Dhaka ০৮:৪৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান মাহদী আমিনের

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৪৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
  • ৪৯ বার দেখা হয়েছে

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের প্রকাশিত ছবি নিয়ে ভিত্তিহীন অপপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেবল লাইক, শেয়ার বা রাজনৈতিক কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার ছড়ানো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।

ছবিটি নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। হোয়াইট হাউস থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছবিটি ঢাকার দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। এমনকি রোববার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও নিজ উদ্যোগে ছবিটি তাদের পেজে শেয়ার করেছে। এর চেয়ে বড় সত্য আর কী হতে পারে? এরপরও যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য কেবল রাজনৈতিক ফায়দা লোটা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচারেরও জবাব দেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান সম্পূর্ণ নিজের মেধা ও যোগ্যতায় জাতিসংঘে চাকরি পেয়েছেন, এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। একইভাবে ডা. জুবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্কিত ব্যক্তির উপস্থিতির যে খবর রটানো হয়েছিল, তার আয়োজকরাও সেটি মিথ্যা বলে নিশ্চিত করেছেন।

সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, ঘটনাটি মূলত অবৈধ জায়গা সংক্রান্ত দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, যার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সরকার ইতিমধ্যেই ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তারপরও বিএনপির নাম জড়িয়ে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা চালানো চরম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ছবি নিয়ে অপপ্রচার বন্ধের আহ্বান মাহদী আমিনের

সর্বশেষ হালনাগাদ : ১১:৪৭:৩১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমানের প্রকাশিত ছবি নিয়ে ভিত্তিহীন অপপ্রচার না করার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও তাঁর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

রোববার দুপুরে সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কেবল লাইক, শেয়ার বা রাজনৈতিক কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যাচার ছড়ানো সুস্থ রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংশ হতে পারে না।

ছবিটি নিয়ে তৈরি হওয়া জল্পনা প্রসঙ্গে মাহদী আমিন বলেন, বাংলাদেশের একজন নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মার্কিন প্রেসিডেন্টের সাক্ষাৎ ও সৌহার্দ্যপূর্ণ আলোচনা হওয়া অত্যন্ত স্বাভাবিক বিষয়। হোয়াইট হাউস থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই ছবিটি ঢাকার দপ্তরে পাঠানো হয়েছিল। এমনকি রোববার ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসও নিজ উদ্যোগে ছবিটি তাদের পেজে শেয়ার করেছে। এর চেয়ে বড় সত্য আর কী হতে পারে? এরপরও যারা বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে, তাদের উদ্দেশ্য কেবল রাজনৈতিক ফায়দা লোটা।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর পরিবারের অন্য সদস্যদের নিয়ে ছড়ানো বিভিন্ন অপপ্রচারেরও জবাব দেন মাহদী আমিন। তিনি জানান, প্রধানমন্ত্রীর কন্যা জাইমা রহমান সম্পূর্ণ নিজের মেধা ও যোগ্যতায় জাতিসংঘে চাকরি পেয়েছেন, এর সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের কোনো সম্পর্ক নেই। একইভাবে ডা. জুবাইদা রহমানের একটি অনুষ্ঠান ঘিরে বিতর্কিত ব্যক্তির উপস্থিতির যে খবর রটানো হয়েছিল, তার আয়োজকরাও সেটি মিথ্যা বলে নিশ্চিত করেছেন।

সম্প্রতি এক কনটেন্ট ক্রিয়েটরের চাঁদাবাজির অভিযোগের বিষয়ে উপদেষ্টা জানান, ঘটনাটি মূলত অবৈধ জায়গা সংক্রান্ত দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিরোধ, যার সঙ্গে কোনো রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল না। সরকার ইতিমধ্যেই ভাঙচুরের ঘটনায় কঠোর ব্যবস্থা নিয়ে মামলা ও গ্রেপ্তারের প্রক্রিয়া শুরু করেছে। তারপরও বিএনপির নাম জড়িয়ে রাজনৈতিক প্রোপাগান্ডা চালানো চরম মিথ্যাচার ছাড়া আর কিছুই নয়।