জরুরি রোগী পরিবহনের জন্য নির্ধারিত অ্যাম্বুলেন্সে ছাগল বহনের একটি দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এ ঘটনার পর অভিযুক্ত চালক মো. শরীফুলের কাছ থেকে অ্যাম্বুলেন্সের চাবি কেড়ে নিয়েছে পৌর কর্তৃপক্ষ।
জানা গেছে, মোংলা পোর্ট পৌরসভার এই অ্যাম্বুলেন্সটি মূলত মুমূর্ষু রোগী স্থানান্তরের কাজে ব্যবহৃত হওয়ার কথা। তবে চালক রাতের বেলায় নিয়মের তোয়াক্কা না করে রোগী বহনের পরিবর্তে ছাগল আনা-নেওয়া করতেন। গত ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে খুলনার জিরো পয়েন্ট এলাকায় একটি অ্যাম্বুলেন্সে করে ছাগল তোলার দৃশ্য ভিডিও ধারণ করা হয়, যা পরবর্তীতে ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, মোংলার ছাগল ব্যবসায়ী মো. রশিদ চুকনগর থেকে কয়েকটি ছাগল কিনে অ্যাম্বুলেন্সে করে খুলনার জিরো পয়েন্টে আসেন এবং পরবর্তীতে অ্যাম্বুলেন্সেই সেগুলো মোংলায় নিয়ে যান।
অভিযুক্ত চালক মো. শরীফুল দাবি করেছেন যে, অ্যাম্বুলেন্সে পশু পরিবহনের ঘটনা এটিই প্রথম এবং এর জন্য তিনি কোনো ভাড়া নেননি। যদিও স্থানীয়দের অভিযোগ, এর আগেও টাকার বিনিময়ে অ্যাম্বুলেন্সের অপব্যবহার করে পশু পরিবহন করেছেন এই চালক।
সাধারণত মোংলা থেকে খুলনায় রোগী নেওয়ার পর ফেরার পথে এ ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম চালানো হতো। পৌরসভার সরকারি গাড়িতে এমন পশুবহন করায় স্থানীয় নাগরিকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে মোংলা পোর্ট পৌরসভার প্রশাসক শারমিন আক্তার সুমী জানান, বিষয়টি নিয়ে ইতোমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সত্যতা সাপেক্ষে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।






















