Dhaka ০৯:৫৯ অপরাহ্ন, বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ২০ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
ডিসেম্বরের মধ্যে নতুন মজুরি কাঠামো চূড়ান্ত, শ্রমিকদের বেতন জানুয়ারি থেকে কার্যকর বড়দিন উদযাপনে খ্রিষ্টান কল্যাণ ট্রাস্টকে ৩ কোটি টাকা অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী কারখানা বন্ধের চক্রান্ত ও উসকানিকারীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে: সালাহউদ্দিন আহমদ পোশাকশিল্পে টানা অস্থিতিশীলতায় চরম উদ্বিগ্ন উদ্যোক্তারা দেশে কর্মক্ষম জনগোষ্ঠীর ৮৪ শতাংশ অনানুষ্ঠানিক খাতে নিয়োজিত: বিশ্বব্যাংক ভ্যাটসহ প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট স্বর্ণের দাম দাঁড়াল ২ লাখ ২০ হাজার ৮৫৮ টাকা ডলারের বিনিময় হারে ঊর্ধ্বগতি, ব্যাংকের এমডিদের সতর্ক করলেন গভর্নর উদ্যোক্তাদের অনীহায় বেসরকারি খাতে ঋণ প্রবৃদ্ধি কমে ৪.১৭ শতাংশে চার মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহে ১৪.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন আর শুধু সম্ভাবনা নয়, অনিবার্য বাস্তবতা: প্রধানমন্ত্রী

চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

  • সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ১৯ বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে আরও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকটে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চীনের উদ্যোগ সংকট সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে।

রাষ্ট্রপতি তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ বিভিন্ন খাতে আরও সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক যোগাযোগের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে প্রস্তুত। মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তিনি যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে নিজের ও বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্ব এবং শিক্ষার্থীদের চীন সফরের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব সফর ও বৈঠক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।

এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য রাষ্ট্রপতি চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় চীনা দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রদূতও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

জনপ্রিয়

মোংলা বন্দরে দুটি আধুনিক কন্টেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন প্রধানমন্ত্রী

চীন বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, বিনিয়োগ বাড়ানোর আহ্বান

সর্বশেষ হালনাগাদ : ০৩:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে আরও সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য চীনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বুধবার বঙ্গভবনে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। রোহিঙ্গা সংকটে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি বলেন, চীনের উদ্যোগ সংকট সমাধান ও টেকসই প্রত্যাবাসনে সহায়ক হবে।

রাষ্ট্রপতি তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যান, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তিসহ বিভিন্ন খাতে আরও সহযোগিতা ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির আহ্বান জানান।

কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ বহুপাক্ষিক আঞ্চলিক যোগাযোগের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশ চীন ও সংশ্লিষ্ট অংশীদারদের সঙ্গে পারস্পরিক স্বার্থে কাজ করতে প্রস্তুত। মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন ও সম্প্রসারণ এবং চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে তিনি যোগাযোগ, শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বলে উল্লেখ করেন।

তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের কারিগরি ও আর্থিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্রকল্প বাস্তবায়ন নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার অনুরোধ করেন।

বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক জোরদারে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের অবদানের প্রশংসা করে রাষ্ট্রপতি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত বন্ধু ও কৌশলগত অংশীদার হিসেবে উল্লেখ করেন।

শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে নিজের ও বাংলাদেশের জ্যেষ্ঠ ও তরুণ নেতৃত্ব এবং শিক্ষার্থীদের চীন সফরের কথা স্মরণ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, এসব সফর ও বৈঠক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।

এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণ ও অর্থায়নের জন্য রাষ্ট্রপতি চীনের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে সাধারণ জনগণের জন্য উন্মুক্ত জটিল রক্তের ক্যানসার চিকিৎসায় চীনা দক্ষতা ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রদূতও সর্বাত্মক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।