Dhaka ১০:২৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চীনকে পরীক্ষিত বন্ধু আখ্যা দিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৬ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে চীনের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বেইজিংয়ের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, চীনের এই উদ্যোগ সংকট নিরসনে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।

রাষ্ট্রপতি তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর এবং সৌরশক্তি খাতে চীনা বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ জোর দেন।

আঞ্চলিক যোগাযোগের বিভিন্ন করিডর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি আরও বেগবান হবে। এছাড়া তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের ভূমিকার প্রশংসা করে চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার সফর এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের কথা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুসংহত হবে।

এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জন্য জটিল রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় চীনা প্রযুক্তিগত সহায়তা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় বিদায়ী রাষ্ট্রদূতও বাংলাদেশের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চীনকে পরীক্ষিত বন্ধু আখ্যা দিয়ে বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান রাষ্ট্রপতির

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৭:০৪:১১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে বৈদেশিক বিনিয়োগের পরিমাণ বৃদ্ধি এবং বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে চীনের আরও জোরালো সহযোগিতা কামনা করেছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাতে রাষ্ট্রপতি এই আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বেইজিংয়ের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করে তিনি বলেন, চীনের এই উদ্যোগ সংকট নিরসনে অত্যন্ত কার্যকরী ভূমিকা রাখছে।

রাষ্ট্রপতি তৈরি পোশাক খাতের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর এবং সৌরশক্তি খাতে চীনা বিনিয়োগ ও অংশীদারত্ব আরও সম্প্রসারণের ওপর বিশেষ জোর দেন।

আঞ্চলিক যোগাযোগের বিভিন্ন করিডর এবং অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতি আরও বেগবান হবে। এছাড়া তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা অব্যাহত রাখার অনুরোধ জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের ভূমিকার প্রশংসা করে চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়কার সফর এবং পরবর্তীতে বিভিন্ন উচ্চপর্যায়ের কূটনৈতিক যোগাযোগের কথা স্মরণ করে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের মধ্যকার এই বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামী দিনে আরও সুসংহত হবে।

এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করার পাশাপাশি সাধারণ জনগণের জন্য জটিল রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় চীনা প্রযুক্তিগত সহায়তা কামনা করেন রাষ্ট্রপতি। এ সময় বিদায়ী রাষ্ট্রদূতও বাংলাদেশের প্রতি সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।