জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দেওয়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম ভাষণটি কেবল একটি প্রথাগত কূটনৈতিক বক্তব্য নয়, এটি দীর্ঘ দেড় দশকের ফ্যাসিবাদী শাসনের অন্ধকার পেরিয়ে আসা একটি সার্বভৌম দেশের আত্মপ্রকাশের দলিল। নিউ ইয়র্কের বিশ্বমঞ্চে বাংলায় দেওয়া এই ভাষণ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের মর্যাদা নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে।
এই ভাষণের একটি সুদূরপ্রসারী ঐতিহাসিক ও মনস্তাত্ত্বিক তাৎপর্য রয়েছে, যা একটি রাজনৈতিক পরিবারের তিন প্রজন্মের দেশসেবার ইতিহাসকে স্পর্শ করে। অতীতে এই মঞ্চে দেশের মানুষের অধিকারের কথা তুলে ধরেছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তারই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী জনগণের ভোটাধিকার এবং একটি গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের বার্তা তুলে ধরেন।
ভাষণের শুরুতেই তিনি একাত্তরের শহীদদের পাশাপাশি ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ফ্যাসিবাদবিরোধী ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মত্যাগকে গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন। দীর্ঘ রাজনৈতিক সংগ্রাম ও সাম্প্রতিক অবাধ নির্বাচনের মাধ্যমে দায়িত্ব গ্রহণকারী বর্তমান সরকারের গণতান্ত্রিক যাত্রাকে তিনি বিশ্ববাসীর সামনে দৃঢ়ভাবে উপস্থাপন করেছেন।


























