Dhaka ১১:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

বছরজুড়েই বৃক্ষরোপণ, লক্ষ্য বাড়িয়ে ৬ কোটি করার পরিকল্পনা পরিবেশমন্ত্রীর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় চলতি বছর বৃক্ষরোপণের মূল লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ কোটি থেকে বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় কোটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কেবল নির্দিষ্ট মৌসুমে নয়, বরং বছরজুড়েই সারাদেশে সমন্বিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর বাঁশবাড়ি কলোনির পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় স্থানীয় ও উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা২৪.কম’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় দেশের ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার জন্য উপযোগী ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ রোপণের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকা থেকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে, সেখানে বিকল্প হিসেবে স্থানীয়ভাবে উপযোগী এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভজনক বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবেশের সুরক্ষায় মানসিক সংযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মানুষের বসবাসের চারপাশ পরিষ্কার রাখা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকা সুন্দর রাখতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।”

পরিদর্শনকালে বাঁশবাড়ি কলোনির স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এই কলোনির একটি ছবি পাঠিয়েছিলেন। কলোনির ভেতরের ছোট একটি রাস্তা ও আশপাশের পরিবেশ যেভাবে সুবিন্যস্ত রাখা হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই দৃষ্টিনন্দন উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য শহরাঞ্চলেও আবাসিক এলাকা পরিষ্কার রাখা এবং গাছ ও ফুলের বাগান তৈরির সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে ময়মনসিংহের এই মডেলটি অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শনের সময় পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিমসহ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

বছরজুড়েই বৃক্ষরোপণ, লক্ষ্য বাড়িয়ে ৬ কোটি করার পরিকল্পনা পরিবেশমন্ত্রীর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৩৪:৪৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবিলা ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় চলতি বছর বৃক্ষরোপণের মূল লক্ষ্যমাত্রা পাঁচ কোটি থেকে বাড়িয়ে সাড়ে পাঁচ থেকে ছয় কোটি করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে কেবল নির্দিষ্ট মৌসুমে নয়, বরং বছরজুড়েই সারাদেশে সমন্বিতভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

শুক্রবার (৯ অক্টোবর) সন্ধ্যা ৬টার দিকে ময়মনসিংহ নগরীর বাঁশবাড়ি কলোনির পরিবেশ ও সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিদর্শনের সময় স্থানীয় ও উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব পরিকল্পনার কথা জানান। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা২৪.কম’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পরিবেশমন্ত্রী জানান, পরিবেশ ও বাস্তুতন্ত্র রক্ষায় দেশের ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়ার জন্য উপযোগী ফলদ, বনজ, ঔষধি ও শোভাবর্ধনকারী বৃক্ষ রোপণের ওপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকা থেকে পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর ইউক্যালিপটাস গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে, সেখানে বিকল্প হিসেবে স্থানীয়ভাবে উপযোগী এবং অর্থনৈতিক দিক থেকে লাভজনক বিভিন্ন দেশীয় প্রজাতির গাছের চারা লাগানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পরিবেশের সুরক্ষায় মানসিক সংযোগ বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, “মানুষের বসবাসের চারপাশ পরিষ্কার রাখা এবং বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে নিজ নিজ এলাকা সুন্দর রাখতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে এগিয়ে আসতে হবে।”

পরিদর্শনকালে বাঁশবাড়ি কলোনির স্থানীয় বাসিন্দাদের পরিচ্ছন্নতা ও সবুজায়নের উদ্যোগে সন্তোষ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী তাঁকে এই কলোনির একটি ছবি পাঠিয়েছিলেন। কলোনির ভেতরের ছোট একটি রাস্তা ও আশপাশের পরিবেশ যেভাবে সুবিন্যস্ত রাখা হয়েছে, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এই দৃষ্টিনন্দন উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, দেশের অন্যান্য শহরাঞ্চলেও আবাসিক এলাকা পরিষ্কার রাখা এবং গাছ ও ফুলের বাগান তৈরির সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে ময়মনসিংহের এই মডেলটি অন্যান্য সিটি করপোরেশন ও পৌরসভার দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে।

বাঁশবাড়ি কলোনি পরিদর্শনের সময় পরিবেশমন্ত্রীর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ময়মনসিংহ সদর আসনের সংসদ সদস্য আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, মুক্তাগাছা আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ জাকির হোসেন, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মো. রুকুনোজ্জামান এবং বিভাগীয় বন কর্মকর্তা কাজী মুহাম্মদ নূরুল করিমসহ জেলা ও স্থানীয় প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।