Dhaka ১১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

লন্ডন হিথ্রোকে টপকে বৈশ্বিক যোগাযোগের শীর্ষে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
  • ২৮ বার দেখা হয়েছে

ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের ধারাবাহিকতায় আকাশপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড গড়েছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল। লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী যোগাযোগ-ব্যবতাসম্পন্ন বিমানবন্দর হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করেছে আইজিএ ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর。

ভ্রমণ সংক্রান্ত বৈশ্বিক তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওএজি-এর ২০২৬ সালের ‘মেগাহাবস ইনডেক্স’ তালিকায় এই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের বড় বিমানবন্দরগুলোর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংযোগ এবং গন্তব্যের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওএজির প্রধান বিশ্লেষক জন গ্রান্ট জানান, ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর অবশেষে বিশ্বের এক নম্বর অবস্থান অর্জন করেছে এবং আগামীতে এর অবস্থান আরও সুসংহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইজিএ ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলাহাত্তিন বিলগেন এই অর্জনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিমানবন্দরটি বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৩৫০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তালিকায় ইস্তাম্বুলের পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লন্ডন হিথ্রো, তৃতীয় আমস্টারডাম শিফল, চতুর্থ কুয়ালালামপুর এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে শিকাগো ওহেয়ার বিমানবন্দর।

২০১৮ সালে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরটি নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপের চেয়েও বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বর্তমানে বছরে ৮ কোটি ৪০ লাখের বেশি যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এর ধারণক্ষমতা বছরে ২০ কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। বিমানবন্দরটির এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে বড় অবদান রয়েছে দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইনসের, যারা এই বিমানবন্দরের প্রায় ৮০ শতাংশ ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

লন্ডন হিথ্রোকে টপকে বৈশ্বিক যোগাযোগের শীর্ষে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১০:৪১:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬

ভৌগোলিক ও ঐতিহাসিক গুরুত্বের ধারাবাহিকতায় আকাশপথে যোগাযোগের ক্ষেত্রে নতুন রেকর্ড গড়েছে তুরস্কের ইস্তাম্বুল। লন্ডনের হিথ্রো বিমানবন্দরকে পেছনে ফেলে বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী যোগাযোগ-ব্যবতাসম্পন্ন বিমানবন্দর হিসেবে শীর্ষস্থান দখল করেছে আইজিএ ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর。

ভ্রমণ সংক্রান্ত বৈশ্বিক তথ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ওএজি-এর ২০২৬ সালের ‘মেগাহাবস ইনডেক্স’ তালিকায় এই তথ্য উঠে এসেছে। বিশ্বের বড় বিমানবন্দরগুলোর আন্তর্জাতিক ফ্লাইটের সংযোগ এবং গন্তব্যের সংখ্যা বিশ্লেষণ করে এই তালিকা তৈরি করা হয়েছে। ওএজির প্রধান বিশ্লেষক জন গ্রান্ট জানান, ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর অবশেষে বিশ্বের এক নম্বর অবস্থান অর্জন করেছে এবং আগামীতে এর অবস্থান আরও সুসংহত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

আইজিএ ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সেলাহাত্তিন বিলগেন এই অর্জনকে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, বিমানবন্দরটি বর্তমানে বিশ্বের প্রায় ৩৫০টি গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। তালিকায় ইস্তাম্বুলের পরে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে লন্ডন হিথ্রো, তৃতীয় আমস্টারডাম শিফল, চতুর্থ কুয়ালালামপুর এবং পঞ্চম স্থানে রয়েছে শিকাগো ওহেয়ার বিমানবন্দর।

২০১৮ সালে প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ে নির্মিত ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরটি নিউইয়র্কের ম্যানহাটন দ্বীপের চেয়েও বড় এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বর্তমানে বছরে ৮ কোটি ৪০ লাখের বেশি যাত্রী এই বিমানবন্দর ব্যবহার করলেও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনায় এর ধারণক্ষমতা বছরে ২০ কোটিতে উন্নীত করার লক্ষ্য রয়েছে। বিমানবন্দরটির এই অভাবনীয় সাফল্যের পেছনে বড় অবদান রয়েছে দেশটির জাতীয় বিমান সংস্থা টার্কিশ এয়ারলাইনসের, যারা এই বিমানবন্দরের প্রায় ৮০ শতাংশ ফ্লাইট পরিচালনা করে থাকে।