একই দাগের জমির একাংশ ব্যক্তিমালিকানাধীন এবং অন্য অংশ খাস বা সরকারি স্বার্থসংশ্লিষ্ট হলে, সঠিক সীমানা নির্ধারণ করে ব্যক্তিমালিকানাধীন অংশের নামজারি ও ভূমি উন্নয়ন কর আদায়ের নির্দেশ দিয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি এ বিষয়ে একটি সুনির্দিষ্ট পরিপত্র জারি করা হয়েছে। পরিপত্রে স্পষ্ট বলা হয়েছে, এ ধরনের জটিলতার কারণে সাধারণ ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির নামজারি আবেদন গ্রহণ বা ভূমি উন্নয়ন কর আদায় থেকে বিরত থাকা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সংশ্লিষ্ট এলাকার সাবেক ও হাল রেকর্ড, দাগসূচি, মৌজা ম্যাপ এবং মালিকানার ধারাবাহিকতা পর্যালোচনা করে সরকারি ও ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি পৃথকভাবে চিহ্নিত করবেন। এ ক্ষেত্রে কেবল কাগজপত্রের ওপর নির্ভর না করে অবশ্যই সরেজমিনে ও বাস্তবভিত্তিক তদন্ত নিশ্চিত করতে হবে। ভূমি সহকারী কর্মকর্তা কিংবা সার্ভেয়ারের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর উপস্থিতিতে যৌথ স্বাক্ষরিত খণ্ড নকশা প্রস্তুত করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।
পরিপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, নামজারি আবেদনের প্রেক্ষিতে জমি পৃথককরণের জন্য আলাদা কোনো বিবিধ কেস নথি খোলার প্রয়োজন নেই, এটি নামজারি প্রক্রিয়ারই অংশ হিসেবে সম্পন্ন হবে। তবে নামজারি ছাড়া অন্য কোনো কারণে পৃথকীকরণের প্রয়োজন হলে আলাদা নথি সৃজন করা যাবে। নতুন এই নিয়মের ফলে সাধারণ ভূমি মালিকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হবে এবং স্বচ্ছতার সাথে নির্দিষ্ট অংশের নামজারি কার্যক্রম সম্পন্ন করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।






















