Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে স্কুল বন্ধের দিনই নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ২২ বার দেখা হয়েছে

আসন্ন ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি নয়, বরং চলতি বছরের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার দিনই দেশের সকল শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে মানসম্মত ও সঠিক স্পেসিফিকেশনের বই নিশ্চিত করতে খারাপ কাগজ বা নিম্নমানের বাইন্ডিংয়ের বই গ্রহণ না করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর গাউসুল আজমস্থ কমপ্লেক্সে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন ‘বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন’-এর নির্বাহী কমিটির সমাবেশে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস (টিডিসি) সূত্রের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্পন্ন বই সরবরাহ করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও বদ্ধপরিকর। এবার প্রিন্টার্সদের ন্যায্য বাজারদরে দরপত্র প্রদান করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ বিল পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাওয়ার পর তা মাঠপর্যায়ে পর্যালোচনা করে শতভাগ মান নিশ্চিত হলেই কেবল প্রিন্টার্সদের অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বিল প্রদান করা হবে। ফলে নিম্নমানের বই দিয়ে ফাঁকি দেওয়া বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না উল্লেখ করে শিক্ষকবৃন্দকে এ বিষয়ে তদারকি করার অনুরোধ জানান তিনি।

বক্তব্যে মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহাসিক বিবর্তন ও অবদান তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলেই প্রথম মাদ্রাসা শিক্ষায় সাধারণ শিক্ষা ও ৫০০ নম্বরের পাঠ্যক্রম যুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসননামলে দাখিল ও আলিম স্তরে ভোকেশনাল শিক্ষা চালুসহ ইসলামিক আরবী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ অবারিত করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও বাজেট বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী আরও ঘোষণা দেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কাঙ্ক্ষিত বদলি প্রক্রিয়া চালু এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুততম সময়ে ৭৭ হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদ মোমতাজীর সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে সারা দেশ থেকে আসা সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা অংশ নেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বার্ষিক পরীক্ষা শেষে স্কুল বন্ধের দিনই নতুন বই পাবে শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:৪৪:৪২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

আসন্ন ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি নয়, বরং চলতি বছরের বার্ষিক পরীক্ষা শেষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার দিনই দেশের সকল শিক্ষার্থীদের হাতে নতুন পাঠ্যবই তুলে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। একই সঙ্গে মানসম্মত ও সঠিক স্পেসিফিকেশনের বই নিশ্চিত করতে খারাপ কাগজ বা নিম্নমানের বাইন্ডিংয়ের বই গ্রহণ না করার জন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে রাজধানীর মহাখালীর গাউসুল আজমস্থ কমপ্লেক্সে মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রতিনিধিত্বশীল সংগঠন ‘বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীন’-এর নির্বাহী কমিটির সমাবেশে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিক্ষামন্ত্রী এসব কথা বলেন। দ্য ডেইলি ক্যাম্পাস (টিডিসি) সূত্রের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্পন্ন বই সরবরাহ করতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত ও বদ্ধপরিকর। এবার প্রিন্টার্সদের ন্যায্য বাজারদরে দরপত্র প্রদান করা হয়েছে এবং ইতোমধ্যে ৯০ শতাংশ বিল পরিশোধ সম্পন্ন হয়েছে। শিক্ষার্থীরা বই হাতে পাওয়ার পর তা মাঠপর্যায়ে পর্যালোচনা করে শতভাগ মান নিশ্চিত হলেই কেবল প্রিন্টার্সদের অবশিষ্ট ১০ শতাংশ বিল প্রদান করা হবে। ফলে নিম্নমানের বই দিয়ে ফাঁকি দেওয়া বা দুর্নীতির কোনো সুযোগ থাকবে না উল্লেখ করে শিক্ষকবৃন্দকে এ বিষয়ে তদারকি করার অনুরোধ জানান তিনি।

বক্তব্যে মাদ্রাসা শিক্ষার ঐতিহাসিক বিবর্তন ও অবদান তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আমলেই প্রথম মাদ্রাসা শিক্ষায় সাধারণ শিক্ষা ও ৫০০ নম্বরের পাঠ্যক্রম যুক্ত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে বেগম খালেদা জিয়ার শাসননামলে দাখিল ও আলিম স্তরে ভোকেশনাল শিক্ষা চালুসহ ইসলামিক আরবী বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজে মাদ্রাসা শিক্ষার্থীদের ভর্তির সুযোগ অবারিত করা হয়। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান মাদ্রাসা শিক্ষার আধুনিকায়ন ও বাজেট বৃদ্ধিতে বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেছেন।

শিক্ষাসংশ্লিষ্ট কল্যাণমূলক উদ্যোগের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী আরও ঘোষণা দেন যে, দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কাঙ্ক্ষিত বদলি প্রক্রিয়া চালু এবং দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে দ্রুততম সময়ে ৭৭ হাজার নতুন শিক্ষক নিয়োগের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের সভাপতি ও দৈনিক ইনকিলাব সম্পাদক এ এম এম বাহাউদ্দীনের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের মহাসচিব অধ্যক্ষ সাব্বির আহমদ মোমতাজীর সঞ্চালনায় উক্ত সমাবেশে সারা দেশ থেকে আসা সংগঠনের বিভিন্ন স্তরের নেতারা অংশ নেন।