রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথী পদ থেকে প্রায় এক বছর আগেই জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে ইসলামী ছাত্রশিবির বহিষ্কার করেছিল। সম্প্রতি শাখা শিবিরের সাবেক এক নেতার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং পরবর্তী সময়ে শিবিরের বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ চিঠি সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছায়।
প্রকাশিত প্রথম চিঠিটি ইস্যু করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন রাবি সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদবাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় এবং নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ আসায় তার সাথী পদ স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় চিঠিতে জানানো হয়, বারবার সংশোধন হতে বলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি তার সাথী পদ চূড়ান্তভাবে বাতিল করেন।
সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই রাবির বর্তমান সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত তৃতীয় চিঠিতে বলা হয়, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা, অনৈতিক লেনদেন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই চিঠিতে সংগঠনের জনশক্তিদের আম্মারের অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া না দেখাতে এবং দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ রাখতে নিষেধ করা হয়।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান চিঠির নথিপত্রগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এসব সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া ২০২৫ সালেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।






















