Dhaka ১২:১২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে কাজ করছে বিএনপি সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

গত ১৭ বছরে দেশজুড়ে সংঘটিত তাবৎ অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপচয় কঠোরভাবে বন্ধ করে বর্তমান সরকার দেশের আপামর জনসাধারণের প্রকৃত কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে ইউনিসেফের একটি উচ্চপর্যায়ে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন। মন্ত্রী এ সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বিগত শাসনামলে বৈদেশিক সহায়তার যথাযথ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। উপরন্তু, বর্তমান বিশ্বস্তরে বিশ্বের ধনী দেশগুলোও নিজেদের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে তাদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দিচ্ছে, যা সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ে বৈঠকে ইউনিসেফ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণের এই মহৎ উদ্যোগে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের জোরালো প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জানান যে, দেশের কোটি কোটি মানুষের দোরগোড়ায় সুপেয় পানি সরবরাহ করা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান ও পবিত্র দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমানে নদীগুলোর উজানে একতরফাভাবে পানি আটকে দেওয়ার কারণে স্বাভাবিক নদীপ্রবাহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে এক ভয়াবহ ও বহুমুখী আঞ্চলিক প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে—যেমন একদিকে দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে মরুকরণ বা ডেজার্টিফিকেশনের মতো অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে এর দ্বিতীয় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জনপদে। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদনদীর পানিপ্রবাহ কমে গিয়ে যখন বঙ্গোপসাগরে পড়ছে, তখন সমুদ্রের লবণাক্ত জলরাশি উপকূলীয় নদীগুলোর ওপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। আর এই দীর্ঘমেয়াদি পানি প্রত্যাহারের ফলশ্রুতিতেই বিগত কয়েক দশক ধরে দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পানীয় জলের তীব্র ও মারাত্মক সংকট লেগেই আছে।

এই সমস্ত বাস্তব ও ভৌগোলিক বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেশের ১৮ কোটি মানুষের সুপেয় ও নিরাপদ পানির সুনিশ্চিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের একটি বৃহৎ প্রকল্প নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে বলে মন্ত্রী জানান। ইউনিসেফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক এবং ওয়াটারএইডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন যে, বিগত ১৭ বছরের দীর্ঘ জঞ্জাল ও দুর্নীতি দূর করে জনগণের রক্তঘাম ঝরানো কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বর্তমান সরকার মানুষের মৌলিক সেবা প্রদানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

১৭ বছরের অনিয়ম-দুর্নীতি বন্ধ করে কাজ করছে বিএনপি সরকার: স্থানীয় সরকারমন্ত্রী

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:০৫:৪৩ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

গত ১৭ বছরে দেশজুড়ে সংঘটিত তাবৎ অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপচয় কঠোরভাবে বন্ধ করে বর্তমান সরকার দেশের আপামর জনসাধারণের প্রকৃত কল্যাণে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। গত বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর ২০২৬) সচিবালয়ে ইউনিসেফের একটি উচ্চপর্যায়ে প্রতিনিধিদলের সঙ্গে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই সুনির্দিষ্ট মন্তব্য করেন। মন্ত্রী এ সময় স্পষ্টভাবে উল্লেখ করেন যে, বিগত শাসনামলে বৈদেশিক সহায়তার যথাযথ ও সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি। উপরন্তু, বর্তমান বিশ্বস্তরে বিশ্বের ধনী দেশগুলোও নিজেদের অভ্যন্তরীণ অর্থনৈতিক সমস্যার কারণে তাদের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ ক্রমান্বয়ে কমিয়ে দিচ্ছে, যা সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ।

সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এই উচ্চপর্যায়ে বৈঠকে ইউনিসেফ প্রতিনিধিদলের সদস্যরা বাংলাদেশের ১৮ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ ও সুপেয় পানি নিশ্চিতকরণের এই মহৎ উদ্যোগে সর্বাত্মক সহায়তা প্রদানের জোরালো প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেছেন। এই প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকারমন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান জানান যে, দেশের কোটি কোটি মানুষের দোরগোড়ায় সুপেয় পানি সরবরাহ করা স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অন্যতম প্রধান ও পবিত্র দায়িত্ব। কিন্তু বর্তমানে নদীগুলোর উজানে একতরফাভাবে পানি আটকে দেওয়ার কারণে স্বাভাবিক নদীপ্রবাহ মারাত্মকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। এর ফলে এক ভয়াবহ ও বহুমুখী আঞ্চলিক প্রভাব সৃষ্টি হচ্ছে—যেমন একদিকে দেশের উত্তরের জেলাগুলোতে মরুকরণ বা ডেজার্টিফিকেশনের মতো অত্যন্ত উদ্বেগজনক পরিস্থিতির উদ্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে এর দ্বিতীয় নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে দেশের দক্ষিণাঞ্চলীয় জনপদে। বাংলাদেশের ওপর দিয়ে প্রবাহিত নদনদীর পানিপ্রবাহ কমে গিয়ে যখন বঙ্গোপসাগরে পড়ছে, তখন সমুদ্রের লবণাক্ত জলরাশি উপকূলীয় নদীগুলোর ওপরের দিকে উঠতে শুরু করেছে। আর এই দীর্ঘমেয়াদি পানি প্রত্যাহারের ফলশ্রুতিতেই বিগত কয়েক দশক ধরে দক্ষিণাঞ্চলের সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে পানীয় জলের তীব্র ও মারাত্মক সংকট লেগেই আছে।

এই সমস্ত বাস্তব ও ভৌগোলিক বিষয়গুলো অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে দেশের ১৮ কোটি মানুষের সুপেয় ও নিরাপদ পানির সুনিশ্চিত চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক বিভিন্ন উন্নয়ন সহযোগী সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে প্রায় ২ দশমিক ১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার সমমূল্যের একটি বৃহৎ প্রকল্প নিয়ে অত্যন্ত ফলপ্রসূ আলোচনা চলছে বলে মন্ত্রী জানান। ইউনিসেফের পাশাপাশি বিশ্বব্যাংক এবং ওয়াটারএইডের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এই সমন্বিত পরিকল্পনা গ্রহণের রূপরেখা তুলে ধরে তিনি আরও বলেন যে, বিগত ১৭ বছরের দীর্ঘ জঞ্জাল ও দুর্নীতি দূর করে জনগণের রক্তঘাম ঝরানো কষ্টার্জিত অর্থের সঠিক ব্যবহার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে বর্তমান সরকার মানুষের মৌলিক সেবা প্রদানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।