Dhaka ০৪:০৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইসলামি জীবনবিধান ও নির্দেশনা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

আধুনিক সভ্যতার এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হলেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন মানসিক সমস্যা। বর্তমান সময়ে অস্থিরতা, বিষণ্ণতা, হতাশা ও দুশ্চিন্তা মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শারীরিক রোগের পাশাপাশি মানসিক রোগের প্রকোপ এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মানুষ শারীরিক সুস্থতার জন্য যতটা সচেতন, মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ততটাই উদাসীন। অথচ ইসলাম শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি অর্জনে অত্যন্ত জোরালো গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার চমৎকার কিছু দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা অনুসরণ করলে হতাশামুক্ত ও প্রশান্ত জীবন লাভ করা সম্ভব।

১. সর্বাবস্থায় আল্লাহর স্মরণ: মানসিক অস্থিরতা ও বিষণ্ণতা দূর করার অন্যতম প্রধান উপায় হলো আল্লাহর স্মরণ। মানুষ যখন পার্থিব মোহে ডুবে সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে যায়, তখন তার মনে হতাশা দানা বাঁধে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।’ (সুরা আর-রাদ: ২৮)। নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে মানুষ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে।

২. আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা বা তাওয়াক্কুল: ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত আশঙ্কা মানুষের মানসিক শান্তি নষ্ট করে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করার পর চূড়ান্ত ফলের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।’ (সুরা আত-তালাক: ৩)। এই বিশ্বাস মানুষের মনের সব হতাশা দূর করে দেয়।

৩. বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারণ: মানুষের জীবনে সুখ ও দুঃখ পর্যায়ক্রমে আসে। বিপদের সময় অনেকেই দ্রুত হতাশ হয়ে পড়েন, যা মানসিক স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটায়। ইসলাম এ ধরনের পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়ে বলেছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা আল-বাকারা: ১৫৩)।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইসলামি জীবনবিধান ও নির্দেশনা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৮:৩৫:৫৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

আধুনিক সভ্যতার এই যুগে মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত হলেও পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভিন্ন মানসিক সমস্যা। বর্তমান সময়ে অস্থিরতা, বিষণ্ণতা, হতাশা ও দুশ্চিন্তা মানুষের নিত্যদিনের সঙ্গী হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শারীরিক রোগের পাশাপাশি মানসিক রোগের প্রকোপ এখন উদ্বেগজনক পর্যায়ে পৌঁছেছে। মানুষ শারীরিক সুস্থতার জন্য যতটা সচেতন, মানসিক স্বাস্থ্যের ব্যাপারে ততটাই উদাসীন। অথচ ইসলাম শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানুষের মানসিক প্রশান্তি অর্জনে অত্যন্ত জোরালো গুরুত্ব দিয়েছে। পবিত্র কোরআন ও হাদিসে মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষার চমৎকার কিছু দিকনির্দেশনা রয়েছে, যা অনুসরণ করলে হতাশামুক্ত ও প্রশান্ত জীবন লাভ করা সম্ভব।

১. সর্বাবস্থায় আল্লাহর স্মরণ: মানসিক অস্থিরতা ও বিষণ্ণতা দূর করার অন্যতম প্রধান উপায় হলো আল্লাহর স্মরণ। মানুষ যখন পার্থিব মোহে ডুবে সৃষ্টিকর্তাকে ভুলে যায়, তখন তার মনে হতাশা দানা বাঁধে। পবিত্র কোরআনে বলা হয়েছে, ‘আল্লাহর স্মরণেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়।’ (সুরা আর-রাদ: ২৮)। নিয়মিত নামাজ, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকিরের মাধ্যমে মানুষ মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পেতে পারে।

২. আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা বা তাওয়াক্কুল: ভবিষ্যৎ নিয়ে অতিরিক্ত আশঙ্কা মানুষের মানসিক শান্তি নষ্ট করে। ইসলাম শিক্ষা দেয়, নিজের সাধ্যমতো চেষ্টা করার পর চূড়ান্ত ফলের জন্য আল্লাহর ওপর ভরসা করতে। কোরআনে এরশাদ হয়েছে, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর ওপর ভরসা করে, তার জন্য তিনিই যথেষ্ট।’ (সুরা আত-তালাক: ৩)। এই বিশ্বাস মানুষের মনের সব হতাশা দূর করে দেয়।

৩. বিপদ-আপদে ধৈর্য ধারণ: মানুষের জীবনে সুখ ও দুঃখ পর্যায়ক্রমে আসে। বিপদের সময় অনেকেই দ্রুত হতাশ হয়ে পড়েন, যা মানসিক স্বাস্থ্যের চরম অবনতি ঘটায়। ইসলাম এ ধরনের পরিস্থিতিতে ধৈর্য ধারণের নির্দেশ দিয়ে বলেছে, ‘হে মুমিনরা, তোমরা ধৈর্য ও নামাজের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করো। নিশ্চয়ই আল্লাহ ধৈর্যশীলদের সঙ্গে আছেন।’ (সুরা আল-বাকারা: ১৫৩)।