Dhaka ০৭:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ এবং নতুন বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক তাৎপর্য

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:১২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৮ বার দেখা হয়েছে

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণটি কেবল একটি প্রথাগত কূটনৈতিক বক্তব্য নয়, এটি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্ধকার পেরিয়ে আসা একটি সার্বভৌম দেশের আত্মপ্রকাশের দলিল। নিউ ইয়র্কের বিশ্বমঞ্চে বাংলায় দেওয়া এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

এই ভাষণের একটি সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্য রয়েছে, যা একটি রাজনৈতিক পরিবারের তিন প্রজন্মের দেশসেবার ইতিহাসকে স্পর্শ করে। অতীতে এই মঞ্চে দেশের মানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেন।

ভাষণের শুরুতেই তিনি একাত্তরের শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সাম্প্রতিক অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণকারী বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করেছেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ এবং নতুন বাংলাদেশের ভূরাজনৈতিক তাৎপর্য

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৪:১২:০২ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণটি কেবল একটি প্রথাগত কূটনৈতিক বক্তব্য নয়, এটি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্ধকার পেরিয়ে আসা একটি সার্বভৌম দেশের আত্মপ্রকাশের দলিল। নিউ ইয়র্কের বিশ্বমঞ্চে বাংলায় দেওয়া এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

এই ভাষণের একটি সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্য রয়েছে, যা একটি রাজনৈতিক পরিবারের তিন প্রজন্মের দেশসেবার ইতিহাসকে স্পর্শ করে। অতীতে এই মঞ্চে দেশের মানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেন।

ভাষণের শুরুতেই তিনি একাত্তরের শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সাম্প্রতিক অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণকারী বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করেছেন।