জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে প্রথমবারের মতো ভাষণ দিতে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রায় চার দশক পর জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব ফিরে পাওয়ায় বাংলাদেশের জন্য এবারের অধিবেশনটি ভিন্ন মাত্রার গুরুত্ব বহন করছে। এই অধিবেশনে সভাপতিত্ব করছেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বিশ্বমঞ্চে টেকসই উন্নয়ন, রোহিঙ্গা সংকট নিরসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ক্ষতিকর প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের সুনির্দিষ্ট অবস্থান ও রূপরেখা তুলে ধরার সার্বিক প্রস্তুতি নিয়েছে সরকার।
ঘোষিত সূচি অনুযায়ী, জাতিসংঘ অধিবেশনে অংশ নিতে আগামী ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সফরকালে ২৩ সেপ্টেম্বর তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন। এর পরদিন, ২৪ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের উচ্চপর্যায়ের অধিবেশনে ভাষণ দেবেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ জানান, এবারের অধিবেশনে জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর জন্য আন্তর্জাতিক অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাবে। কার্বন নিঃসরণের জন্য মূল দায়ী দেশগুলোর কাছ থেকে ‘অনুদানভিত্তিক ক্লাইমেট ফাইন্যান্স’ (গ্র্যান্টভিত্তিক জলবায়ু অর্থায়ন) কাঠামো বাস্তবায়নের পক্ষে বাংলাদেশ জোরালো যুক্তি উপস্থাপন করবে।
এর পাশাপাশি বিশ্ব পরিবেশ রক্ষায় দেশের অভ্যন্তরে গৃহীত বিভিন্ন বাস্তবমুখী পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তুলে ধরা হবে। এসব উদ্যোগের মধ্যে রয়েছে ব্যাপকভিত্তিক বৃক্ষরোপণ, জলাশয় ও খাল পুনঃখনন এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধির সরকারি পরিকল্পনা। বিশেষ করে আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে কার্বন নিঃসরণ কমানোর লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও পরিবেশগত স্থিতিশীলতা আনয়নে গৃহীত পদক্ষেপগুলো বিশ্বনেতাদের সামনে উপস্থাপন করা হবে।






















