বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) একমাত্র জনগণের দল এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারই প্রকৃত অর্থে জনগণের সরকার মন্তব্য করে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের সাধারণ জনগণকে যে প্রতিশ্রুতি দেন, তা সবসময় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়ন করেন।
গত সোমবার (১২ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানীর মিরপুর-১৩ নম্বর সেক্টরের ৪ নম্বর ওয়ার্ড কমিউনিটি সেন্টার প্রাঙ্গণে ঢাকা-১৫ আসনের সার্বিক ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিষয়ক তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেন।
ডিএনসিসি প্রশাসক বক্তব্যে উল্লেখ করেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড’ ধারণার প্রবর্তন ও ঘোষণা বিএনপি দলের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এটি মূলত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষ হতে নির্বাচনী সামাজিক অঙ্গীকার ও ইশতেহারে ঘোষিত সাধারণ জনগণের জন্য এক অনন্য উপহার। একমাত্র বিএনপি এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকারই দেশের মেহনতি ও সাধারণ জনগণের মৌলিক স্বার্থ রক্ষায় নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বন্টন ও তথ্য সংগ্রহে স্বচ্ছতা বজায় রাখার ওপর কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে প্রশাসক বলেন, দল বা প্রশাসনিক কাঠামোর ভেতরে কেউ যদি এই ঐতিহাসিক ফ্যামিলি কার্ড প্রদান নিয়ে কোনো প্রকার অনিয়ম, বিভ্রান্তি কিংবা স্বার্থ হাসিলের অপচেষ্টা করে, তবে তার বিরুদ্ধে কঠোরতম সাংগঠনিক ও আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। আমরা সম্পূর্ণ নিশ্চিত করতে চাই যে, সমাজের প্রকৃত হকদার ও যোগ্য পরিবারগুলোই যেন কোনো বিভেদ ও বিভক্তি ছাড়া সঠিকভাবে ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা লাভ করতে পারে।
আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন ও দলীয় মনোনয়ন প্রসঙ্গে আলোকপাত করে ডিএনসিসি প্রশাসক স্পষ্টভাবে জানান, আসন্ন সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে কেবল তারাই দলের পক্ষ থেকে কাঙ্ক্ষিত প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাবেন, যারা বিগত দিনে সরাসরি জনগণের পাশে থেকেছেন এবং সেবামূলক কর্মকাণ্ডে নিজেদের উৎসর্গ করেছেন। বিশেষ করে ঢাকা নগরীর প্রধান স্বাস্থ্য সংকট ডেঙ্গু মোকাবিলায় কার্যকর কার্যক্রম পরিচালনা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রাখা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান চালানো এবং ‘ক্লিন ঢাকা গ্রিন ঢাকা’ গঠনে দৃশ্যমান সেবামূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা প্রার্থীরাই অগ্রাধিকার পাবেন। জনগণের জন্য মাঠে নেমে কাজ না করলে কোনো প্রভাবশালী ব্যক্তিও দলের মনোনয়ন পাবেন না।
ঢাকার ফুটপাত ও নগর সৌন্দর্য রক্ষা প্রসঙ্গে নগরবাসীকে আশ্বস্ত করে ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খান আরও জানান, অতি অল্প সময়ের মধ্যেই ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের অধিনস্থ প্রধান প্রধান সড়ক ও ব্যস্ততম ফুটপাতগুলোকে সম্পূর্ণ হকারমুক্ত ও পথচারীবান্ধব করা হবে। নগরবাসীকে একটি আধুনিক, পরিচ্ছন্ন ও অত্যন্ত নান্দনিক ফুটপাত উপহার দেওয়ার জন্য সিটি কর্পোরেশন সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে দ্রুত কাজ শুরু করছে।






















