Dhaka ১০:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

যে কারণে এক বছর আগেই শিবির থেকে বহিষ্কার হন আম্মার

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:১৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬
  • ১১ বার দেখা হয়েছে

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথী পদ থেকে প্রায় এক বছর আগেই জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে ইসলামী ছাত্রশিবির বহিষ্কার করেছিল। সম্প্রতি শাখা শিবিরের সাবেক এক নেতার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং পরবর্তী সময়ে শিবিরের বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ চিঠি সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছায়।

প্রকাশিত প্রথম চিঠিটি ইস্যু করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন রাবি সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদবাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় এবং নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ আসায় তার সাথী পদ স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় চিঠিতে জানানো হয়, বারবার সংশোধন হতে বলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি তার সাথী পদ চূড়ান্তভাবে বাতিল করেন।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই রাবির বর্তমান সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত তৃতীয় চিঠিতে বলা হয়, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা, অনৈতিক লেনদেন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই চিঠিতে সংগঠনের জনশক্তিদের আম্মারের অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া না দেখাতে এবং দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ রাখতে নিষেধ করা হয়।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান চিঠির নথিপত্রগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এসব সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া ২০২৫ সালেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

যে কারণে এক বছর আগেই শিবির থেকে বহিষ্কার হন আম্মার

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৫:১৪:১৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর ২০২৬

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথী পদ থেকে প্রায় এক বছর আগেই জিএস সালাউদ্দিন আম্মারকে ইসলামী ছাত্রশিবির বহিষ্কার করেছিল। সম্প্রতি শাখা শিবিরের সাবেক এক নেতার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং পরবর্তী সময়ে শিবিরের বেশ কিছু অভ্যন্তরীণ চিঠি সাংবাদিকদের হাতে পৌঁছায়।

প্রকাশিত প্রথম চিঠিটি ইস্যু করা হয়েছিল ২০২৫ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি। তৎকালীন রাবি সভাপতি মুস্তাকুর রহমান জাহিদ স্বাক্ষরিত ওই চিঠিতে উল্লেখ করা হয়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন রাজশাহী মহানগর ও জেলা কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদবাণিজ্যের অভিযোগ ওঠায় এবং নৈতিক পদস্খলনের অভিযোগ আসায় তার সাথী পদ স্থগিত করা হয়। পরবর্তীতে একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বরের দ্বিতীয় চিঠিতে জানানো হয়, বারবার সংশোধন হতে বলা সত্ত্বেও সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবহির্ভূত কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সভাপতি তার সাথী পদ চূড়ান্তভাবে বাতিল করেন।

সর্বশেষ ২০২৬ সালের ৩১ জুলাই রাবির বর্তমান সভাপতি মুজাহিদ ফয়সালের স্বাক্ষরিত তৃতীয় চিঠিতে বলা হয়, মৌলিক ইবাদতে উদাসীনতা, অনৈতিক লেনদেন, নারীদের সঙ্গে অবাধ বিচরণ এবং উসকানিমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার কারণে তার বিরুদ্ধে এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। ওই চিঠিতে সংগঠনের জনশক্তিদের আম্মারের অনলাইন ও অফলাইন কার্যক্রমে প্রতিক্রিয়া না দেখাতে এবং দাপ্তরিক প্রয়োজন ছাড়া যোগাযোগ রাখতে নিষেধ করা হয়।

এ বিষয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শিবিরের বর্তমান সেক্রেটারি হাফেজ মেহেদী হাসান চিঠির নথিপত্রগুলোর সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, এসব সিদ্ধান্ত ও প্রক্রিয়া ২০২৫ সালেই সম্পন্ন হয়েছিল। তবে এ বিষয়ে রাকসুর জিএস সালাউদ্দিন আম্মারের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।