দেশের বিমানযাত্রীদের জন্য বিদেশি এয়ারলাইন্সের টিকিট কেনায় আন্তর্জাতিক কার্ড ব্যবহারের প্রক্রিয়া আরও সহজ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সোমবার (২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬) বাংলাদেশ ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রা নীতি বিভাগ (এফইপিডি-১) এ-সংক্রান্ত একটি নতুন সার্কুলার জারি করেছে।
সার্কুলার অনুযায়ী, এখন থেকে বৈধ ভিসাধারী বাংলাদেশি নাগরিকেরা বাংলাদেশে কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিদেশি এয়ারলাইন্সগুলোর টিকিট কেনার ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক কার্ড ব্যবহার করতে পারবেন। গত বছরের ১৯ নভেম্বর জারি করা আগের একটি সার্কুলারের শর্ত কিছুটা শিথিল করে নতুন এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, বাংলাদেশের ভেতর অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকের পেমেন্ট ব্যবস্থার পাশাপাশি বাংলাদেশের বাইরে প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক অ্যাকোয়ারিং ও পেমেন্ট সেটেলমেন্ট ব্যবস্থার মাধ্যমেও টিকিট বিক্রির অর্থ পরিশোধ করা যাবে।
এসব লেনদেন স্বচ্ছভাবে চিহ্নিত করতে বাংলাদেশ ব্যাংক এয়ারলাইন্সগুলোর মার্চেন্ট ক্যাটাগরি কোড (এমসিসি) নির্ধারণ করে দিয়েছে। যার মধ্যে এয়ার ইন্ডিয়া, ক্যাথে প্যাসিফিক, এমিরেটস, কাতার এয়ারওয়েজ, সিঙ্গাপুর এয়ারলাইন্স ও টার্কিশ এয়ারলাইন্সসহ মোট ১৭টি বিদেশি এয়ারলাইনস অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক কার্ডের মাধ্যমে টিকিট ক্রয়ের এই সুবিধা যাত্রীদের সাধারণ ভ্রমণ কোটা বা ট্রাভেল এনটাইটেলমেন্টের আওতামুক্ত থাকবে। ফলে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকগুলো ব্যাংকার-গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে টিকিট ক্রয়ে ব্যবহৃত অর্থের সমপরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসংশ্লিষ্ট কার্ডে পুনরায় রিফিল করতে পারবে।
তবে এই নতুন সুবিধা বাংলাদেশের নিজস্ব এয়ারলাইন্সগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। বাংলাদেশের বিমানগুলো থেকে দেশের বাইরে যাতায়াতের টিকিট বিক্রির ক্ষেত্রে প্রচলিত বিধান অনুসরণ অব্যাহত রাখতে হবে।
বিদেশি এয়ারলাইন্সের যেসব টিকিট বিক্রির অর্থ বিদেশে সেটেলমেন্ট হবে, তা চলতি বছরের মে মাসে জারি করা এফইপিডি-১ সার্কুলারের বিধান অনুযায়ী সংশ্লিষ্ট এয়ারলাইন্সে প্রেরণযোগ্য উদ্বৃত্ত আয়ের সঙ্গে সমন্বয় করতে হবে। ব্যাংকগুলোকে প্রচলিত নিয়ম মেনে এসব লেনদেনের নিয়মিত প্রতিবেদন বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা দিতে হবে।






















