Dhaka ০৯:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মক্কা-মদিনা সুরক্ষায় বাংলাদেশ কোনো আপস করবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩২ বার দেখা হয়েছে

পবিত্র মক্কা ও মদিনা শরিফের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার প্রশ্নে বাংলাদেশ কখনো কোনো ধরনের আপস করবে না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন, পবিত্র দুই মসজিদের সুরক্ষায় কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে একটি বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে একটি সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে সেমিনারে মূল বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমান সরকারের বৈদেশিক নীতির অন্যতম সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করা। সৌদি আরবের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ অন্যতম শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি জানান, সম্ভাব্য ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে বর্তমানে ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। যদি এই চুক্তি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মুসলিম উম্মাহর সেবায় বাংলাদেশ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সব ধরনের সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগিরই এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি সৌদি যুবরাজও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সুবিধাজনক সময়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে ঢাকা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক পারস্পরিক গভীর আস্থা ও বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখন সময় এসেছে এই আস্থার ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি, বিনিয়োগ এবং উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার। বাংলাদেশ এখন আর কেবল প্রথাগত জনশক্তি রপ্তানি বা রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না; বরং এই সম্পর্ককে মানবসম্পদ উন্নয়ন, যৌথ বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির অংশীদারিত্বে রূপান্তর করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির রূপবদলের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নির্ভরতার দিন এখন সম্পূর্ণ শেষ। বাংলাদেশ আর কোনো দেশের সাহায্য বা করুণার ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না। বর্তমান সরকারের অধীনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে হাত পাতবে না, বরং বিশ্বের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা ও বাণিজ্য করবে।” সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের এই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধুত্বকে একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিতে সরকার সর্বোচ্চ গতিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মক্কা-মদিনা সুরক্ষায় বাংলাদেশ কোনো আপস করবে না: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৬:০৯:২৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬

পবিত্র মক্কা ও মদিনা শরিফের নিরাপত্তা এবং সুরক্ষার প্রশ্নে বাংলাদেশ কখনো কোনো ধরনের আপস করবে না বলে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে উল্লেখ করেছেন, পবিত্র দুই মসজিদের সুরক্ষায় কিংবা যেকোনো প্রয়োজনে একটি বৃহৎ মুসলিম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদানে সবসময় প্রস্তুত রয়েছে।

শনিবার (১০ অক্টোবর) দুপুরে রাজধানী ঢাকার ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে একটি সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেওয়ার সময় প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশিত হয়েছে।

এর আগে সেমিনারে মূল বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, বর্তমান সরকারের বৈদেশিক নীতির অন্যতম সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো ভ্রাতৃপ্রতিম রাষ্ট্র সৌদি আরবের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় উন্নীত করা। সৌদি আরবের সামুদ্রিক নিরাপত্তায় বাংলাদেশ অন্যতম শক্তিশালী অংশীদার হিসেবে কাজ করছে উল্লেখ করে তিনি জানান, সম্ভাব্য ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’ নিয়ে বর্তমানে ইতিবাচক ও ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে। যদি এই চুক্তি বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষায় মুসলিম উম্মাহর সেবায় বাংলাদেশ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে, তবে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার সব ধরনের সুযোগ রয়েছে বলে জানান তিনি।

দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের কূটনৈতিক সম্পর্কের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, সৌদি আরবের ক্রাউন প্রিন্স প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন এবং প্রধানমন্ত্রী সেই আমন্ত্রণ সাদরে গ্রহণ করেছেন। খুব শিগগিরই এই সফর অনুষ্ঠিত হবে। পাশাপাশি সৌদি যুবরাজও বাংলাদেশ সফরের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং সুবিধাজনক সময়ে তাঁকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে ঢাকা পুরোপুরি প্রস্তুত রয়েছে।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের মধ্যকার সম্পর্ক পারস্পরিক গভীর আস্থা ও বিশ্বাসের ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখন সময় এসেছে এই আস্থার ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে দূরদর্শী দৃষ্টিভঙ্গি, বিনিয়োগ এবং উচ্চাভিলাষী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করার। বাংলাদেশ এখন আর কেবল প্রথাগত জনশক্তি রপ্তানি বা রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না; বরং এই সম্পর্ককে মানবসম্পদ উন্নয়ন, যৌথ বিনিয়োগ এবং উদ্ভাবনী প্রযুক্তির অংশীদারিত্বে রূপান্তর করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুদৃঢ় নেতৃত্বে বাংলাদেশের বৈদেশিক নীতির রূপবদলের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “নির্ভরতার দিন এখন সম্পূর্ণ শেষ। বাংলাদেশ আর কোনো দেশের সাহায্য বা করুণার ওপর নির্ভরশীল থাকতে চায় না। বর্তমান সরকারের অধীনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের বুকে হাত পাতবে না, বরং বিশ্বের সঙ্গে সমতার ভিত্তিতে ব্যবসা ও বাণিজ্য করবে।” সৌদি আরবের সঙ্গে দীর্ঘদিনের এই ভ্রাতৃত্বপূর্ণ বন্ধুত্বকে একটি বিস্তৃত কৌশলগত অংশীদারিত্বে রূপ দিতে সরকার সর্বোচ্চ গতিতে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।