Dhaka ১২:১৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

কুটির শিল্পে গার্মেন্টস খাতের চেয়েও বড় আয়ের সম্ভাবনা

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬
  • ১২ বার দেখা হয়েছে

গার্মেন্টস খাতের চেয়েও দেশের কুটির ও হস্তশিল্প খাতে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি আয়ের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জোরালো মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, যদি যথাযথ ও সঠিক প্রশিক্ষণ, কার্যকর প্রচার এবং উন্নত বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়, তবে দেশের সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই অত্যন্ত সম্মানজনকভাবে কুটির শিল্পের মাধ্যমে রেডিমেড গার্মেন্টস খাতের চেয়েও বেশি অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও আয় অর্জন করতে পারে। গত বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ভবনের নিচতলায় আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগরদের জন্মগত মেধা, সৃজনশীলতা ও নিখুঁত দক্ষতা যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত দেশীয় পণ্যের অনন্য মান ও নান্দনিক সৌন্দর্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, গার্মেন্টস খাতসহ অন্যান্য আধুনিক চাকরির বাজারের তুলনায় কুটির শিল্পের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত সাধারণ মানুষকে আরও বেশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হলে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আরও বলেন যে, কেবল মানসম্মত পণ্য তৈরি করলেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না; বরং উৎপাদিত সেই পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় ও ক্রেতাদের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে কার্যকর প্রচারের কোনো বিকল্প নেই। সঠিক প্রচার ও বিপণন সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি করা গেলে কুটির শিল্পের পরিধি ও বাজার আরও অনেক দূর সম্প্রসারিত হবে এবং এর মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে।

এ সময় দেশীয় ঐতিহ্য ও গ্রামীণ লোকশিল্পের পণ্যের বর্তমান চাহিদার কথা তুলে ধরে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা জানান যে, জামালপুরের বিশ্বখ্যাত নকশিকাঁথা, ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি, মাটির তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্র এবং দৃষ্টিনন্দন টেরাকোটার মতো লোকশিল্পের পণ্যের কদর ও কদর আজও সমাজে সমানভাবে বজায় রয়েছে। বর্তমান আধুনিক ও যান্ত্রিক প্রযুক্তিনির্ভর যান্ত্রিক জীবনের ভিড়েও মানুষ পুনরায় প্রকৃতি ও শেকড়নির্ভর ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রার দিকে ফিরে আসছে। এই ধরনের ঐতিহ্যবাহী শিল্পপণ্য একদিকে যেমন মানুষের নান্দনিক সৌন্দর্যবোধ ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করছে, অন্যদিকে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহরের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার ক্ষেত্রে কুটির শিল্পের অপরিসীম ভূমিকার কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সমাজের বহু নারী ঘরে বসেই তাদের অবসর সময়ে এসব হস্তশিল্পের কাজ করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মাধ্যমে তারা যেমন নিজেরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন, তেমনি পরিবার ও সমাজে নিজেদের একটি সম্মানজনক ও দৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের জন্য মূলত উন্নত বিশ্ব ও শিল্পোন্নত দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর ওপর বিভিন্ন ধরনের কঠিন ও অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের প্রকৃত দায় এবং এর প্রতিকারের দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তব অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত অবস্থান গভীরভাবে বিবেচনা করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়াও দেশের বর্তমান প্রশাসনিক আমলাতন্ত্র ও দীর্ঘসূত্রিতার কঠোর সমালোচনা করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন যে, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমলের পুরোনো আমলাতান্ত্রিক মানসিকতা ও জটিলতা থেকে বেরিয়ে এসে সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রকৃত জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে আন্তরিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশের গতিশীল ব্যবসা-বাণিজ্যের সঠিক প্রসারের স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা এবং ফাইল আটকে রাখার সংস্কৃতি অবিলম্বে পরিহার করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। তিনি রূপক অর্থে বলেন যে, ফাইলের চাকা সচল রাখতে হবে অর্থাৎ কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা কাজের অনুমোদন অকারণে আটকে না রেখে দ্রুত কাজ নিষ্পত্তি করতে হবে। এর মাধ্যমেই কেবল উদীয়মান উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা লাভ করতে পারবেন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বেশি বেগবান হবে।

বিসিক ভবনের নিচতলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই শরৎমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিকের চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। উদ্বোধনী এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস নাসের খান এবং অতিরিক্ত সচিব নুরুজ্জামানসহ বিসিকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

কুটির শিল্পে গার্মেন্টস খাতের চেয়েও বড় আয়ের সম্ভাবনা

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০২:১৫:১৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৭ অক্টোবর ২০২৬

গার্মেন্টস খাতের চেয়েও দেশের কুটির ও হস্তশিল্প খাতে তুলনামূলকভাবে অনেক বেশি আয়ের বিশাল সম্ভাবনা রয়েছে বলে জোরালো মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়। তিনি স্পষ্ট করে বলেন যে, যদি যথাযথ ও সঠিক প্রশিক্ষণ, কার্যকর প্রচার এবং উন্নত বিপণন সুবিধা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়, তবে দেশের সাধারণ মানুষ ঘরে বসেই অত্যন্ত সম্মানজনকভাবে কুটির শিল্পের মাধ্যমে রেডিমেড গার্মেন্টস খাতের চেয়েও বেশি অর্থনৈতিক সচ্ছলতা ও আয় অর্জন করতে পারে। গত বুধবার (৭ অক্টোবর ২০২৬) রাজধানী ঢাকার তেজগাঁও শিল্পাঞ্চলে অবস্থিত বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশন (বিসিক) ভবনের নিচতলায় আয়োজিত পাঁচ দিনব্যাপী ঐতিহ্যবাহী ‘শরৎমেলা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ অভিমত ব্যক্ত করেন।

অনুষ্ঠানে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় দেশের ঐতিহ্যবাহী কারিগরদের জন্মগত মেধা, সৃজনশীলতা ও নিখুঁত দক্ষতা যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে উৎপাদিত দেশীয় পণ্যের অনন্য মান ও নান্দনিক সৌন্দর্যের ভূয়সী প্রশংসা করেন। তবে তিনি উল্লেখ করেন যে, গার্মেন্টস খাতসহ অন্যান্য আধুনিক চাকরির বাজারের তুলনায় কুটির শিল্পের সঙ্গে নিবিড়ভাবে যুক্ত সাধারণ মানুষকে আরও বেশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে হলে তাদের জন্য প্রয়োজনীয় ও আধুনিক প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করতে হবে। তিনি আরও বলেন যে, কেবল মানসম্মত পণ্য তৈরি করলেই কাঙ্ক্ষিত সাফল্য আসবে না; বরং উৎপাদিত সেই পণ্য মানুষের দোরগোড়ায় ও ক্রেতাদের কাছে সঠিকভাবে তুলে ধরতে কার্যকর প্রচারের কোনো বিকল্প নেই। সঠিক প্রচার ও বিপণন সুবিধা বহুগুণ বৃদ্ধি করা গেলে কুটির শিল্পের পরিধি ও বাজার আরও অনেক দূর সম্প্রসারিত হবে এবং এর মাধ্যমে দেশে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগও ব্যাপকহারে বৃদ্ধি পাবে।

এ সময় দেশীয় ঐতিহ্য ও গ্রামীণ লোকশিল্পের পণ্যের বর্তমান চাহিদার কথা তুলে ধরে বিএনপির এই শীর্ষ নেতা জানান যে, জামালপুরের বিশ্বখ্যাত নকশিকাঁথা, ঐতিহ্যবাহী শীতলপাটি, মাটির তৈরি বিভিন্ন তৈজসপত্র এবং দৃষ্টিনন্দন টেরাকোটার মতো লোকশিল্পের পণ্যের কদর ও কদর আজও সমাজে সমানভাবে বজায় রয়েছে। বর্তমান আধুনিক ও যান্ত্রিক প্রযুক্তিনির্ভর যান্ত্রিক জীবনের ভিড়েও মানুষ পুনরায় প্রকৃতি ও শেকড়নির্ভর ঐতিহ্যবাহী জীবনযাত্রার দিকে ফিরে আসছে। এই ধরনের ঐতিহ্যবাহী শিল্পপণ্য একদিকে যেমন মানুষের নান্দনিক সৌন্দর্যবোধ ও সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করছে, অন্যদিকে দেশের গ্রামীণ অর্থনীতিতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও বেকারত্ব দূরীকরণে এক অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

বিশেষ করে গ্রামীণ ও শহরের অবহেলিত ও পিছিয়ে পড়া নারীদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করে তোলার ক্ষেত্রে কুটির শিল্পের অপরিসীম ভূমিকার কথা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, সমাজের বহু নারী ঘরে বসেই তাদের অবসর সময়ে এসব হস্তশিল্পের কাজ করে আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন। এর মাধ্যমে তারা যেমন নিজেরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন, তেমনি পরিবার ও সমাজে নিজেদের একটি সম্মানজনক ও দৃঢ় অবস্থান তৈরি করে নিতে সক্ষম হচ্ছেন।

অনুষ্ঠানে সমসাময়িক বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণ প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন যে, বিশ্বব্যাপী জলবায়ু পরিবর্তন ও পরিবেশ দূষণের জন্য মূলত উন্নত বিশ্ব ও শিল্পোন্নত দেশগুলোই সবচেয়ে বেশি দায়ী। অথচ তাদের দায়িত্ব এড়িয়ে উন্নয়নশীল ও অনুন্নত দেশগুলোর ওপর বিভিন্ন ধরনের কঠিন ও অযৌক্তিক শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। পরিবেশ দূষণের প্রকৃত দায় এবং এর প্রতিকারের দায়িত্ব বণ্টনের ক্ষেত্রে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর বাস্তব অর্থনৈতিক ও পরিবেশগত অবস্থান গভীরভাবে বিবেচনা করা উচিত বলে তিনি মন্তব্য করেন।

এছাড়াও দেশের বর্তমান প্রশাসনিক আমলাতন্ত্র ও দীর্ঘসূত্রিতার কঠোর সমালোচনা করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন যে, ঔপনিবেশিক ব্রিটিশ আমলের পুরোনো আমলাতান্ত্রিক মানসিকতা ও জটিলতা থেকে বেরিয়ে এসে সরকারি দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের প্রকৃত জনগণের প্রকৃত সেবক হিসেবে আন্তরিক দায়িত্ব পালন করতে হবে। দেশের গতিশীল ব্যবসা-বাণিজ্যের সঠিক প্রসারের স্বার্থে অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা এবং ফাইল আটকে রাখার সংস্কৃতি অবিলম্বে পরিহার করে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান জানান তিনি। তিনি রূপক অর্থে বলেন যে, ফাইলের চাকা সচল রাখতে হবে অর্থাৎ কোনো গুরুত্বপূর্ণ ফাইল বা কাজের অনুমোদন অকারণে আটকে না রেখে দ্রুত কাজ নিষ্পত্তি করতে হবে। এর মাধ্যমেই কেবল উদীয়মান উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় সরকারি সহযোগিতা লাভ করতে পারবেন এবং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড আরও বেশি বেগবান হবে।

বিসিক ভবনের নিচতলায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে অনুষ্ঠিত এই শরৎমেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিকের চেয়ারম্যান বেনজীর আহমেদ। উদ্বোধনী এই বিশেষ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুস নাসের খান এবং অতিরিক্ত সচিব নুরুজ্জামানসহ বিসিকের বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তা ও উদ্যোক্তারা উপস্থিত ছিলেন।