরে অবহেলা ও ময়লা-আবর্জনা ফেলার কারণে বারনই নদীর পানি মারাত্মকভাবে দূষিত হয়ে পড়েছে। এমনকি নদীর দূষিত পানির কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের শরীরে নানা ধরনের চর্মরোগ দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। জনগণের দীর্ঘদিনের এই দুর্ভোগ নিরসনে এবং নদীর স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয় নদীটির তলদেশ খনন ও পুনরুদ্ধারের ব্যাপক কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

নদী খননের কাজ শেষ হওয়ার পর পুনরায় যাতে কেউ সেটি দখল বা ভরাট করতে না পারে, সে বিষয়ে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন ফরহাদ হোসেন আজাদ। অতীতে বিভিন্ন খাল ও নদী খননের পর পুনরায় বেদখল হওয়ার তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা স্মরণ করে তিনি জানান, এ ধরনের পুনরাবৃত্তি রোধে মন্ত্রণালয় থেকে বিশেষ টাস্কফোর্স কাজ করছে। টাস্কফোর্সের সদস্যরা প্রতি ১৫ দিন পরপর নির্ধারিত এলাকা পরিদর্শন করে সুনির্দিষ্ট প্রতিবেদন প্রস্তুত করবেন।

প্রকল্পের কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ ও তদারকি নিশ্চিত করতে স্থানীয় প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয়ে একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং জেলা প্রশাসনের প্রতিনিধিরা অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন। নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে রাজশাহী সিটি করপোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত সহযোগিতা কামনা করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, নদী এলাকায় কোনো ধরনের বর্জ্য ফেলা কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে।

পরিদর্শনকালে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন, রাজশাহী সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. রুহুল আমিনসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।