Dhaka ১০:৪৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচিত সরকারের সাত মাস পার: জনপ্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত গতি ফেরেনি

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:২১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সাত মাস অতিবাহিত হলেও জনপ্রশাসনে এখনো কাঙ্ক্ষিত গতিশীলতা আসেনি। প্রশাসনের প্রায় প্রতিটি স্তরে ঢিলেঢালা ভাব এবং নীতিনির্ধারকদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শীর্ষস্থানীয় আমলাদের মধ্যে দায়সারা মনোভাব ও দায়িত্ব পালনে অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করেছে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রুটিন কাজ চালিয়ে গেলেও মধ্যম ও নিচুতলায় একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিগত সরকারের সময়কার সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অনেকেই প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকায় নীত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতা দেখা দিচ্ছে। কেন্দ্র থেকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার অভাবে প্রশাসনের এই জড়তা দ্রুত কাটানো না গেলে তা সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

নির্বাচিত সরকারের সাত মাস পার: জনপ্রশাসনে কাঙ্ক্ষিত গতি ফেরেনি

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:২১:৩২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

বিএনপি সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর সাত মাস অতিবাহিত হলেও জনপ্রশাসনে এখনো কাঙ্ক্ষিত গতিশীলতা আসেনি। প্রশাসনের প্রায় প্রতিটি স্তরে ঢিলেঢালা ভাব এবং নীতিনির্ধারকদের নিয়ন্ত্রণ শিথিল রয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। শীর্ষস্থানীয় আমলাদের মধ্যে দায়সারা মনোভাব ও দায়িত্ব পালনে অনীহা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সরকারের নীতিনির্ধারকদের মধ্যেও অস্বস্তি তৈরি করেছে।

বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও দপ্তরে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা রুটিন কাজ চালিয়ে গেলেও মধ্যম ও নিচুতলায় একধরনের স্থবিরতা বিরাজ করছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বিগত সরকারের সময়কার সুবিধাভোগী ও বিতর্কিত কর্মকর্তাদের অনেকেই প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে বহাল থাকায় নীত বাস্তবায়নে সমন্বয়হীনতা দেখা দিচ্ছে। কেন্দ্র থেকে সুনির্দিষ্ট দিকনির্দেশনার অভাবে প্রশাসনের এই জড়তা দ্রুত কাটানো না গেলে তা সরকারের সামগ্রিক কার্যক্রমকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।