Dhaka ০৩:৩৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

মাথা উঁচু রেখে বাকি বিশ্বের সঙ্গে আলোচনা ও অংশীদারত্বে প্রস্তুত বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশ এখন আর কারও ক্রীড়ানক নয়, বরং সম্পূর্ণ সার্বভৌম মর্যাদা নিয়ে নিজস্ব শর্তে এগিয়ে যাওয়ার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী পঞ্চম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ (A World Rewritten) শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দৃঢ় কূটনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা বাজার’-এর প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেশনে বাংলাদেশের বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থান ও পররাষ্ট্রনীতির সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক দরবারে এমন একটি সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছে, যেখানে দেশের জনগণ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তিনি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা অন্য কোনো পরাশক্তি বা বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের খেলার জন্য ভূরাজনৈতিক দাবার বোর্ড হতে চাই না। আমরা আমাদের নিজেদের শর্তে এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভূমিকা রাখতে চাই।”

পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ নিজস্ব সার্বভৌম মর্যাদা রক্ষা করে বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনা, কৌশলগত সহযোগিতা এবং টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সর্বদাই প্রস্তুত। তবে যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি, সংলাপ কিংবা আঞ্চলিক সমঝোতার ক্ষেত্রে একটি বিষয়কে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তা হলো—আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল ভিত্তিই হচ্ছে দেশের সাধারণ জনগণের সার্বিক স্বার্থ সুরক্ষা করা।

বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান নানা অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও বিভিন্ন সময় উপসাগরীয় যুদ্ধের মতো আন্তর্জাতিক জটিল পরিস্থিতির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মুখোমুখি হতে হয়েছে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে মূলত দুটি প্রধান জাতীয় চ্যালেঞ্জের সমুখীন হতে হয়—যার একটি হলো আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট এবং অপরটি হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীদের জীবন ও কর্মসংস্থানের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান।

এ ধরনের সংকট মোকাবেলায় সরকার জ্বালানি খাতে বৈচিত্র্য আনয়ন, জ্বালানির নতুন উৎস সন্ধান এবং অপ্রকাশিত নতুন নতুন অনুসন্ধান ক্ষেত্রগুলোর দিকে সর্বাত্মক মনোযোগ দিচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিগত সরকারের আমলের নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতে বা বিগত সরকারের আমলে দেশের ভূখণ্ড ও সমুদ্রসীমায় জমে থাকা বিপুল পরিমাণ গ্যাস এবং এলএনজির সম্ভাবনাময় নিজস্ব উৎসসমূহ কখনোই যথাযথভাবে অনুসন্ধান ও উত্তোলন করা হয়নি। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইতোমধ্যে সেসব অভ্যন্তরীণ গ্যাস ও এলএনজি উৎসে ব্যাপক ও আধুনিক অনুসন্ধান কাজ শুরু করেছে। এর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলা সম্ভব হয়।

দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের দায়বদ্ধতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, টানা ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মানবিক কারণে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়ে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই বিপুল জনসংখ্যার ভার বহন করা ইতোমধ্যেই আমাদের অর্থনীতির ওপর একটি বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সব সময়ই এই আন্তর্জাতিক ইস্যুতে অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ, সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে চলেছে। তবে এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের জন্য বাংলাদেশ এখন তার কূটনৈতিক বন্ধু রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হলো—আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্পূর্ণ সম্মানজনক, নিরাপদ, সুসংগঠিত ও সুসংহত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

মাথা উঁচু রেখে বাকি বিশ্বের সঙ্গে আলোচনা ও অংশীদারত্বে প্রস্তুত বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:৩৯:১২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬

আন্তর্জাতিক ভূরাজনীতিতে বাংলাদেশ এখন আর কারও ক্রীড়ানক নয়, বরং সম্পূর্ণ সার্বভৌম মর্যাদা নিয়ে নিজস্ব শর্তে এগিয়ে যাওয়ার শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। শনিবার (৩ অক্টোবর) রাজধানীতে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী পঞ্চম ‘বে অব বেঙ্গল কনভারসেশন’-এর ‘নতুন করে লেখা এক বিশ্ব’ (A World Rewritten) শীর্ষক একটি গুরুত্বপূর্ণ সেশনে প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই দৃঢ় কূটনৈতিক ও কূটনৈতিক অবস্থানের কথা ব্যক্ত করেন। অনলাইন সংবাদমাধ্যম ‘বার্তা বাজার’-এর প্রতিবেদনে এ খবর নিশ্চিত করা হয়েছে।

সেশনে বাংলাদেশের বর্তমান বৈশ্বিক অবস্থান ও পররাষ্ট্রনীতির সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনা স্পষ্ট করে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ এখন আন্তর্জাতিক দরবারে এমন একটি সম্মানজনক অবস্থানে পৌঁছেছে, যেখানে দেশের জনগণ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়েছে। ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তিনি কড়া বার্তা দিয়ে বলেন, “আমরা অন্য কোনো পরাশক্তি বা বৈশ্বিক খেলোয়াড়দের খেলার জন্য ভূরাজনৈতিক দাবার বোর্ড হতে চাই না। আমরা আমাদের নিজেদের শর্তে এবং দেশের স্বার্থকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দিয়ে আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভূমিকা রাখতে চাই।”

পররাষ্ট্রনীতির মূল দর্শনের ওপর বিশেষ জোর দিয়ে প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ নিজস্ব সার্বভৌম মর্যাদা রক্ষা করে বিশ্বের যেকোনো দেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় আলোচনা, কৌশলগত সহযোগিতা এবং টেকসই অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে সর্বদাই প্রস্তুত। তবে যেকোনো আন্তর্জাতিক চুক্তি, সংলাপ কিংবা আঞ্চলিক সমঝোতার ক্ষেত্রে একটি বিষয়কে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হবে। তা হলো—আমাদের পররাষ্ট্রনীতির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল ভিত্তিই হচ্ছে দেশের সাধারণ জনগণের সার্বিক স্বার্থ সুরক্ষা করা।

বিশ্বব্যাপী বিদ্যমান নানা অস্থিরতা ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে শামা ওবায়েদ ইসলাম জানান, বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশকেও বিভিন্ন সময় উপসাগরীয় যুদ্ধের মতো আন্তর্জাতিক জটিল পরিস্থিতির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মুখোমুখি হতে হয়েছে। এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে মূলত দুটি প্রধান জাতীয় চ্যালেঞ্জের সমুখীন হতে হয়—যার একটি হলো আকস্মিক ও অপ্রত্যাশিত জ্বালানি সংকট এবং অপরটি হলো মধ্যপ্রাচ্য ও উপসাগরীয় দেশগুলোতে বসবাসরত ও কর্মরত বিপুলসংখ্যক প্রবাসী বাংলাদেশীদের জীবন ও কর্মসংস্থানের সার্বিক নিরাপত্তা বিধান।

এ ধরনের সংকট মোকাবেলায় সরকার জ্বালানি খাতে বৈচিত্র্য আনয়ন, জ্বালানির নতুন উৎস সন্ধান এবং অপ্রকাশিত নতুন নতুন অনুসন্ধান ক্ষেত্রগুলোর দিকে সর্বাত্মক মনোযোগ দিচ্ছে বলে জানান পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। বিগত সরকারের আমলের নীতিনির্ধারণী ব্যর্থতার সমালোচনা করে তিনি বলেন, অতীতে বা বিগত সরকারের আমলে দেশের ভূখণ্ড ও সমুদ্রসীমায় জমে থাকা বিপুল পরিমাণ গ্যাস এবং এলএনজির সম্ভাবনাময় নিজস্ব উৎসসমূহ কখনোই যথাযথভাবে অনুসন্ধান ও উত্তোলন করা হয়নি। তবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর ইতোমধ্যে সেসব অভ্যন্তরীণ গ্যাস ও এলএনজি উৎসে ব্যাপক ও আধুনিক অনুসন্ধান কাজ শুরু করেছে। এর পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের দিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে, যাতে দেশের প্রতিটি নাগরিককে জ্বালানি ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণ ও আত্মনির্ভরশীল করে তোলা সম্ভব হয়।

দীর্ঘদিনের রোহিঙ্গা শরণার্থী সংকট ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের দায়বদ্ধতা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেন, টানা ১০ বছরেরও বেশি সময় ধরে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত বিপুলসংখ্যক রোহিঙ্গা শরণার্থীকে মানবিক কারণে বাংলাদেশ আশ্রয় দিয়ে আসছে। দীর্ঘ সময় ধরে এই বিপুল জনসংখ্যার ভার বহন করা ইতোমধ্যেই আমাদের অর্থনীতির ওপর একটি বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ সব সময়ই এই আন্তর্জাতিক ইস্যুতে অত্যন্ত সহযোগিতাপূর্ণ, সংবেদনশীল ও দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি বজায় রেখে চলেছে। তবে এ সংকটের দীর্ঘমেয়াদি ও স্থায়ী সমাধানের জন্য বাংলাদেশ এখন তার কূটনৈতিক বন্ধু রাষ্ট্র, আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগী এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের সঙ্গে নিবিড় আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য হলো—আশ্রয় নেওয়া এসব রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সম্পূর্ণ সম্মানজনক, নিরাপদ, সুসংগঠিত ও সুসংহত প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কার্যকর ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ গ্রহণ করা।